sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » ইরানকে শর্ত দিয়ে কথা বলার মতো অবস্থা কোনো দেশের নেই: তেহরান


মার্কিন নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ইরানের সঙ্গে অর্থনৈতিক লেনদেন চালু রাখার জন্য ইউরোপ শর্ত সাপেক্ষে ইরানকে বিশেষ অর্থনৈতিক ব্যবস্থা 'এসপিভি' চালু করবে বলে যে খবর বেরিয়েছে তা প্রত্যাখ্যান করে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেছেন, তার দেশকে শর্ত দিয়ে কথা বলার মতো অবস্থা এখন কোনো দেশের নেই।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বাহরাম কাসেমি এক বিবৃতিতে এসপিভি ব্যবস্থা চালু করতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের গড়িমসির কথা উল্লেখ করে বলেছেন, "তেহরান এসপিভি ব্যবস্থা চালুর ব্যাপারে তাদের কাছে ধর্না করেনি বরং নিজের অর্থনৈতিক সংকট মোকাবেলায় নানা পদক্ষেপ নিয়েছে এবং ইরানের অবস্থা তুলমামূলক সন্তোষজনক।" তবে ইউরোপ এখনো এসপিভি ব্যবস্থা চালু করতে না পারলেও তারা তাদের প্রতিশ্রুতিতে অটল থাকবে বলে বাহরাম কাসেমি আশা প্রকাশ করেছেন।

আমেরিকা পরমাণু সমঝোতা থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নেয়ার পর ইউরোপীয় ইউনিয়ন ইরানের সঙ্গে অর্থনৈতিক লেনদেন চালু রাখার জন্য বিশেষ অর্থনৈতিক ব্যবস্থা এসপিভি চালু করার প্রস্তাব দিয়েছিল। জার্মানি, ফ্রান্স ও ব্রিটেন পরমাণু সমঝোতা টিকিয়ে রাখার ওপর জোর দিয়েছে। আমেরিকা ইরানের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় দফা নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর গত নভেম্বরের আগেই এসপিভি ব্যবস্থা চালু করার কথা বলেছিল ইউরোপ। কিন্তু এখনো তারা তা চালু করেনি। এ অবস্থায় ইউরোপ কেন এসপিভি চালু করতে গড়িমসি করছে নাকি মার্কিন নিষেধাজ্ঞার ভয়ে তারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

এসপিভি ব্যবস্থার আওতায় ইরানের সঙ্গে অর্থনৈতিক লেনদেন ঠিক রাখার জন্য আমেরিকার বিকল্প সুইফট ব্যবস্থা এবং ডলারের পরিবর্তে অন্য মুদ্রা ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে। যাতে ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করতে ইচ্ছুক ইউরোপীয় কোম্পানিগুলোও মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কবলে না পড়ে। কিন্তু এখন পর্যন্ত ইউরোপের কোনো দেশই এসপিভি ব্যবস্থা চালুর দায়িত্ব নেয়নি। আমেরিকার ওপর ইউরোপের অর্থনৈতিক নির্ভরতার বিষয়টি আলোচনায় না এনে কোনো কোনো বিশ্লেষক বলছেন, আমেরিকার সঙ্গে তাল মিলিয়ে এখন ইউরোপও ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ও পশ্চিম এশিয়ায় দেশটির প্রভাব নিয়ে আপত্তি উত্থাপন করছে।

ফরাসি প্রেসিডেন্ট কিছুদিন আগে ফ্রান্স-২৪ চ্যানেলকে দেয়া সাক্ষাতকারে বলেছেন, পরমাণু সমঝোতা টিকিয়ে রাখা, ২০২৫ সালে এই চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও এর ওপর নজরদারি অব্যাহত রাখা, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে নিয়ন্ত্রণ করা এবং পশ্চিম এশিয়ায় দেশটির প্রভাব ঠেকানো আমাদের প্রধান লক্ষ্য।

পর্যবেক্ষকরা বলছেন, ইউরোপের কর্মকর্তাদের এ ধরণের কথাবার্তা থেকে বোঝা যায়, ইরানের সঙ্গে অর্থ লেনদেন ব্যবস্থা চালু রাখার জন্য প্রস্তাবিত এসপিভি ব্যবস্থা চালু করা হয়তো এতো সহজে চালু করা হবে না। অনেকের মতে ইউরোপ আসলে সময় ক্ষেপণের পাশাপাশি ইরানকে পরমাণু সমঝোতায় ধরে রাখার চেষ্টা করছে। কিন্তু ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাওয়াদ জারিফ যেমনটি বলেছেন, ইরানের স্বার্থ রক্ষা করা না হলে আমরাও পরমাণু সমঝোতা থেকে বেরিয়ে যাব। #        


«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply