sponsor

sponsor

Slider

আন্তর্জাতিক

জাতীয়

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

Facebook Like Box

» » » ‘ভারতের গরু আনলে লস আমাদের’



কুরবানি ঈদ সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছেন চুয়াডাঙ্গার খামারিরা। দেশীয় পদ্ধতিতেই গরু মোটাতাজা করছেন তারা। ভারতীয় গরু না আসলে এবছর বেশি লাভের আশা তাদের।
চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন উপজেলায় কুরবানির ঈদ সামনে রেখে গরু মোটাতাজা করছেন নিয়মিত ও মৌসুমী খামারিরা। এবছর জেলাজুড়ে ৫০ হাজারের বেশি গরু দেশীয় পদ্ধতিতে মোটাতাজা করা হচ্ছে। স্থানীয় গরুর চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্নস্থানে বাজারজাত করার আশাও খামারিদের।
খামারিরা বলেন, আমাদের এখানে রাসায়নিক কোনও সার ব্যবহার করা হচ্ছে না। আমরা প্রাকৃতিক নিয়মেই গরুকে মোটাতাজা করছি।

তবে ভারতীয় গরু নিয়ে শঙ্কায় খামারিরা। তাদের দাবি ভারতীয় গরু আসলেই লোকসান গুনতে হয় তাদের। চাষিরা গরু পুষে টাকা পায় না। আজাদ নামে এক খামারি বলেন, আমাদের নিজেদের দেশের জন্যই ভারত থেকে গরু আনা বন্ধ করতে হবে। ভারতের গরু আনলেই দেশীয় গরুর কদর কমে। আসল কথা ভারতে থেকে গরু আনলে লস আমাদের।

খামারিদের দাবি, ভারত থেকে অবৈধভাবে গরু আসা ঠেকাতে সীমান্তে তদারকি বাড়ানোর।
চুয়াডাঙ্গা জেলার ভারপ্রাপ্ত প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডা. এএইচএম শামিমুজ্জামান বলেন, আমরা কৃষকদের খামার, উঠানে যেয়ে বৈঠক এবং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের উৎসাহী করছি তারা যেন স্টেরয়েড ও হরমোন জাতীয় ওষুধ ব্যবহার না করে গরু মোতাতাজা করণের ক্ষেত্রে। 
তবে প্রাণিসম্পদমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ জানিয়েছে, গতবারের মতো এবারও বর্ডার এলাকায় গরু চোরাচালান যেন না হয় সে ব্যাপারে নির্দেশনা রয়েছে। এবারও ভারত থেকে গরু আসার কোনও সম্ভাবনা নেই। তবে কিছু গরু ট্যাক্স দিয়ে আসে। সেগুলো সংখ্যায় খুব কম। সেটা হিসাবের মধ্যে পড়ে না।


তিনি জানান, আমরা ১৬ কোটি মানুষ। আর কোরবানির চাহিদা ১ কোটি ১৬ লাখ। আমাদের দেশীয় পশু দিয়ে আমাদের কোরবানি চাহিদা পূরণ সম্ভব।
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সূত্রে জানা যায়, গেলো কুরবানির ঈদে ১ কোটি ৪ লাখ পশু বেচাকেনা হয়েছে। এবার কুরবানিতে গরু, মহিষ, ভেড়া ও ছাগল মিলে ১ কোটি ১৬ লাখ মজুদ আছে। এগুলো কোরবানির ঈদে বেচাকেনার জন্য প্রস্তুত। এছাড়াও নিজেরাই পালন করে কোরবানি দেবে এমন পশুর সংখ্যা তিন লাখ।

«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply