sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » বিরাটদের হেলায় হারিয়ে ‘থার্ড বয়’ রোহিতরা




বিরাটকে হার্দিক অভিনন্দন পান্ডিয়ার..! শেষ দু’ওভারে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের দলের জন্য দরকার ছিল ২২ রান৷ ক্রিজে হার্দিক পান্ডিয়া ও কাইরন পোলার্ড৷ বাঁ-হাতি স্পিনার পবন নেগির হাতে বল তুলে দিয়েছিলেন রয়্যাল অধিনায়ক বিরাট কোহলি৷ প্রথম বল বিট করে চমক দিয়েছিলেন নেগি৷ কিন্তু পরের পাঁচ বলে ৬,৪,৪,৬ মেরে এক ওভার বাকি থাকতেই ম্যাচ পকেটে পুরে নেন হার্দিক৷ ১৬ বলে ৩৭ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলে মুম্বইয়ে সহজ জয় এনে দেন হার্দিক৷ এই জয়ের ফলে ৮ ম্যাচে পাঁচটি জিতে ১০ নিয়ে লিগ তালিকায় নাইটদের সরিয়ে তিন নম্বরে জায়গা করে নিলে রোহিত শর্মার মুম্বই ইন্ডিয়ান্স৷ ৮ ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে চেন্নাই সুপার কিংস৷ আর সমসংখ্যক ম্যাচ খেলে পাঁচটি জিতে দু’ নম্বরে রয়েছে দিল্লি ক্যাপিটালস৷ ওয়াংখেড়েয় এদিন ১৭২ রান তাড়া করতে নেমে দারুণ শুরু করে মুম্বই ওপেনাররা৷ পাওয়ার প্লে অর্থাৎ প্রথম ৬ ওভারে ৬৭ রান তুলে দলকে মজবুত জায়গায় পৌঁছে দেন দুই ওপেনার রোহিত শর্মা ও কুইন্টন ডি’কক৷ কিন্ত দলীয় ৭০ রানে রোহিত ডাগ-আউটে ফিরলেও ২৬ বলে ৪০ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন ডি’কক৷ ২টি ছয় ও পাঁচটি বাউন্ডারি হাঁকান তিনি৷ আর ১৯ বলে ২৮ রান করেন ক্যাপ্টেন রোহিত৷ কিন্তু মাত্র এক রানের ব্যবধানে দুই ওপেনারকে হারিয়ে চাপে পড়লেও ঈশান কৃষান ও হার্দিক পান্ডিয়ার ঝোড়ো ব্যাটিং মুম্বইয়ের জয় নিশ্চিত হয়৷ ৯ বলে তিন ছক্কায় ২১ রান করেন ঈশান৷ আর ১৬ বলে দু’টি ছক্কা ও পাঁচটি বাউন্ডারি মেরে ৩৭ রান অপরাজিত থেকে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন হার্দিক৷ এর আগে এবিডি ও মইন আলির লড়াইয়ে সাত উইকেট হারিয়ে ১৭১ রান তুলেছিল বিরাটের দল৷ রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের শুরুটা ভালো হয়নি৷ ব্যক্তিগত ৮ রানে ডাগ-আউটে ফেরেন বিরাট৷ মাত্র ১২ রানে প্রথম উইকেট হারায় আরসিবি৷ বেহরেনড্রফের বলে উইকেটের পিছনে ক্যাচ দিয়ে আউট হন বিরাট৷ কিন্তু পার্থিব প্যাটেল ও এবিডি’র ব্যাটে লড়াইয়ে ফেরে রয়্যালবিহিনী৷ কিন্তু ২০ বলে ২৮ রানে পার্থিব ডাগ-আউটে ফেরার পর মইন আলির সঙ্গে ৬১ বলে ৯৫ রানের পার্টনারশিপ গড়ে আরসিবি-কে বড় রানে পৌঁছে দেন ডি’ভিলিয়ার্স৷ ৩২ বলে পাঁচ ছক্কায় হাফ-সেঞ্চুরি করার পর মালিঙ্গার বলে ডাগ-আউটে ফেরেন আলি৷ ততক্ষণে অবশ্য স্কোর বোর্ডে ১৪৪ রান যোগ করে ফেলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স৷ এর পর আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠেন এবিডি৷ ছেনা ছন্দে দেখা যায় মিস্টার ৩৬০ ডিগ্রি’কে৷ ইনিংসের শেষ ওভারের প্রথম বলে মালিঙ্গাকে ছক্কা মারলেও ব্যক্তিগত ৭৫ রানে রান-আউট হয়ে দুর্ভাগ্যবশত ডাগ-আউটে ফেরেন এবিডি৷ ৫১ বলের ইনিংসে চার ছক্কা ও হাফ-ডজন বাউন্ডারি মারেন ডি’ভিলিয়ার্স৷ এবডি আউট হওয়ার পর স্কোর বোর্ডে মাত্র ২ রান যোগ করেন আরসিবি৷ তিন ম্যাচ মাঠের বাইরে থাকা মালিঙ্গা এদিন ফিরেই দুরন্ত৷ চার ওভারে ৩১ রান দিয়েে চারটি উইকেট তুলে নেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের এই ল্যাঙ্কি পেসার৷ আগের ম্যাচে চোট পেয়ে ছিটকে যাওয়া আলজারি জোসেফের পরিবর্তে এদিন দল ঢোকেন মালিঙ্গা৷ মাঠে ফিরেই ম্যাচের সেরা হন তিনি৷ আগের ম্যাচে রাজস্থান রয়্যালের কাছে হেরেছিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স৷ কিন্তু এদিন বিরাটদের হারিয়ে ফের জয়ে ফিরল রোহিত অ্যান্ড কোং৷






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply