sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » ভেন্না বা ক্যাস্টর বা রেঢ়ী গাছের পরিচিতি, চাষ পদ্ধতি ও উপকারিতা




ভেন্না বা ক্যাস্টর বা রেঢ়ী গাছের পরিচিতি, চাষ পদ্ধতি ও উপকারিতা


নামঃ ভেন্না বা রেঢ়ী
বৈজ্ঞানিক নামঃ Ricinus Communis

উত্পাদন পদ্ধতিঃ বীজ
চাষ পদ্ধতিঃ সহজ
চাষের মাটির ধরনঃ নিরপেক্ষ

উপকারিতাঃ

ভেন্নার বীজ থেকে ক্যাস্টর অয়েল তৈরি হয়। যা ভেন্নার তেল বা রেড়ির তৈল নামেও পরিচিত। ক্যাস্টর অয়েলে রয়েছে ভিটামিন ই, মিনারেলস, প্রোটিন এবং প্রয়োজনীয় ফ্যাটি এসিড যা চুলের যত্নে বেশ উপকারী। এছাড়াও এই তেল কৌষ্ঠকাঠ্যিন্য, চর্ম‌রোগ, রূপ চর্চা ও ব্যাথা কমাতে ব্যাবহার করা হয়।

গাছের ধরনঃ

ভেন্না গাছ দ্রুত বৃদ্ধি পায়, মাত্র তিন মাসে ছয় ফুট বা তারও বেশি উচ্চতা অর্জন করে এবং সর্বাধিক উচ্চতা ১২ মিটার পর্যন্ত হতে পারে। এই গাছের পাতা বেশ বড় আকারের এবং দেখতে তারকা আকৃতির। ভেন্না গাছের সাথে পেঁপে গাছের কিছু মিল আছে। পাতা গুলো দেখতে সবুজ রঙের ও লম্বা ডাঁটা যুক্ত। বোঁটার ভেতরটা পেঁপে গাছের পাতার মতই ফাঁপা হয়।

ফুল ও ফলঃ

সাধারণত বর্ষাকালে ভেন্নার চারা থেকে গাছ জন্মায় এবং হেমন্ত ও শীতকালে ফুল-ফল হয়। গাছের আগায় লালচে ফুল হয়। ফল গুলো দেখতে সবুজ রঙের। ফলের ভিতরে ৩ বা ৪টা বীজ থাকে।

উৎপাদনঃ

এটি বাড়ির আশেপাশে কম খরচে উৎপাদন করা যেতে পারে কিন্তু বাচ্চা বা পোষা প্রাণীর থেকে সচেতন থাকতে হবে।
-ভেন্নার বীজ থেকে সাধারণত এই উদ্ভিদ জন্মায়। বীজ বপনের আগে এক গ্লাস পানির ভেতরে ২৪ ঘন্টা এই বীজ ভিজিয়ে রাখতে হবে। ট্যাপের পানির পরিবর্তে ফিল্টার বা বিশুদ্ধ পানি ব্যবহার করা জরুরী।
-১ ইঞ্চি গভীরে বীজ বপন করতে হবে এবং বীজ অন্তত ৩ ফুট দূরে বীজ বপন করুন। মাটি পর্জাপ্ত পরিমানে ভেজা রাখতে হবে এবং দুটি পাতা দেখা গেলেই বাগানে বা বড় পাত্রে প্রতিস্থাপিত করতে হবে। বাগানে বপনের সময় খেয়াল রাখতে হবে যে চারা গুলি ৩ ফুট দূরে স্থাপন করা হচ্ছে। চারা লাগানোর গর্তে কিছু কম্পোস্ট দিয়ে রাখতে হবে।
-ক্যাস্ট্রোর উদ্ভিদ মাটিতে সবসময় সামান্য আর্দ্রতা পছন্দ করে। মাটি জৈব সার সমৃদ্ধ হতে হবে এবং খেয়াল রাখতে হবে যেন পানি জমে না থাকে। অনেক ধরনের মাটিতেই এই উদ্ভিদ জন্মাতে পারে। মাসে একবার করে জৈব সার দিতে হবে।
-ভেন্না চাষের জন্য উপযোগী তাপমাত্রা হল ৭৭-৮৬ ডিগ্রী ফারেনহাইট (২৫-৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস)। এই উদ্ভিদের জন্য প্রুনিং (pruning) প্রয়োজন হয় না।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply