sponsor

sponsor

Slider

আন্তর্জাতিক

জাতীয়

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

Facebook Like Box

» » নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বদলির ক্ষমতা চায় ইসি




সুষ্ঠু নির্বাচন ও জনসাধারণের নিরাপত্তার স্বার্থে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের শুধু সাময়িক প্রত্যাহার নয়, বদলির ক্ষমতাও চায় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তাই বিদ্যমান গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে (আরপিও) সংশোধনী আনতে আইন মন্ত্রণালয়ে তা যাচাই-বাছাইয়ের (ভেটিং) জন্য পাঠানো হয়েছে।

এ ছাড়া জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসনভিত্তিক রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগ, ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) ব্যবহার এবং অপব্যবহারে অর্থদণ্ডসহ সাত বছরের জেল, প্রার্থীদের আয়কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) যুক্ত করা, অনলাইনের মাধ্যমে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়াসহ গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) নির্বাচন কমিশন সংশোধনের প্রস্তাব করেছে বলে ইসি সূত্রে জানা যায়।

গত বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ইসির কয়েকজন কর্মকর্তা এনটিভি অনলাইনকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ইসি সূত্রে জানা যায়, আরপিওতে ইভিএম পদ্ধতি সংযুক্ত করতে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ২ ধারা সংশোধনের প্রস্তাব করা হয়েছে। এ ছাড়া জাতীয় নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের বিধান যুক্ত করতে আরপিওতে ১৯(এ), ২০(এ), ২০(বি), ২০(সি), ৩১(১) এবং ৮১(১) ধারাতে সংশোধনীর প্রস্তাব করা হয়েছে।

এসব বিষয়ে জানতে চাইলে ইসির অতিরিক্ত সচিব মো. মোখলেসুর রহমান বিষয়টি এনটিভি অনলাইনকে বলেন, ‘যদি কোনো নির্বাচনী কর্মকর্তা ক্ষমতার অপব্যবহার করে, কোনো একটি পক্ষকে সুযোগ সৃষ্টি করে দেয় কিংবা ভয়ভীতি দেখিয়ে নির্বাচনে প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা করে তাহলে নির্বাচন কমিশন তাকে শুধু প্রত্যাহার নয়, বদলি করারও ক্ষমতা হাতে রাখতে চায়। কারণ যারা ওই নির্বাচনী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করবেন প্রত্যাহারাদেশ উঠে গিয়ে তিনি যদি পরবর্তী সময়ে আবার সে এলাকাতে ফিরে যান তবে ঝামেলা বাড়তে পারে।’

অতিরিক্ত সচিব আরো বলেন, ‘এ ছাড়া ওই নির্বাচনী কর্মকর্তা গেলে অভিযোগকারীদের ভেতরে ভয়ভীতি বিরাজ করতে পারে। আবার তিনিও ক্ষতি করার মনোভাব পোষণ করতে পারেন। বর্তমান আরপিওতে নির্বাচনী কর্মকর্তাদের প্রত্যাহারের কথা বলা থাকলেও বদলির কথা বলা নেই। আর তাই এসব ঝামেলা এড়াতেই মূলত গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ৭(৬) ধারায় ট্রান্সফার (বদলি) যুক্তের প্রস্তাব করা হয়েছে।’

বিদ্যমান গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী প্রত্যেকটি জেলায় একজন করে রিটার্নিং কর্মকর্তা থাকার বিধান রয়েছে। কিন্তু নির্বাচন কমিশন চায় এটা সংশোধন করে প্রয়োজন হলে আসনভিত্তিক রিটানিং কর্মকর্তা নিয়োগ দিতে।

এসব বিষয়ে জানতে চাইলে একজন নির্বাচন কমিশনার নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনটিভি অনলাইনকে বলেন, ‘ঢাকা জেলায় দুজন রিটার্নিং কর্মকর্তা অলরেডি আছে। একজন হলো বিভাগীয় কমিশনার আর অন্যজন ডিসি। কিন্তু আইনে প্রতি জেলায় একজন রিটার্নিং কর্মকর্তার বেশি থাকার কোনো নিয়ম নেই। যেহেতু এখানে দুজন, তার মানে আইনের সঙ্গে কনফ্লিক্ট হচ্ছে। আর তাই আমরা আইন সংশোধন করার প্রস্তাবনা দিয়েছি। এ ছাড়া সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে নির্বাচন কমিশন চাইলে যাতে এলাকাভিত্তিক বা আসন ভিত্তিক রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগ করতে পারে সেজন্য গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ৭(৫) ধারার সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে।’

এদিকে, গত ১০ সেপ্টেম্বর নিজ কার্যালয়ে ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদের কাছে আরপিও সংশোধনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আরপিও সংশোধন আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হয়েছে। ভেটিংয়ে অনুমোদন হলে এটা মন্ত্রিসভায়, পার্লামেন্টে পাস হবে। তখন তো সবাই জানতে পারবেন। এটা কোনো গোপনীয় বিষয় নয়। সবকিছু আগে-ভাগে জানাতে হবে- এমন তো কোনো বিধান নেই।’

গত ৩০ আগস্ট কমিশন সভা শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা জানান, আরপিওতে ইভিএম ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ তেমন কোনো সংশোধনী আসছে না। ইভিএমও ব্যবহার করা হবে কি হবে না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।

«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply