sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

নির্বাচন

জাতীয়

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » মার্কিন বিমানবাহী জাহাজ পণবন্দী করতে পারে ইরান: মার্কিন বিশ্লেষক


আমেরিকার খ্যাতিমান লেখক ও কালচার ওয়ার্স ম্যাগাজিনের সম্পাদক ই. মাইকেল জোন্স বলেছেন, সামরিক প্রযুক্তির দিক দিয়ে মার্কিন বিমানবাহী জাহাজ সেকেলে এবং ইরান ইচ্ছা করলে তা পারস্য উপসাগরে ‘পণবন্দী’ করতে পারে। ইরানের প্রেস টিভিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি একথা বলেছেন।

গত সোমবার মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইরানকে মোকাবেলার জন্য আমেরিকা নতুন করে পারস্য উপসাগরে বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ পাঠাচ্ছে। বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জন সি স্টেইনিস এবং তার সঙ্গে কয়েকটি যুদ্ধজাহাজ বর্তমানে ভারত মহাসগর পাড়ি দিচ্ছে এবং চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে তা পারস্য উপসাগরে পৌঁছাবে।

এ প্রসঙ্গে মাইকেল জোন্স বলেন, “জেনারেলরা যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে যা করে আমরা এখানে তাই দেখছি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে শক্তি প্রদর্শনের প্রধান উপায় হিসেবে যুদ্ধজাহাজের পরিবর্তে বিমানবাহী জাহাজ আনা হয়েছিল।” তিনি বলেন, “বিমানবাহী জাহাজ হচ্ছে বহনযোগ্য বিমানবন্দর। আপনি এগুলোকে বিশ্বের যেখানে প্রয়োজন সেখানে নিতে পারেন এবং শক্তি প্রদর্শন ও লোকজনকে হামলা করতে পারেন। কিন্তু এটা এখন সামরিক প্রযুক্তির দিক দিয়ে সেকেলে হয়ে গেছে।”


২০১৫ সালে পারস্য উপসাগরে ইরানি সেনাদের হাতে আটক মার্কিন নৌ সেনা
মার্কিন এ বিশ্লেষক বলেন, যদি মার্কিন বিমানবাহী জাহাজকে পারস্য উপসাগরে নেয়া হয় তাহলে ইরানিরা হরমুজ প্রণালীতে অন্য জাহাজ ডুবিয়ে বিমানবাহী জাহাজকে আটকে দিতে পারে। পরিস্থিতি এমন হলে মার্কিন বিমানবাহী জাহাজের চলার কোনো পথ থাকবে না। অন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হচ্ছে বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারে কিনা। কেউ এ প্রশ্নের উত্তর জানে না। কাস্পিয়ান সাগরে মোতায়েন যুদ্ধজাহাজ থেকে প্রথমবার যখন রাশিয়া সিরিয়ায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালালো তখন ভূমধ্যসাগর থেকে মার্কিন বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ পারস্য উপসাগরে সরিয়ে নেয়া হয়েছিল। সেখান থেকে এটা এখন অনেক বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে যে, বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ সর্বাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তির হামলা থেকে নিজেকে রক্ষা করতে সক্ষম কিনা। ফলে আমরা এখানে যা দেখছি তা হচ্ছে সেকেলে প্রযুক্তির শক্তি প্রদর্শন।#

«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply