sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

নির্বাচন

জাতীয়

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » ট্রাম্পের চেয়েও বাজে প্রেসিডেন্ট ছিলেন নিক্সন: জরিপ




বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রায়ই বিভিন্ন বেফাঁস মন্তব্য আর বিতর্কিত কাজের জন্য সমালোচিত হয়েছেন। কিন্তু এতোকিছুর পরও সাম্প্রতিক এক জরিপ বলছে, তিনি সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সনের চেয়েও ভালোভাবে দেশ চালাচ্ছেন। খবর সিএনএনের।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কের মারিস্ট কলেজের নতুন একটি জরিপে এমন তথ্য উঠে এসেছে। ওই জরিপে দেখা গেছে, ২০ ভাগ মার্কিনি মনে করেন ট্রাম্প তার দায়িত্ব দারুণভাবেই পালন করছেন। যেখানে ৪৪ বছর আগের এক হ্যারিস জরিপে সাত ভাগ মার্কিনি তৎকালীন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সনের সম্পর্কে এমন মন্তব্য করেছিলেন।
মারিস্ট কলেজের জরিপ অনুসারে, ২০ ভাগ মার্কিনি মনে করেন তিনি খুব ভালো করছেন, ১৩ ভাগের মতে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্প মোটামুটি আর ৪৫ ভাগ মার্কিনির হিসেবে ট্রাম্পের পারফরমেন্স বাজে।

জরিপে রিপাবলিকান ও ডেমোক্রেট পার্টির মতামতের মধ্যেও বেশ ফারাক দেখা গেছে। যেখানে ৪৯ ভাগ রিপাবলিকান মনে করেন ট্রাম্প খুব ভালোভাবে দেশ চালাচ্ছেন, বিপরীতে মাত্র দুই ভাগ ডেমোক্রেট একই ধরনের মনোভাব পোষণ করেন। আর ৮০ ভাগ ডেমোক্রেট মনে করেন তিনি বাজেভাবে দেশ চালাচ্ছেন, যেখানে ছয় ভাগ রিপাবলিকান এমনটা মনে করেন।
এরকম রেটিং দেখে মনেই হতে পারে, অনেকেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে অপছন্দ করেন। কিন্তু জন কেনেডি প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকে যত জরিপ হয়েছে সবগুলোতে দারুণ, খুব ভালো, মোটামুটি এবং বাজে-এই মানদণ্ড ব্যবহার করা হয়েছে।
৪৪ বছর আগে ১৯৭৪ সালের ৮ আগস্ট প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন পদত্যাগের সময় মার্কিনিদের কাছে যতটা অপছন্দের ছিলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পও এখন ঠিক ততটায় অপছন্দের। নিক্সন পদত্যাগের আগে একটি হ্যারিস জরিপে দেখা যায়, ৪৫ ভাগ মার্কিনি মনে করতেন, তিনি খুব বাজেভাবে দেশ পরিচালনা করছেন।

১৯৭৪ সালে নিক্সন ডেমোক্রেটদের কাছে যতটা অপছন্দের ছিলেন ট্রাম্প ডেমোক্রেটদের কাছে এর চেয়েও বেশি অপছন্দনীয়। ওইসময় ৭০ ভাগ ডেমোক্রেট ভোটার নিক্সনকে ‘বাজে’ রেটিং দেন। যেখানে বর্তমান জরিপে ৮০ ভাগ ডেমোক্রেট ট্রাম্পকে ‘বাজে’ রেটিং দিয়েছে।
তবে মজার বিষয় হচ্ছে, যদিও অধিকাংশ মানুষ নিক্সনকে অপছন্দ করতেন না কিন্তু তারা তাকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দেখতেও পছন্দ করতেন না। ১৯৭৪ সালে করা হ্যারিস জরিপে দেখা যায়, ৫৬ ভাগ মার্কিনি নিক্সনকে অভিশংসন এবং সরিয়ে দেয়ার পক্ষে মত দেন। তবে এমনটা ঘটুক সেটা চায়নি ৩৪ ভাগ মার্কিনি।
এটা স্পষ্ট ছিল যে, মার্কিনিরা নিক্সনকে খুব একটা পছন্দ করতেন না, কিন্তু এই অপছন্দের বহিঃপ্রকাশটা এখনকার মতো এতোটা তীব্র ছিল না। অবশ্য পছন্দ-অপছন্দের এই তুলনায় নিক্সনকে ঠিকই পেছনে ফেলেছেন ট্রাম্প। যেখানে সাত ভাগ মার্কিনি বলেছেন, নিক্সন খুব ভালোভাবেই দেশ চালাচ্ছিলেন, সেখানে ২০ ভাগ মার্কিনির সমর্থন পেয়েছেন ট্রাম্প।
আবার রিপাবলিকানদের পছন্দের মাত্রার দিক দিয়েও নিক্সনকে ছাড়িয়ে গেছেন ট্রাম্প। ১৯৭৪ সালে নিক্সন যেখানে ২০ ভাগ রিপাবলিকান ভোটারের সমর্থন পেয়েছিলেন সেখানে ট্রাম্প পেয়েছেন ৪৯ ভাগের।

নিক্সন পরবর্তী সময়কার প্রেসিডেন্টদের মধ্যে রোনাল্ড রিগান, বিল ক্লিনটন এবং সবশেষ বারাক ওবামার রেটিংও কিন্তু খুব একটা ভালো ছিল না। কিন্তু মজার বিষয় হচ্ছে, মধ্যবর্তী নির্বাচনে এই সব প্রেসিডেন্টের দলগুলো মারাত্মকভাবে মার খেয়েছে। তাই আগামী নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পে রিপাবলিকান পার্টিও বড় রকমের ধাক্কা খেতে পারে।
তবে ১৯৭৪ সালের পর কোনও রিপাবলিকান প্রেসিডেন্টের সময় আবারও হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভসে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পাওয়ার স্বপ্নে বুঁদ হয়ে আছে ডেমোক্রেটরা। কারণ ১৯৭৪ সালের মতো এ বছরও মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ক্ষমতাসীন কোনও রিপাবলিকান প্রেসিডেন্টের রেটিং পয়েন্ট খুবই কম।

«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply