sponsor

sponsor

Slider

আন্তর্জাতিক

জাতীয়

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

Facebook Like Box

» » নারায়ণগঞ্জে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ফরম পূরণে অতিরিক্ত ফি নেয়ার অভিযোগ


নারায়ণগঞ্জে শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশ উপেক্ষা করে ২০১৯ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে ফরম পূরণের জন্য আদায় করা হচ্ছে অতিরিক্ত ফি। অভিযোগ রয়েছে, সরকার নির্ধারিত ফি এর চেয়ে এসব স্কুলে কয়েক গুণ টাকা আদায় করা হচ্ছে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০১৯ সালের এসএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগের জন্য ১৬৫০ টাকা এবং মানবিক ও ব্যবসায় বিজ্ঞানের জন্য ১৫৫০ টাকা নির্ধারণ করা হলেও জেলার শুধুমাত্র কয়েকটি স্কুল ছাড়া অধিকাংশ স্কুলগুলোতে এ অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

 তবে জেলা প্রশাসক রাব্বি মিয়া জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে সকল স্কুলের এসএসসি পরীক্ষার অতিরিক্ত ফি আদায়ের বিষয়টি তদন্ত করার জন্য একটি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে একটি কমিটি করা হয়েছে। তারা বিষয়টি তদন্ত করে দেখছেন।

বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অভিযোগ, মর্গ্যান গার্লস স্কুলে দুইটি মডেল টেষ্টের ফি সহ ৪৮০০ টাকা, গণবিদ্যা নিকেতনে ৫৬০০টাকা, আমলাপাড়া গার্লস স্কুলে ৪৮০০ টাকা, আমলাপাড়া আইডিয়াল স্কুল ৮৫০০ টাকা, জয়গোবিন্দ হাই স্কুলে ৪২০০ টাকা, হাজীগঞ্জ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিবিদ্যানিকেতনে ৬৫০০ টাকা বন্দর বিএম ইউনিয়ন হাই স্কুলে ৪০০০ টাকা নিচ্ছে। সরকারি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে এবং আইইটি সরকারি বালক বিদ্যালয়ে ২৩০০ টাকা আদায় করা হচ্ছে।

এদিকে শনিবার বিকেলে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের নিয়ে এসএসসি পরীক্ষায় অতিরিক্ত ফি আদায়ের বিষয়ে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের অতিরিক্ত ফি আদায় বন্ধ করার নির্দেশ দেয়া হয়।

এদিকে মর্গ্যান উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অশোক তরু জানান, পরিচালনা পরিষদের অনুমোদন অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ফরম ফিলাপের চার্জ, বেতন,মডেল টেষ্টের ফি বাবদ ৪৮০০ টাকা নেয়া হচ্ছে। অপরদিকে নারায়ণগঞ্জ হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক কমল কান্তি সাহা জানান, তিনি বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ১৭০০ টাকা এবং মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ১৬০০ টাকা নিচ্ছেন।

বিভিন্ন স্কুলের অভিভাবকরা জানান, তাদের সন্তানদের এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের টাকা জোগাড় করতে হিমশিম খাচ্ছেন। মর্গ্যান স্কুলের অভিভাবক হোসনে আরা জানান, তিনি একজন গার্মেন্টস শ্রমিক। তার মেয়ের ফরম পুরণের জন্য সুদে টাকা এনে স্কুলে প্রদান করেছেন। হাজীগঞ্জ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিবিদ্যানিকেতনের এক এসএসসি পরীক্ষার্থীর অভিভাবক সোহেল রানার অভিযোগ, তার ছেলের ফরম পূরণের জন্য ৬ হাজার ৫শ’ টাকা চাওয়া হয়েছে। তিনি জানান, একজন মুদি ব্যবসায়ী হয়ে এই টাকা যোগাড় করতে তাকে মানুষের কাছ থেকে ধারদেনা করতে হয়েছে।

এসব অনিয়মের বিষয়টি স্বীকার করে জেলা প্রশাসক রাব্বি মিয়া জানান, তিনি বিভিন্ন মাধ্যমে স্কুলগুলোতে অতিরিক্ত ফি আদায়ের বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছেন। এ ব্যাপারে তদন্তের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের তদন্তের জন্য নির্দেশ দিয়ে একটি কমিটি করে দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, আমার কাছে যেকোনো অভিভাবক সরাসরি অভিযোগ করলে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নেব।

«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply