sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

নির্বাচন

জাতীয়

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » ঝালকাঠিতে ৫৭৭ দরিদ্র পরিবার নতুন ঘর পাচ্ছে



জেলার ৪টি উপজেলায় যে সব পরিবারের ঘর নির্মার্ণের জন্য জমি আছে কিন্ত বসত ঘর নেই তাদের জন্য সরকার ৫ কোটি ৭৭ লাখ টাকা ব্যয়ে ৫৭৭ টি গৃহ নির্মাণ কাজ শুরু করেছে।
ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের রাজস্ব শাখা সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রায়ণ প্রকল্প ২-এর আওতায় জেলায় এই ধরনের ৩৯৯৯টি গৃহ নির্মাণের তালিকা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় প্রেরণ করা হয়েছে এবং চলতি ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরে নতুন করে অর্থ বরাদ্দের পরে তালিকায় অপেক্ষমান ব্যক্তিদের গৃহ নির্মাণ শুরু করা হবে। প্রথম পর্যায় ৫৭৭ টি পরিবারকে ঘর নির্মাণ করে দেওয়া হচ্ছে। সরকারের যুগান্তকারী এই প্রকল্পের আওতায় যে সব পরিবারের জায়গা জমি নেই তাদের জন্য আশ্রায়ণ প্রকল্প করে পুনর্বাসন করা হবে। এ ধরনের পরিবারের সংখ্যা জেলায় ১৯৯৩।
এছাড়া যাদের জায়গা আছে, তবে তাদের বসত ঘর জরাজ্বীর্ণ তাদেরকে পর্যাক্রমে গৃহ নির্মাণ করে দেওয়া হবে। এমন সংখ্যা জেলায় ৩৭৭১টি পরিবার তালিকাভুক্ত হয়েছে।
চলমান গৃহনির্মাণ প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি পরিবারের জন্য ১ লাখ টাকা ব্যয়ে পাকা ফ্লোর ও বারান্দাসহ ঘর ও মানসম্মত ল্যাট্রিন তৈরি করে দেওয়া হচ্ছে। উপজেলা পর্যায়ের নির্বাহী কর্মকর্তারা এই প্রকল্প মাঠ পর্যায় বাস্তবায়ন ও তদারকি করছেন।
দেখা গেছে,ঝালকাঠি সদর উপজেলার বাসন্ডা ইউনিয়নের বিকনা গ্রামের সোনাবালী খানের বাড়ী নির্মাণ করা শেষ হয়েছে। এই পরিবারের সোনাব আলীর স্ত্রী ১ ছেলে ও নাতিকে নিয়ে বসবাস করবেন। এছাড়া একই ইউনিয়নের বাদলকাঠী গ্রামের মোহাম্মদ আলীর বাড়ীর নির্মাণ কাজ ৭০ ভাগ শেষ হয়েছে। সরকারি অর্থে গৃহ নির্মাণ করে দেওয়ায় সুবিধাভোগী পরিবারগুলোকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ এবং তার দীর্ঘায়ু কামনা করেন।
ঝালকাঠি সদর উপজেলার বাসন্ডা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা মোবারক হোসেন মল্লিক বলেন, বর্তমান সরকারের তৃনমূল পর্যায় গরিব এবং অসহায় মানুষদের জন্য সরকারি অর্থে গৃহ নির্মাণ করে দেওয়ার উদ্যোগ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যুগান্তকারী পদক্ষেপ।
ঝালকাঠি সদর উপজেলার বাদলকাঠি গ্রামের দিনমজুর মোহাম্মদ আলী বলেন, সারাদিন কাজ করে যখন বাড়িতে আসতাম তখন কান্না আসতো যে ঝুপরি ঘরে থাকতাম সে ঘরে বৃষ্টি হলে পলিথিন মুড়ে বসে থাকতে তো। ঘর তৈরি করার মত সামর্থ্য ছিল না। প্রথমে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে যখন নাম লেখা হল যে সরকার ঘর নির্মাণ করে দেবে, তখন বিশ্বাসই করতে পারিনি যে আসলেই সরকার গরিব মানুষদের ঘর তৈরি করে দিতে পারে। এখন আমার বাপ-দাদার ভিটায় সেই ঘর দাঁড়িয়ে গেছে। এখন বিশ্বাস হচ্ছে যে সরকার ইচ্ছা করলেই অনেক কিছু করতে পারে।

«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply