sponsor

sponsor

Slider

আন্তর্জাতিক

জাতীয়

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

Facebook Like Box

» » » » বিশাল জয়ে এশিয়া কাপ শুরু বাংলাদেশের


 বিশাল জয়ে এশিয়া কাপ শুরু বাংলাদেশের

কত সংশয়, কত ভয়! একের পর এক ইনজুরি। ম্যাচের শুরুতেই চরম ব্যাটিং বিপর্যয়। এরমধ্যে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে ফিরে গেলেন তামিম। তবে সব প্রতিকূলতা পার করে দিনটিকে নিজেদের করে নিলো মাশরাফি বাহিনী।


 শ্রীলঙ্কাকে ১৩৭ রানে হারিয়ে এশিয়া কাপের যাত্রা শুরু করলো বাংলাদেশ। এই জয়ে সেমিফাইনালে এক পা দিয়ে রাখলো টাইগাররা।

ম্যাচের দ্বিতীয় ওভারেই কুশাল মেন্ডিসকে (০) ফেরান মোস্তাফিজুর রহমান। ঝড়ো শুরুর পর মাশরাফির বলে বোল্ড হলে ফেরেন অভিজ্ঞ ওপেনার উপল থারাঙ্গা। স্কোরবোর্ডে কোন রান করার আগেই ধনঞ্জয় ডি সিলভাকে এলবিডব্লিউ'র ফাঁদে ফেলেন মাশরাফি। এরপরই স্পটলাইটে আসেন মেহেদী মিরাজ। ১১ রানে কুশাল পেরেরাকে ফেরান। ১৮তম ওভারে রুবেলের হাতে প্রথম বল তুলে দেন মাশরাফি। এসেই অধিনায়ক অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউসকে এলবিডব্লিউ'র ফাঁদে ফেলেন। তারআগে দুসান সানাকা (৭) ফেরেন রান আউট হয়ে। তবে ৬ রানে থিসারা পেরেরাকে রুবেলের তালিবন্দ্বী করে লঙ্কানদের সব আশা কার্যত শেষ করে দেন মিরাজ।

এরপর দিলরুয়ান পেরেরা সঙ্গে জুটি বেধে লাকমল কিছুক্ষণ প্রতিরোধ করলেও বেশিক্ষণ তা টেকেনি। ২০ রানে মোস্তাফিজের বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন লাকমল। জয়ের আশা ছেড়ে দিয়ে ব্যাবধান কমানোর চেষ্টা করা ছাড়া শ্রীলঙ্কার সামনে আর কোন পথ খোলা ছিলো না।

২৯ রানে মোসাদ্দেকের বলে স্ট্যাম্পিং হয়ে দিলরুয়ান ফিরে গেলে সেই ব্যবধানটাও খুব বেশি কমাতে পারেনি লঙ্কানরা। শেষ পর্যন্ত ৩৫.১ ওভারে ১৩৮ রানে থেমে যান হাথুরুসিংহের শিষ্যরা।

দু'টি করে উইকেট নিয়েয়েছেন মাশরাফি, মোস্তাফিজ এবং মিরাজ। এছাড়া সাকিব, রুবেল এবং মোসাদ্দেক নিয়েছেন একটি করে উইকেট।




স্কোর: বাংলাদেশ ২৬১/১০ মুশফিক ১৪৪, মিথুন ৬৩; মালিঙ্গা ২৩/৪, সিলভা ৩৮/২।
শ্রীলঙ্কা: ১২৪/১০ থারাঙ্গা ২৭, পেরেরা ২৯; মাশরাফি ২৫/২, মোস্তাফিজ ২/২০, মিরাজ ২/২১। বাংলাদেশ ১৩৭ রানে জয়ী।

মুশফিক ম্যাজিকে লড়াইয়ের পুঁজি পেলো বাংলাদেশ

এক বছর পর জাতীয় দলে ফিরলেন একেবারে দমকা হওয়ার মতো। যে ঝড়ে বার বার বিধ্বস্ত হয়েছে বাংলাদেশ। দুবাইয়ের ব্যাটিং সহায়ক উইকেটেও বুড়ো হাড়ের ভেল্কি দেখালেন। তবে মালিঙ্গাকে এদিন ছাপিয়ে গেলেন মুশফিক। আর সবকিছু ছাপিয়ে গেলেন তামিম ইকবাল।

মুশফিকের সেঞ্চুরিতে লঙ্কার সামনে ২৬২ রানের টার্গেট দাঁড় করালো বাংলাদেশ।

ম্যাচের পঞ্চম বলে কুশাল মেন্ডিসের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান লিটন দাস (০)। পরের বলেই দুর্দান্ত ইয়র্কারে সাকিবের স্ট্যাম্প উড়িয়ে দেন মালিঙ্গা। বিধ্বস্ত, বিপর্যস্ত দলের জন্য আরো বড় বিপদ হয়ে আসে তামিমের ইনজুরি। দ্বিতীয় ওভারে সুরঙ্গা লাকমের বাউন্সারে পুল করতে গিয়ে বাম হাতের কব্জিতে আঘাত পেয়ে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছাড়েন।

এরপর নতুন গল্প লিখতে শুরু করেন মুশফিকুর রহিম এবং মোহম্মদ মিথুন। ১৩৮ রানের জুটি গড়ে বড় সংগ্রহের আশা জাগান। ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটি তুলে নিয়ে ৬৮ রানে সাজঘরে ফেরেন মিথুন। এবারও ঘাতক মালিঙ্গা।

মিথুন ফিরে গেলেও একপাশ আগলে লড়াই চালিয়ে যান মুশফিক। তুলে নেন ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ ওয়ানডে সেঞ্চুরি। কিন্তু তাকে সেভাবে কেউই সঙ্গ দিতে পারেননি। আপনেসোর বলে সিলভার হাতে ক্যাচ দিয়ে মাহমুদুল্লাহ ফেরেন ১ রানে। মালিঙ্গার চতুর্থ শিকারে পরিণত হওয়ার আগে মোসাদ্দেকও করেন মাত্র ১ রান।

বেশিক্ষণ দাঁড়াতে পারেননি মিরাজও। নিজের বলেই অবিশ্বাস্য ক্যাচ তুলে নিয়ে মিরাজকে (১৫) ফেরান লাকমল। অধিনায়ক মাশরাফি ফেরেন ১১ রানে।

এরপর মোস্তাফিজ ফিরে গেলে নাটকীয়ভাবে মাঠে নেমে আসেন তামিম। একহাতে ব্যাট করে কোন রকম ওভারটা পার করলেন। ব্যাস! তারপরেই শুরু মুশফিক ঝড়। একের পর এক বাউন্ডারি আর ওভার বাউন্ডারিতে কাপিয়ে দিলেন দুবাই। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ থামলো ২৬১ রানে। ১৪৪ রানের নায়কোচিত ইনিংস খেললেন মুশফিক। তামিম অপরাজিত থাকলেন ২ রানে।

স্কোর: বাংলাদেশ ২৬১/১০ মুশফিক ১৪৪, মিথুন ৬৩; মালিঙ্গা ২৩/৪, সিলভা ৩৮/২।




«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply