sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে নুসরাতের পরিবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাত করেন




প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নুসরাতের পরিবারের সাক্ষাত

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করেছেন দুর্বৃত্তের দেয়া আগুনে নিহত ফেনীর সোনাগাজীর মাদ্রাসা ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফির বাবা একেএম মুসা ও মা শিরিনা আক্তারসহ দুই ভাই। সোমবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাত করেন। এ সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন নুসরাতের মা’সহ পরিবারের অন্যান্যরা। শেখ হাসিনা নুসরাতের পরিবারের প্রতি সান্ত্বনা ও গভীর সমবেদনা জানান। তিনি বলেন, দুষ্কৃতিকারীরা কেউই আইনের হাত থেকে কোনোভাবেই রেহাই পাবে না। নুসরাতের পরিবারকে সকল প্রকার সহযোগিতারও আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী।নুসরাতের পরিবার-প্রধানমন্ত্রী এসময় এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের চেয়ারম্যান নিজাম চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। গত ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা সিরাজ উদ দৌলার বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগে মামলা করেন নুসরাতের মা। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ২৭ মার্চ সকাল ১০টার দিকে অধ্যক্ষ তার অফিসের পিয়ন নূরুল আমিনের মাধ্যমে ছাত্রীকে ডেকে নেন। পরীক্ষার আধঘণ্টা আগে প্রশ্নপত্র দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ওই ছাত্রীকে লাঞ্ছিত করার চেষ্টা করেন অধ্যক্ষ। পরে পরিবারের দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার হন তিনি। নুসরাতের পরিবার-প্রধানমন্ত্রী নিহত নুসরাত জাহান রাফি সেই মামলা তুলে নিতে রাজি না হওয়ায় অধ্যক্ষের লোকজন গত ৬ এপ্রিল সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসায় আলিম পরীক্ষার কেন্দ্রে মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে পালিয়ে যায় মুখোশধারীরা। আগুনে ঝলসে যাওয়া নুসরাত ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০ এপ্রিল রাতে মারা যান। এই ঘটনায় করা মামলার তদন্ত করছে পিবিআই। গত ৮ এপ্রিল নুসরাতের ভাই মাহমুদুল হাসান নোমানের আগের দেয়া এজাহার পরিবর্তন করে সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলাকে প্রধান আসামি করে আটজনের নাম উল্লেখ করা হয়। এছাড়া অজ্ঞাত বোরকা পরিহিত আরো চার নারীসহ অজ্ঞাত আরো অনেককে আসামি করা হয়েছে। মামলায় এ পর্যন্ত গ্রেপ্তার আসামিদের মধ্যে নূর উদ্দিন ও শাহাদাত হোসেন শামীম ইতোমধ্যে হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে। ঘটনার দায় স্বীকার করে নূর উদ্দিন ১৬৪ ধারায় আদালতে দেয়া জবানবন্দিতে বলেছে, কারাগারে মাদ্রাসার অধ্যক্ষের সঙ্গে দেখা করে সেখানেই নুসরাতের গায়ে আগুন দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এর আগে শনিবার দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে পিবিআই সদর দপ্তরে এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে পিবিআইয়ের প্রধান ডিআইজি বনোজ কুমার মজুমদার জানিয়েছেন: সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা সিরাজউদ দৌলা জেল থেকেই নুসরাতকে হত্যা করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। আর তাকে পুড়িয়ে মারার পরিকল্পনা করে মাদ্রাসার শিক্ষার্থী শাহাদাত হোসেন শামীম।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply