sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » দরজা ভাঙেনি, র‌্যাফট খুলে পড়েছে আকাশবীণার : বিমান







দরজা ভাঙেনি, র‌্যাফট খুলে পড়েছে বিমানের নতুন উড়োজাহাজ বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার আকাশবীণার। আজ (বুধবার) বাংলাদেশের কয়েকটি গণমাধ্যমে বিমানের নতুন উড়োজাহাজ বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার আকাশবীণাকে নিয়ে ভুল তথ্য সম্বলিত সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর বিমান কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে।

বিমান বাংলাদেশের জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক শাকিল মেরাজ জানান, প্রকাশিত কিছু সংবাদে বলা হয়েছে ‘ভেংগে পড়েছে আকাশবীণার দরজা। আকাশবীণার দরজা ভাংগার বিষয়টি সত্য নয়, সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এমনকি প্রকাশিত প্রতিবেদনে ব্যবহৃত ছবিটিও আকাশবীণার নয়। প্রকৃতপক্ষে আকাশবীণার কোন দরজা ভাংগেনি। বিমানটির কোনও দরজার কোনও ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেনি।
প্রকৃতপক্ষে জরুরি নির্গমন দরজার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি র‌্যাফট খুলে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। জরুরি অবস্থায় যাত্রীদের বিমান থেকে বের হওয়ার জন্য এই র‌্যাফট দরজার সংগে সংযুক্ত থাকে। এটার মাধ্যমে যাত্রীরা দ্রুত উড়োজাহাজ থেকে বের হতে পারেন।

গত ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৮ মঙ্গলবার ভোর ৪:২৫ মিনিটে মালয়েশিয়া থেকে যাত্রী নিয়ে ঢাকায় ফিরে ড্রিমলাইনার আকাশবীণা। যাত্রী নেমে যাওয়ার পর নিয়মিত গ্রাউন্ড চেক এর অংশ হিসেবে বিমানের প্রকৌশল বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয় বিমানটি। পরবর্তী ফ্লাইটের যাত্রীদের খাবার বিমানে ওঠানোর জন্য দরজা খোলার সময় র‌্যাফ্ট খুলে যায়।
এ প্রেক্ষিতে প্রকৌশল বিভাগের কর্মীরা আইকাও, সিভিল এভিয়েশন এবং উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং এর নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পরীক্ষা সম্পন্ন করেন এবং ওইদিন সকালে ঢাকা থেকে সিঙ্গাপুরে ড্রিমলাইনারের নির্ধারিত ফ্লাইট ১৮ মিনিট দেরিতে ৮:৪৩ মিনিটে ঢাকা ছাড়ে।
উড়োজাহাজটি স্বাভাবিকভাবে চলাচল করছে এবং অদ্য সন্ধ্যা পর্যন্ত ৬টি ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে। র‌্যাফট খুলে যাওয়ার বিষয়ে কারও কোনও দায়িত্বে অবহেলা আছে কি না সে বিষয়ে একটি তদন্তে কমিটি গঠিত হয়েছে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স তার ফ্লাইট পরিচালনায় যাত্রীদের নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে থাকে। ড্রিমলাইনার পরিচালনার জন্য বিমানের নিজস্ব ১৪ জন বৈমানিক ও ১১২ জন প্রকৌশলীকে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply