sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » গোপালগঞ্জের আসনগুলোতে পাত্তাই পেল না অন্যরা






গোপালগঞ্জের তিনটি আসনে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাসহ নৌকা প্রতীকের তিন হেভিওয়েট প্রার্থী বিপুল ভোটের ব্যবধানে বেসরকারিভাবে জয়লাভ করেছেন।


 রোববার (৩০ ডিসেম্বর) জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোখলেসুর রহমান সরকার বেসরকারিভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করেন।

গোপালগঞ্জ-৩ আসনে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা পেয়েছেন ৯৯.৪৭ শতাংশ ভোট।

গোপালগঞ্জ-২ আসনে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম ৯৯.৩৫ শতাংশ ভোট এবং গোপালগঞ্জ-১ আসনে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের অপর এক প্রেসিডিয়াম সদস্য লে. কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৯৯.৩৬ শতাংশ ভোট।

এসব আসনে ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন খুবই অল্প ভোট পেয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন।

গোপালগঞ্জের তিনটি আসনেই আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের কাছে অন্য দল বা স্বতন্ত্র প্রার্থীরা তাদের জামানত হারিয়েছেন।




গোপালগঞ্জ-৩ আসনে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বিপুল ভোটের ব্যবধানে বেসরকারিভাবে জয়লাভ করেছেন। এবার নিয়ে তিনি মোট ৭ বার এ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন। তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ২৯ হাজার ৫৩৯ ভোট, তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী এস এম জিলানী পেয়েছেন মাত্র ১২৩ ভোট।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মারুফ শেখ পেয়েছেন ৭১ ভোট।

গোপালগঞ্জ-৩ আসনে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম আবারও বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছেন।

তিনি এ নিয়ে এ আসন থেকে ৮ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন। তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ৮১ হাজার ৯০৯ ভোট। এ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী তসলিম সিকদার ভোট পেয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৬০৮ ভোট। আর এ আসনে জেলা বিএনপির সভাপতি ও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী সিরাজুল ইসলাম সিরাজ পেয়েছেন মাত্র ২৮৬ ভোট।

গোপালগঞ্জ-১ আসনে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য লে. কর্নেল(অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর থেকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন। এবারের বিজয় নিয়ে তিনি ৫ম বারের মতো এ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন।

তিনি এবারের নির্বাচনে পেয়েছেন ৩ লাখ ৩ হাজার ১৬২ ভোট। এ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান নগন্য ভোট পেয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৭০২ ভোট। অন্যদিকে এ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এফ ই শরফুজ্জামান জাহাঙ্গির পেয়েছেন মাত্র ৫৭ ভোট।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply