sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » ইডেনে তাহিরের ঘূর্ণিতে ফিকে লিন ঝড়




লিন-নারিন দু’জনেই না থাকায় দিল্লি ম্যাচে নতুন ওপেনিং জুটির উপর নির্ভর করতে হয়েছিল কলকাতা নাইট রাইডার্সকে৷ পছন্দের টপ অর্ডারে ফিরে শুভমন গিল অনবদ্য হাফসেঞ্চুরি করলেও ওপেনিং জুটি জমেনি৷ জো ডেনলি পড়ে পাওয়া সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন৷ চেন্নাই ম্যাচে ফিট হয়ে লিন-নারিন দু’জনেই দলে ফেরেন৷ ফলে কেকেআরও পুরনো ওপেনিং জুটির ফর্মুলায় ফিরে আসে৷ সফল হওয়া সত্ত্বেও গিলকে ফিরতে হয় লোয়ার মিডল অর্ডারে৷ একমাত্র রাজস্থান ম্যাচে বলার মতো রান পাওয়া নারিন যথারীতি ব্যাট হাতে ব্যর্থ চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধেও (২)৷ লিন নিজের দায়িত্বে ভিত গড়ে দেন দলের৷ টুর্নামেন্টের শুরুর দিকে ছন্দে না থাকলেও পরে আরসিবি ও রাজস্থানের বিরুদ্ধে দু’টি অ্যাওয়ে ম্যাচে বড় রানের ইনিংস গড়েন অজি তারকা৷ দিল্লি ম্যাচের ব্যবধান কাটিয়ে দলে ফিরে ধোনিদের বিরুদ্ধে ইডেন মাতালেন তিনি৷ এক প্রান্ত দিয়ে নিয়মিত অন্তরে উইকেট পড়তে থাকলেও অপর প্রান্ত দিয়ে লিন রান তুলতে থাকেন সাবলীলভাবে৷ ৩৬ বলে ব্যক্তিগত হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করা ক্রিস শেষমেশ ৮২ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলে মাঠ ছাড়েন৷ ৫১ বলের ইনিংসে তিনি ৭টি চার ও ৬টি ছক্কা মারেন৷ জাদেজাকে এক ওভারে পর পর তিনটি ওভারবাউন্ডারি হাঁকিয়ে যেভাবে ক্রিজে ঝড় তুলেছিলেন লিন, তা মুহূর্তে থামিয়ে দেন ইমরান তাহির৷ বলা বাহুল্য, ইডেনে লিন ঝড়ের পাশাপাশি তাহিরের ঘূর্ণিও ক্রমশ শক্তি বাড়ায়৷ একসময় প্রোটিয়া স্পিনারের ঘূর্ণির সামনে ম্লান হয়ে যায় লিন ঝড়ও৷ কেননা, তাহির একার হাতে ধস নামান কেকেআর ব্যাটিং লাইনআপে৷ নিজের দ্বিতীয় ও ইনিংসের ১১তম ওভারে তাহির ফিরিয়ে দেন নীতিশ রানা (২১) ও রবিন উথাপ্পাকে (০)৷ এমন অনবদ্য বোলিং করা সত্ত্বেও দূরদর্শী চেন্নাই অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি পরের ওভারে তাহিরকে আর বল করতে ডাকেননি৷ ১৫তম ওভারে নিজের তৃতীয় ওভার করতে এসে তাহির তুলে নেন ক্রিস লিন ও আন্দ্রে রাসেলের মূল্যবান দু’টি উইকেট৷

ধ্বংসাত্মক ফর্মে থাকা রাসেল আউট হতেই কেকেআরের আত্মবিশ্বাসে যে ধাক্কা লাগে, সেটাকে আর কাটিয়ে উঠতে পারেনি নাইটরা৷ সবার নজর ছিল ক্যারিবিয়ান অলরাউন্ডারের দিকে৷ রাসেল শেষমেশ ৪ বলে ১০ রান করে আউট হয়ে বসেন৷ শেষ পাঁচ ওভারে কলকাতা কোনও রকমে ২৮ রান যোগ করে৷ কার্তিক ১৮ ও সাত নম্বরে ব্যাট করার সুযোগ পাওয়া গিল ১৫ রান করে আউট হন৷ পীযুশ চাওলা নটআউট থাকেন ৪ রানে৷ কলকাতা নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৬১ রান তোলে৷ তাহির ৪ ওভারে ২৭ রানের বিনিময়ে ৪ উইকেট দখল করেন৷ বয়স চল্লিশ পেরোনো চতুর্থ বোলার হিসাবে আইপিএলে এক ম্যাচে চার উইকেট নেওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করেন তিনি৷ এর আগে শেন ওয়ার্ন, প্রবীন তাম্বে ও ব্র্যাড হগ আইপিএলে এমন কৃতিত্ব দেখিয়েছেন৷ আরও পড়ুন: সম্মান রক্ষার ব্যক্তিগত লড়াইয়ে সৌরভের দাদাগিরি ৩৫ বছর পেরোনোর পর আইপিএল কেরিয়ার শুরু করা বোলারদের মধ্যে তাহির সব থেকে বেশি উইকেট নেওয়ার রেকর্ডও গড়েন রবিবাসরীয় ইডেনে৷ এই ম্যাচের পর তাহিরের আইপিএল শিকারের সংখ্যা দাঁড়ায় ৬৬৷ তিনি টপকে গেলেন কিংবদন্তি মুথাইয়া মুরলিধরণকে৷ শ্রীলঙ্কান তারকার আইপিএল শিকারের সংখ্যা ৬৩৷ এই তালিকায় শেন ওয়ার্ন ৫৭, আশীষ নেহেরা ৪৬ ও অনিল কুম্বলের নামের পাশে ৪৫টি উইকেট রয়েছে৷ View image on Twitter View image on Twitter IndianPremierLeague ✔ @IPL .@ChennaiIPL's Imran Tahir is our key performer thus far with his career best #VIVOIPL figures 🔥🔥🔥🔥#KKRvCSK 753 6:37 PM - Apr 14, 2019 88 people are talking about this Twitter Ads info and privacy কেকেআরের বিরুদ্ধে ৪ উইকেট নেওয়ার সুবাদে চলতি আইপিএলের বেগুনি টুপির দখলও নেন তাহির৷ এই মরশুমে তাঁর উইকেট সংখ্যা দাঁড়ায় ১৩৷ রাবাদাও ১৩টি উইকেট নিয়েছেন, তবে তাঁর তুলনায় তাহিরের বোলিং গড় ও ইকনমি রেট অনেক ভালো৷






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply