sponsor

sponsor

Slider

আন্তর্জাতিক

জাতীয়

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

Facebook Like Box

» » জার্মানির শরণার্থী শিবিরে অত্যাচারের ভয়ঙ্কর ছবি সামনে এল

বার্লিন: ফের শিরোনামে শরনার্থী শিবিরে অত্যাচারের ঘটনা৷ এবার আর কোনও অভিযোগ নয়৷ সরাসরি প্রমাণ হাজির৷ তাও একেবারে সরকারি তরফে৷

 

জার্মানির বুর্বাখ শহরের একটি শরনার্থী শিবিরে চার বছর আশ্রিতদের উপর অত্যাচারের অভিযোগ সামনে এসেছিল৷ সেই অভিযোগপত্রটিই সামনে আনা হয়েছে সরকারি তরফে৷ আর তা সামনে এনেছেন সরকারপক্ষের আইনজীবী ক্রিস্টিয়ান কুহলি৷

জার্মানি সিগেন শহরের একটি সভায় তিনি ১৫৫ পাতার ওই অভিযোগপত্রটি সাধারণ মানুষের সামনে পড়ে শোনান৷ এর ফলে শরনার্থী শিবিরে অত্যাচারের ভয়াবহ রূপটা আরও একবার সামনে এল বলে মনে করা হচ্ছে৷

ওই অভিযোগপত্র অনুযায়ী, টানা ন’মাস ধরে শরনার্থী শিবিরে অত্যাচার চলে৷ সেই অত্যাচারে শিবিরের জড়িত প্রায় সকলেই যুক্ত ছিলেন৷ শিবিরের রক্ষী, পরিচালকরা তো জড়িত ছিলেনই৷ এমনকী সমাজকর্মীদের দিকেও অভিযোগের আঙুল উঠেছে৷
 
একই সঙ্গে কিছু ছবি ও ভিডিও সামনে আনা হয়েছে৷ সেখানে দেখানো হচ্ছে কীভাবে শরনার্থীদের উপর মারধর করা হচ্ছে৷ কীভাবে শরনার্থীদের মারতে মারতে মেরে ফেলা হচ্ছে৷ পুলিশকর্মীদেরও মারধর করতে দেখা গিয়েছে ওই ভিডিওয়৷ অধিকাংশ ঘটনাই ঘটেছে শরনার্থী শিবিরের ‘প্রবলেম রুম’-এ৷

স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, কেন এমনভাবে মারধর করা হত? সরকার পক্ষের আইনজীবী কুহলির বক্তব্য, এই মারধরের কারণ হত লুকিয়ে ধুমপান করার মতো কোনও ঘটনা৷
 
জানা গিয়েছে, ওই শরনার্থী শিবির পরিচালনের দায়িত্বে ছিল ‘ইউরোপিয়ান হোম কেয়ার’ নামে একটি সংস্থা৷ ওই সংস্থার এক কর্মচারীও শরণার্থীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারে যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ৷ তাঁরই নির্দেশে শরণার্থীদের ‘প্রবলেম রুম’-এ নিয়ে গিয়ে অত্যাচার করা হত বলে জানা গিয়েছে৷ আর্ন্সবের্গ শহরের কাউন্সিলর সব জেনেও কিছু করেননি বলে কুহলির অভিযোগ৷


জানা গিয়েছে, সমস্ত অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে অভিযুক্তদের দায়ী করা হবে শারীরিক নির্যাতন, স্বাধীনতা হরণ, নিগ্রহ ও চুরির মতো একাধিক অপরাধে৷ শাস্তি হিসাবে তাঁদের বড় অঙ্কের জরিমানা বা কারাদণ্ডও হতে পারে৷ আগামী বছরের গোড়ায় নর্থ রাইন ওয়েস্টফালিয়ার আদালতে শুরু হবে এই মামলার বিচার৷

«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply