sponsor

sponsor

Slider

আন্তর্জাতিক

জাতীয়

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

Facebook Like Box

» » তুরস্কে সৌদি কনস্যুলেটে সাংবাদিক জামালকে নির্যাতন করে হত্যা



তুরস্কের ইস্তাম্বুলে সৌদি আরবের কনস্যুলেটে সাংবাদিক জামাল খাশোগিকে নির্যাতনের পর নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন গোয়েন্দারা। মার্কিন গণমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট যুক্তরাষ্ট্র ও তুরস্কের গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এ-তথ্য জানিয়েছে।


 তার হত্যার ঘটনা সৌদি আরবের পূর্ব পরিকল্পিত বলেও গোয়েন্দা তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে। এ-অবস্থায় খাশোগির হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে সোচ্চার হলেও সৌদির সঙ্গে ১১ হাজার কোটি ডলারের অস্ত্র চুক্তি হুমকির মুখে ফেলতে চান না বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

সাংবাদিক জামাল খাশোগির নিখোঁজের বিষয়টি নিয়ে ধোঁয়াশা কাটেনি এখনও। যদিও যুক্তরাষ্ট্র ও তুরস্কের গোয়েন্দারা মার্কিন গণমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্টকে জানিয়েছেন, খাশোগিকে ইস্তাম্বুলের সৌদি কনস্যুলেট ভবনে গুপ্তহত্যা করা হয়েছে। তাদের হাতে আসা ভিডিও ও অডিও রেকর্ড যাচাই-বাছাই করে তারা এ-তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন। রেকর্ডে খাশোগিকে আরবি ভাষায় কথা বলতেও শোনা গেছে। কনস্যুলেটের ভেতরে হত্যার আগে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তার লাশ খণ্ড খণ্ড করে ফেলার শঙ্কার কথাও জানিয়েছেন গোয়েন্দারা। যদিও এসব তথ্য কী করে গোয়েন্দাদের হাতে এলো তা প্রকাশ করা হয়নি।

এ-অবস্থায় সাংবাদিক জামাল খাশোগির সন্ধান দাবিতে বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে বিক্ষোভে অংশ নেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। বিক্ষোভে বেশ কয়েকজন সিনেটরকেও দেখা গেছে। এ-সময় সিনেটর জেফ ফ্লাক উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, সাংবাদিক খাশোগির হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মাদ বিন সালমান জড়িত থাকার অভিযোগ তোলা হচ্ছে, আর যুক্তরাষ্ট্র আগে থেকে বিষয়টি জানতো কিনা সেটিও এখন খুঁজে বের করা দরকার।

এর মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, এক সাংবাদিকের মৃত্যুর বিষয়ে সোচ্চার হয়ে সৌদির সঙ্গে তার দেশের ১১ হাজার কোটি ডলারের অস্ত্র চুক্তি ভেস্তে দিতে পারেন না তিনি। এছাড়া জামাল খাশোগির ঘটনাটি তুরস্কে ঘটেছে এবং তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকও নন- তাই তার প্রশাসনের এ-বিষয়ে বেশি কিছু করার নেই বলেও মন্তব্য ট্রাম্পের।

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, 'সাংবাদিকের ঘটনা খতিয়ে দেখার ইচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রেরও আছে। তবে এটা করতে গিয়ে আমি আমার দেশের বিনিয়োগ বাধাগ্রস্ত করতে চাই না। সৌদি আরব আমাদের বড় অংশীদার। দেশটির কাছে যুক্তরাষ্ট্র বিপুল পরিমাণ সামরিক সরঞ্জাম বিক্রি করে। রিয়াদের সঙ্গে ওয়াশিংটনের টানাপোড়েন সৃষ্টি হলে রাশিয়া এবং চীন এ সুযোগ নিতে পারে। সৌদি আরব রাশিয়া এবং চীনের কাছ থেকে অস্ত্র কিনতে পারে, আমরা এটা হতে দিতে পারি না।'

এ অবস্থায় সাংবাদিক খাশোগির ঘটনাটি খতিয়ে দেখছে বলে জানিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইপ এরদোয়ান।

বৃহস্পতিবার হুরিয়াত পত্রিকায় মন্তব্যে এরদোয়ান বলেন, এই ঘটনাটি সাধারণ কোনো ঘটনা নয়। গত দোসরা অক্টোবর ব্যক্তিগত কাজে তুরস্কের ইস্তাম্বুলের সৌদি কনস্যুলেটে যান সৌদি রাজপরিবারের কঠোর সমালোচক হিসেবে পরিচিত জামাল খাশোগি। প্রবেশের পর থেকেই তার আর কোনো হদিস নেই।

«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply