sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

নির্বাচন

জাতীয়

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » পরিবেশ দূষণে বাংলাদেশে মৃত্যুহার বাড়ছে; দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার পরামর্শ



বাংলাদেশে পরিবেশ দূষণ বাড়ছে; বাড়ছে দুষণজনিত রোগে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যাও। বিশ্বব্যাংকে সাম্প্রতিক গবেষণা প্রতিবেদন উল্লেখ করে এ তথ্য তুলে ধরেছে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)।

বিশ্বব্যাংক বলছে, ২০১৫ সালে বাংলাদেশে পরিবেশ দূষণজনিত কারণে ২ লাখ ৩৪ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়। এরমধ্যে ৮০ হাজার মানুষ মারা গেছে শহর এলাকায়। এ সংখ্যা সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত মানুষের দশগুণ। ২০১৫ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশে ২১ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। প্রায় এক দশক আগে বিশ্বব্যাংকের অপর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, বাংলাদেশে তখন বছরে ১৫ হাজার মানুষ বায়ূদূষণ জনিত কারণে মারা যেত।

বাপা’র যুগ্ম সম্পাদক এবং শব্দ, বায়ু ও দৃষ্টিদুষণ কমিটির সদস্য সচিব সিরাজুল ইসলাম মোল্লা জানান, বাংলাদেশে বায়ূদূষণ জনিত কারণে মৃতের সংখ্যা অন্যান্য দূষণে মৃতের সংখ্যার চেয়ে বেশি। বায়ূ দূষণে মৃতের সংখ্যা মোট মৃতের প্রায় ২১ শতাংশ; সংখ্যায় যার পরিমান এক লাখ ৭৫ হাজার ১৪০ জন। যা এক দশক আগের তুলনায় ১১ গুণেরও বেশি। আর বাংলাদেশে প্রতিবছর যত মানুষ মারা যায়, তার ২৮ শতাংশই মারা যায় পরিবেশ দুষণ জনিত কারণে। মৃতের এ হার দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সর্বোচ্চ।

যুক্তরাষ্ট্রের ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্লোবাল এনভায়রনমেন্টাল পারফরমেন্স অ্যান্ড ইনডেস্ক তুলে ধরে তিনি জানান, ২০১৪ সালের ১৭৮টি দেশের সার্বিক পরিবেশগত পরিস্থিতি ও জীবনমান অনুযায়ী বাংলাদেশের অবস্থান ১৬৯তম। শুধু বিশুদ্ধ বাতাসের নিরিখে করা আলাদা তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান সবার নীচে; ১৭৮তম। জলবায়ূ পরিবর্তনের ফলে মহাবিপর্যয়ের ঝুঁকি; নদী, খাল-বিল-জলাশয়সহ সমুদ্রদূষণ ও দখলের প্রতিযোগিতা এবং শব্দদূষণের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বায়ূদূষণ। ঢাকাসহ সমগ্র দেশ আজ ভয়াবহ বায়ূদূষণের কবলে নিপতিত। এজন্য দায়ী ঢাকা শহরের চারপাশের ইটভাটা, তীব্র যানজট, পুরোনো গাড়ির কালো ধোঁয়া এবং ধূলা। এতে কাশি, শ্বাসনালি ও ফুসফুসের প্রদাহ, শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়াসহ নানা রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা বাড়ছে।

বাংলাদেশে প্রায় ১০ লাখ মানুষ লেড সংক্রমণের শিকার, যা শিশুর বুদ্ধিমত্তা বিনষ্ট করে। বাপা’র মতে, বায়ূদূষণ দ্রুত বন্ধ করা না গেলে জনস্বাস্থ্য সংকট আরো ভয়াবহরূপ ধারণ করবে। পরিস্থিতির ভয়াবহতা এড়াতে ইটের বিকল্প হিসেবে কংক্রিটের ব্লক ব্যবহার; প্রচলিত ইটভাটা বন্ধ করে পরিবেশ বান্ধব পদ্ধতি চালু; ১৬ বছরের বেশি পুরোনো যানবাহন নিষিদ্ধ, ট্যাঙ্কিসহ ছোট মটরযান নিয়ন্ত্রণ করে গণপরিবহন বাড়ানো, বেশ করে গাছ লাগানোসহ নানা পরামর্শ তুলে ধরে বাপা।

«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply