sponsor

sponsor

Slider

আন্তর্জাতিক

জাতীয়

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

Facebook Like Box

» » » দীর্ঘদিন পিল খেলে কী পরে সন্তান হয় না: ডা. কাজী ফয়েজা (ভিডিও)



জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির ব্যবহার নিয়ে আমাদের সমাজে কিছু ভুল ধারণা আছে।  অনেকের ধারণা দীর্ঘদিন জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি অনুস্মরণ করলে পরবর্তীতে সন্তান নিতে চাইলেও গর্ভধারণ হয় না। পিল কিংবা কনডমের ব্যবহার-দুটির ক্ষেত্রেই এমনটি হয় বলে অনেকে মনে করেন।

আসলে তা না। দীর্ঘদিন জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি অবলম্বন করলে কখনো কখনো হয়তো গর্ভধারণে একটু দেরী হয়। কিন্তু সন্তান গর্ভধারন পুরোপুরি বন্ধ করে দেবে বা সন্তান ধারন ক্ষমতা নষ্ট করে দেয় বিষয়টি কিন্তু এমন নয়।

আমাদের দেশে ভুল ধারনা আছে  `পিল` নিয়ে। বিয়ের পরে মা ও শ্বাশুরী বলেন, পিল খেওনা। পিল খেলে কখনো বাচ্চা হবে না।



ফলে তারা (মেয়েরা) পিল খাওয়া বন্ধ করে দেয়। যার ফলে কনসিভ করে। কনসিভ করার পর তারা ভাবে আমরা এখনো পড়াশুনা করছি। সন্তান নেওয়ার জন্য প্রস্তুত না। ফলে বাচ্চাটা আমরা চাচ্ছি না। তখন তারা এমআর করায় বা অ্যাবরশন করায়। ফলে তার জরায়ুতে একটা চিরস্থায়ী ইনফেকশন হয়।

পরবর্তীতে তার প্র্যাগনেন্সির চান্স পুরোপুরি চলে যায়। কিন্তু সে যদি পিলটা খেত তাহলে মাসে মাসে তার পিরিয়ডের সাইকেল ঠিক থাকতো। জরায়ুতে ইনফেকশনের চান্স ছিল না।

একটা অপ্রত্যাশিত গর্ভধারন হতো না। ও যখন সন্তান চাইতো, পিল বন্ধ করে দেওয়ার তিন মাসের মধ্যে প্র্যাগনেন্সি হয়ে যেতো। জন্মনিয়ন্ত্রন পদ্ধতি মানলে সন্তান হবে না, এটা সম্পূর্ণ ভুল ধারনা।


আমাদেরকে এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। যদি সে ডিটারমাইন্ড হয় যে, আমি দু`বছর সন্তান নেব না, তাহলে তাকে অবশ্যই জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি মানতে হবে। যদি নবদম্পতি হয়, তাহলে তাদেরকে আমরা `পিল` খেতে বা `কনডম` ব্যবহারে উৎসাহী করে থাকি।

লেখক: ডা. কাজী ফয়েজা আক্তার, এমবিবিএস, এফসিপিএস, এমসিপিএস। কনসালটেন্ট, ইমপালস হাসপাতাল। ও সহকারী অধ্যাপক, গাইনী, প্রসূতি রোগ বিশেষজ্ঞ ও সার্জন।

«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply