sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » শেখ হাসিনাকে বিশ্ব নেতৃবৃন্দের অভিনন্দন



একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিশ্ব নেতৃবৃন্দ।

এ পর্যন্ত ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, বিজেপির সাধারণ সম্পাদক রাম মাধব, চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং ও প্রধানমন্ত্রী লি কেকিয়াং। ভুটানের প্রধানমন্ত্রী লোটে শেরিং, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম এতথ্য নিশ্চিত করেছেন।



একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইতিহাস গড়ে জয় হলো নৌকার। টানা তৃতীয়বারের মতো নির্বাচিত হয়ে আগামী ৫ বছর দেশ পরিচালনার দায়িত্বগ্রহণ করতে যাচ্ছে ক্ষমতাসীনরা। এ জয় দলটির হ্যাট্রিক বিজয়। শেখ হাসিনাও চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পথে। বাংলাদেশের ইতিহাসে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনে কোনো দল এর আগে এত বড় বিজয় পায়নি।

সোমবার ভোরে (৪.১০ মিনিটে) নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ গণমাধ্যমে নির্বাচনের ফলাফলের সরকারি ঘোষণা দেন। ঘোষিত ২৯৮টি আসনের মধ্যে ২৫৯টি আসনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে আওয়ামী লীগ। এছাড়া এরশাদের জাতীয় পার্টি পেয়েছে ২০টি আসন। বিএনপি পেয়েছে ৫টি আসন। অন্যান্য দলগুলোর মধ্যে স্বতন্ত্র ৩টি, ওয়ার্কার্স পার্টি ৩টি, জাসদ ২টি, বিকল্পধারা ২টি, গণফোরাম ২টি, তরিকত ফেডারেশন ও জেপি পেয়েছে ১টি করে আসন। নির্বাচনের আগে গাইবান্ধা-৩ আসনের এক প্রার্থী নিহত হওয়ার পর ওই আসনে ভোট গ্রহণ স্থগিত রাখা হয়।

১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ১৬০ আসন পেয়ে বিজয়ী হয়েছিল। পাকিস্তান পিপলস পার্টি পেয়েছিল ৮৩ আসন। ১৯৭৯ সালের নির্বাচনের নির্বাচনে বিএনপি ২০৭ আসন পায়। আওয়ামী লীগ পায় ৫৪ আসন। সংসদীয় ব্যবস্থা চালুর পর ২০০১ সালে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট ২১৬ আসনে জয়ী হয়। আওয়ামী লীগ পেয়েছিল ৬২ আসন। ২০০৮ সালে মহাজোট ২৬৩ এবং চারদলীয় জোট ৩৩ আসন পায়। ২০১৪ সালের নির্বাচনে বিএনপিসহ অধিকাংশ দল অংশগ্রহণ করেনি।

গতকাল রবিবার বিচ্ছিন্ন সহিংস ঘটনা ছাড়া সারা দেশে উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয় একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ২৯৯টি ভোটগ্রহণ হয়। ভোট চলার সময়ে অন্তত ৬৯ প্রার্থী নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন। সংঘাতে প্রাণ গেছে অন্তত ১৯ জনের। এর অধিকাংশই আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী।

«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply