sponsor

sponsor

Slider

আন্তর্জাতিক

জাতীয়

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

Facebook Like Box

» » মাদারীপুরের নদ-নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন



মাদারীপুরের নদ-নদীগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে চলছে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের মহোৎসব। বছরের পর বছর প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে প্রভাবশালী একটি মহল চালাচ্ছে এ ব্যবসা। এতে ক্ষুব্ধ নাগরিক সমাজ। যদিও ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস প্রশাসনের। 

মাদারীপুরের শিবচার উপজেলার পদ্মা নদী থেকে প্রশাসনের সামনেই অবৈধ ব্যবসায়ীরা বালু উত্তোলন করছে। মাসের পর মাস ড্রেজিং করে নদী থেকে বালু উত্তোলন হচ্ছে। একই অবস্থা এই উপজেলার আড়িয়াল খাঁ নদের। এর ফলে হুমকিতে পড়ে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের হাজী শরিয়তুল্লা সেতু। আর ভাঙ্গন আতঙ্কে নদী পাড়ের মানুষ।

রাউজর উপজেলার চিত্রও ভিন্ন নয়। টেকের হাট সেতুর পাশেই একাধিক ড্রেজার মেশিন দিয়ে চলছে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের মহোৎসব। বছরের পর বছর প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে ক্ষুদ্ধ এলাকাবাসী।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, বালু উত্তোলন করে নদীর পাড় ভেঙ্গে যাচ্ছে। খালগুলো নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। রাজনৈতিক ও প্রশাসনিকভাবে এটার বিহিত করতে হবে।'

নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলে পরিবেশকে হুমকির মুখে ফেলা হচ্ছে বলে মনে করেন এলাকার বিশিষ্টজনরা। মাদারীপুর উন্নয়ন সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি মাসুদ পারভেজ জানান, 'ব্রিজ এলাকা ঘেষে ড্রেজিং করা হচ্ছে। যার কারণে ব্রিজের তলদেশের যে মাটি সরে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যেকোনো সময় ব্রিজ ধসে পড়ে বড় দুর্ঘটনার শিকার হতে পারে। তাই আমি মনে করি, আমরা যারা দায়িত্বশীলরা সমাজে রয়েছি এবং প্রশাসনেরও আরো বেশি সচেতন হওয়া উচিত।'

রাজউর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা এ ব্যাপারে কথা বলতে না চাইনি। তবে শিবচর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইমরান আহমেদ বলেন, 'অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান চলছে। নদীর নাব্যতার বিআইডাব্লুটি ও সেনাবাহিনীর তত্বাবধানে ড্রেজিং গুলো চলছে। এখনও পর্যন্ত কোনো অবৈধ ড্রেজিং করার খবর আমার কাছে নেই।  যদি কোনো তথ্য আমাদের কাছে আসে তবে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেব।'

জেলার আড়িয়াল খাঁ, কুমার নদ, পালকদি, পদ্মা ও ময়নাকাটা নদীর একাধিক জায়গায় দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন চলছে

«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply