sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » তিন উইকেট হারিয়ে চাপে শ্রীলঙ্কা





তিন উইকেট হারিয়ে চাপে শ্রীলঙ্কা

রানটা বেশ দ্রুতই তুলছেন লঙ্কান ব্যাটসম্যানরা। প্রথম ওভারে ১৩ রান খরচ করেন মাশরাফি। পরের ওভারে ৯ রান দিলেও ০ রানে ওপেনার কুশাল মেন্ডিসকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন মোস্তাফিজ। পরের ওভারেই ১৬ বলে ২৭ রান করা উপল থারাঙ্গাকে বোল্ড করে ফেরান মাশরাফি।


 এক ওভার পর আবারও লঙ্কান শিবিরে আঘাত হানেন ম্যাশ। এলবিডব্লিউ হওয়ার আগে ধনঞ্জয়া ডি সিলভা করেন ০ রান। রিভিও নিয়েও কোন লাভ হয়নি বরং একটি রিভিউ খোয়াতে হয়েছে লঙ্কানদের। রানের চাকা গতিশীল থাকলেও দ্রুত তিন উইকেট হারিয়ে বেশ চাপে পড়ে হাথুরুসিংহের শিষ্যরা।

স্কোর: বাংলাদেশ ২৬১/১০ মুশফিক ১৪৪, মিথুন ৬৩; মালিঙ্গা ২৩/৪, সিলভা ৩৮/২।
শ্রীলঙ্কা: ৩৬/৩ (৭.০) কুশাল ৯*, ম্যাথিউস ০*।

মুশফিক ম্যাজিকে লড়াইয়ের পুঁজি পেলো বাংলাদেশ

এক বছর পর জাতীয় দলে ফিরলেন একেবারে দমকা হওয়ার মতো। যে ঝড়ে বার বার বিধ্বস্ত হয়েছে বাংলাদেশ। দুবাইয়ের ব্যাটিং সহায়ক উইকেটেও বুড়ো হাড়ের ভেল্কি দেখালেন। তবে মালিঙ্গাকে এদিন ছাপিয়ে গেলেন মুশফিক। আর সবকিছু ছাপিয়ে গেলেন তামিম ইকবাল।

মুশফিকের সেঞ্চুরিতে লঙ্কার সামনে ২৬২ রানের টার্গেট দাঁড় করালো বাংলাদেশ।




ম্যাচের পঞ্চম বলে কুশাল মেন্ডিসের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান লিটন দাস (০)। পরের বলেই দুর্দান্ত ইয়র্কারে সাকিবের স্ট্যাম্প উড়িয়ে দেন মালিঙ্গা। বিধ্বস্ত, বিপর্যস্ত দলের জন্য আরো বড় বিপদ হয়ে আসে তামিমের ইনজুরি। দ্বিতীয় ওভারে সুরঙ্গা লাকমের বাউন্সারে পুল করতে গিয়ে বাম হাতের কব্জিতে আঘাত পেয়ে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছাড়েন।

এরপর নতুন গল্প লিখতে শুরু করেন মুশফিকুর রহিম এবং মোহম্মদ মিথুন। ১৩৮ রানের জুটি গড়ে বড় সংগ্রহের আশা জাগান। ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটি তুলে নিয়ে ৬৮ রানে সাজঘরে ফেরেন মিথুন। এবারও ঘাতক মালিঙ্গা।

মিথুন ফিরে গেলেও একপাশ আগলে লড়াই চালিয়ে যান মুশফিক। তুলে নেন ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ ওয়ানডে সেঞ্চুরি। কিন্তু তাকে সেভাবে কেউই সঙ্গ দিতে পারেননি। আপনেসোর বলে সিলভার হাতে ক্যাচ দিয়ে মাহমুদুল্লাহ ফেরেন ১ রানে। মালিঙ্গার চতুর্থ শিকারে পরিণত হওয়ার আগে মোসাদ্দেকও করেন মাত্র ১ রান।

বেশিক্ষণ দাঁড়াতে পারেননি মিরাজও। নিজের বলেই অবিশ্বাস্য ক্যাচ তুলে নিয়ে মিরাজকে (১৫) ফেরান লাকমল। অধিনায়ক মাশরাফি ফেরেন ১১ রানে।

এরপর মোস্তাফিজ ফিরে গেলে নাটকীয়ভাবে মাঠে নেমে আসেন তামিম। একহাতে ব্যাট করে কোন রকম ওভারটা পার করলেন। ব্যাস! তারপরেই শুরু মুশফিক ঝড়। একের পর এক বাউন্ডারি আর ওভার বাউন্ডারিতে কাপিয়ে দিলেন দুবাই। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ থামলো ২৬১ রানে। ১৪৪ রানের নায়কোচিত ইনিংস খেললেন মুশফিক। তামিম অপরাজিত থাকলেন ২ রানে।

স্কোর: বাংলাদেশ ২৬১/১০ মুশফিক ১৪৪, মিথুন ৬৩; মালিঙ্গা ২৩/৪, সিলভা ৩৮/২






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply