sponsor

sponsor

Slider

আন্তর্জাতিক

জাতীয়

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

Facebook Like Box

» » » ক্রিকেট জীবনের ১৪৪ রানের সেরা ইনিংস খেললেন মুশফিকুর রহিম


ক্রিকেট জীবনের  ১৪৪ রানের  সেরা ইনিংস খেললেন মুশফিকুর রহিম
 পাজোরে ব্যথা নিয়েও শ্রীলঙ্কাকে দগ্ধ করলেন মুশফিক

ক্রিকেট জীবনের সেরা ইনিংস খেললেন মুশফিকুর রহিম। তার অনবদ্য ১৪৪ রানের ইনিংসে বাংলাদেশ পায় চ্যালেঞ্জিং স্কোর। মুশফিকের দুঃসাহসিক ব্যাটিংয়ে সাথে মুগ্ধ করেছে তামিম ইকবালের দলের প্রতি আন্তরিকতা। হাতে প্ল্যাস্টার নিয়েই মাঠে নামেন তামিম। ব্যথা নিয়ে সঙ্গ দেন মুশফিককে। পুরো ম্যাচে ছিলো রুদ্ধশ্বাস নাটকীয়তা।


 দলীয় ১ রানে নেই ২ উ

ইকেট। পুরনো ইনজুরিতে লাকমালের বলে আঘাত পেয়ে তামিমকেও যেতে হলো হাসপাতালে। এমন দুর্যোগে উইকেটে এলেন মুশফিকুর রহিম। মিথুনকে নিয়ে মহাবিপদ সামাল দেয়ার দায়িত্বটা নিলেন তিনি। সময় যতো গড়িয়েছে উইকেটে চার পাশে রানের পাগলা ঘোড়া ছুটিয়েছেন মুশফিক আর মিথুন মিলে।

কিন্তু, হঠাৎই হিংসা হলো ক্রিকেট বিধাতার। ১৩২ রানের জুটি গড়ে মিথুন ফেরেন প্যাভিলিয়নে। কিন্তু, তখনো মনে হচ্ছিলো স্কোর বোর্ডে তিনশোর ওপরে রান উঠবে বাংলাদেশের।

কিন্তু, ৪১ রানের ব্যবধানে মাহমুদুল্লাহ, মোসাদ্দেক, মিরাজ, মাশরাফিরা আউট হলে মহাবিপদে পড়ে বাংলাদেশ। এবারেও দৃশ্যপটে মুশফিক। তুলে নেন ফিফটি।

প্রতিষ্ঠিত ব্যাটসম্যান বলতে কেউই নেই উইকেটে। মাঝারি মানের স্কোর পেতে মুশফিকের ব্যাটে দিকে চেয়ে বাংলাদেশ। ব্যাটসম্যানরা সবাই যখন আস্থার প্রতিদান দিতে ব্যর্থ। তখন রুবেল মোস্তাফিজের কি-বাই করার আছে। তবে, অনেক স্নায়ু চাপে উত্তরে মোস্তাফিজকে নিয়ে ক্যারিয়ারের আরেকটি সেঞ্চুরির ল্যান্ডমার্ক স্পর্শ করণে মুশফিক। যা তার আগের ৫টি সেঞ্চুরির থেকে এদিনের আবেগটা ছিলো একটু বেশি। অথচ বুকের পাজোরে ব্যথার কারণে মুশফিকের খেলার কথা ছিলো না এ ম্যাচে।

আবারো নাটকীয়তা। দলীয় ২২৯ রানে আউট হয়ে গেলেন মোস্তাফিজ। অর্থাৎ শ্রীলঙ্কার টার্গেট ২৩০। কিন্তু, হাতে প্লাস্টার নিয়েই দেশের টানে নেমে পড়লেন তামিম। সহযোদ্ধাকে পেয়ে যেন বীর হয়ে উঠলেন মুশফিক। বাউন্ডারি আর ওভার বাউন্ডারিতে মুগ্ধ করলেন বাংলাদেশকে আর দগ্ধ করলেন শ্রীলঙ্কাকে।




ক্রিকেট জীবনের সেরা ইনিংসটাই খেললেন মুশফিক। দেড়শো বলে ৪ ছক্কা ১১টি চারে ১৪৪ রানের নান্দনিক ব্যাটিং থামলে, বাংলাদেশ পায় ২৬১ রানের চ্যালেঞ্চিং স্কোর। বাংলাদেশের ১০ ব্যাটসম্যান আর মিস্টার এক্সটা মিলে যেখানে করে ১১৭ রান সেখানে এক মুশফিকের ব্যাটের বীরত্বে ১৪৪ রান যুদ্ধ জয়ের গল্পের মতো। ম্যাচের ফলাফল বাংলাদেশের পক্ষে না থাকলেও, হয়তো তামিম আর মুশফিকের দেশের প্রতি ভালবাসায় তারা জয় করেছে লক্ষ্য কোটি সমর্থকদের হৃদয়।

«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply