sponsor

sponsor


Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » আদালতের নির্দেশনার পরও কার্যক্রম নেই নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের




মানহীন ৫২টি খাদ্যপণ্য সরাতে হাইকোর্টের আদেশের পরদিন দেখা যায়নি জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের কোনো কার্যক্রম। প্রতিষ্ঠান দুটি বলছে, আদালতের কপি হাতে পাওয়ার পরই নেয়া হবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা। তবে মানহীন খাদ্যপণ্য সরাতে আদেশের কপির প্রয়োজন নেই উল্লেখ করে আইনজীবীরা বলছেন, খাদ্যপণ্য সরাতে যে কোনো ধরনের শিথিলতা আদালত অবমাননার শামিল। আর ভোক্তা প্রতিনিধিরা মনে করেন, আদালতের এ আদেশ নিরাপদ খাবার নিশ্চিতে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যর্থতাই প্রমাণ করে। ভোক্তার পছন্দের তালিকায় শীর্ষে থাকা নামীদামী বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের ৫২টি খাদ্যপণ্য সম্প্রতি অকৃতকার্য হয় বিএসটিআইয়ের মান পরীক্ষায়। আর বিষয়টি আদালতের নজরে আনা হলে রোববার এসব মানহীন খাদ্যপণ্য বাজার থেকে অপসারণ, বিক্রি বন্ধ ও মানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হওয়া পর্যন্ত উৎপাদন বন্ধ করার নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষকে এ নির্দেশ বাস্তবায়ন করে ১০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতেও বলেন আদালত। তবে পরদিন সোমবার প্রতিষ্ঠান দুটি রাজধানীতে ভেজালবিরোধী অভিযান চালালেও মানহীন ৫২টি খাদ্যপণ্যের বিরুদ্ধে ছিল না কোনো পদক্ষেপ। এমনকি ওইসব পণ্যের মধ্যে কেবল একটি প্রতিষ্ঠান বাজার থেকে তাদের পণ্য সরাতে কাজ করলেও অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর ছিল না সে তৎপরতাও। তবে মানহীন ৫২ খাদ্যপণ্যের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে আদালতের আদেশের কপির জন্য অপেক্ষার কথা জানিয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার বলেন, রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপিটি এখনো হাতে এসে পৌঁছায়নি। এটা হাতে এসে পৌঁছানোর পর ছয়টি টিম এক সঙ্গে কাজ করবে। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সদস্য মাহবুব কবীর বলেন, আদালতের রায় আসার পরই আমরা কাজ শুরু করে দিবো। ভোক্তা অধিকার সংগঠন ক্যাব মনে করে, মানহীন পণ্যের উৎপাদন বন্ধে হাইকোর্টের আদেশ প্রমাণ করে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতা। কনজ্যুমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. এম শামসুল আমল বলেন, আদালত বিষয়টিকে যতটা গুরুত্ব দিয়ে দেখেছেন, প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ বিষয়টিকে মামুলি হিসেবে দেখেছেন। এটাকে আমি প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষের অপরাধ বলে মনে করি। এরকম ছলনা তাদের অনুমোদন ও প্রশ্রয়ে ঘটছে। এছাড়া মানহীন খাদ্যপণ্যগুলো বাজার থেকে সরাতে আদালতের আদেশের কপির জন্য অপেক্ষায় থাকা প্রয়োজন নয় বলেও মনে করেন আইনজীবীরা। রিটকারী সংস্থার আইনজীবী শিহাব উদ্দিন খান বলেন, আইনে তাদের বিশাল ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। এটা তাদের প্রতিদিনকার কাজ। সার্টিফাইড কপি পাওয়ার পর ব্যবস্থা নেবেন এমন মন্তব্যের বিষয়টি আমার কাছে খুব দায়সারা মনোভাব প্রকাশ করার মতো বিষয় বলে মনে হয়েছে। আইনজীবীরা মনে করেন, মানহীন ৫২টি খাদ্যপণ্য সরানোর ক্ষেত্রে যেকোনো ধরনের গাফিলতি আদালত অবমাননার শামিল হবে।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply