sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » আম্পায়ারের ভুলে কপাল পুড়লো টেইলরের (46.3/50 Over)218/5




আম্পায়ারের ভুলে কপাল পুড়লো টেইলরের বিশ্বকাপের ফাইনালেও একের পর এক বাজে আম্পায়ারিং দেখতে হচ্ছে। প্রথম ইনিংসের অর্ধেকটা পার হতে না হতেই আম্পায়ারদের অন্তত তিনটি সিদ্ধান্ত দৃষ্টিকটুভাবে ধরা পড়েছে। চাপে থাকা নিউজিল্যান্ডকে যখন টেনে তোলার চেষ্টা করছিলেন অভিজ্ঞ রস টেইলর টিক তখনই আম্পায়ার মারিয়াস ইরাসমুসের ভুল সিদ্ধান্তের বলি হলেন। দলকে ফেলে গেলেন আরো বিপদে। মার্ক উডের জোরালো আবেদনে সাড়া দিয়ে আম্পায়ার আঙুল তুললেও টিভি রিপ্লেতে দেখা যায় বল স্ট্যাম্পের উপর দিয়ে চলে যাচ্ছিলো। টেইলের পোড়াকপালের পেছনে তার সতীর্থ গাপটিল আর নিকোলসের হাতও কম নয়। ম্যাচের সপ্তম ওভারে ক্রিস ওকসের বলে লেগ বিফোর হয়ে সাজঘরে ফেরেন ১৯ রান করা গাপটিল। আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত পছন্দ না হওয়ায় নিয়েছিলেন রিভিউ। কিন্তু তাতে কোনো লাভ হয়নি। বরং, বড় লোকসানটা হয়ে গেছে রিভিউ নষ্ট করে। রিভিউ নেয়ার আগে গাপটিল পরামর্শ করেছিলেন নিকোলসের সঙ্গে। কিন্তু তিনিও সঠিক পরামর্শ দিতে পারেননি। রিভিউটা হাতে থাকলে হয়তো বেঁচে যেতেও পারতেন টেইলর। আরো পড়ুন: বিশ্বকাপে মাহেলা-পন্টিংদের ছাড়িয়ে গেলেন উইলিয়ামসন স্কোর: নিউজিল্যান্ড ১৫২/৪ (৩৫.৩) মার্টিন গাপটিল ১৯ (১৮) হেনরি নিকোলস ৫৫ (৭৭) কেন উইলিয়ামসন ৩০ (৫৩) রস টেইলর ১৫ (৩১) টম লাথাম ১২* (২১) জেমস নিশাম ৯* (১৩) উইলিয়ামসনের পর নিকোলসকে হারিয়ে চাপে নিউজিল্যান্ড হেনরি নিকোলসের সঙ্গে ৭৪ রানের জুটি গড়ে দলকে শতক পার করান অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। তবে তারপর আর তাকে ক্রিজে থাকতে দেননি লিয়াম প্লাঙ্কেট। উইকেটের পেছনে বাটলারের হাতে ক্যাচ দেয়ার আগে উইলিয়ামসন করেন ৩০ রান। এরপর মাঠে নামেন অভিজ্ঞ রস টেইলর। কিন্তু টেইলকে বেশিক্ষণ সঙ্গ দিতে পারেননি দারুণ খেলতে থাকা হেনরি নিকোলস। ৫৫ রানে অধিনায়কের দেখানো পথে হাটেন তিনিও। তাকে বোল্ড করেন প্লাঙ্কেট। স্কোর: নিউজিল্যান্ড ১২২/৩ (২৮) মার্টিন গাপটিল ১৯ (১৮) হেনরি নিকোলস ৫৫ (৭৭) কেন উইলিয়ামসন ৩০ (৫৩) রস টেইলর ৮* (১৭) টম লাথাম ২* (৩) চাপ সামলে শতক পার নিউজিল্যান্ডের শুরুতেই ওপেনার মার্টিন গাপটিলকে খোয়ানোর চাপটা বেশ ভালোভাবেই সামাল দিলেন কেন উইলিয়ামসন এবং আরেক ওপেনার হেনরি নিকোলস। এ দুজনের হিসেবি ব্যাটিংয়ে শতক পার করলো কিউইরা। যদিও ওভার প্রতি রানরেট খুব একটা বেশি নয়। স্কোর: নিউজিল্যান্ড ১০২/১ (২২) মার্টিন গাপটিল ১৯ (১৮) হেনরি নিকোলস ৪৫* (৬৩) কেন উইলিয়ামসন ৩০* (৫১) গাপটিলকে ফেরালেন ওকস বিশ্বকাপটা একেবারেই ভালো হলো না নিউজিল্যান্ড ওপেনার মার্টিন গাপটিলের। পুরো টুর্নামেন্টেই নিজের ছায়া হয়ে থাকা গাপটিল ফাইনালেও জ্বলে উঠতে পারলেন না। ম্যাচের সপ্তম ওভারে ক্রিস ওকসের বলে লেগ বিফোর হয়ে সাজঘরে ফেরার আগে ১৯ রান করেন। নিউজিল্যান্ডের লোকসান শুধু ওপেনারকে হারানোই নয়, হারিয়েছে ইনিংসের রিভিউটিও। এরআগে নিকোলস রিভিউ নিয়ে বেঁচে গিয়েছিলেন। তবে গাপটিলের রিভিউতে দেখা যায়, কুমার ধর্মসেনা সঠিক সিদ্ধান্তই দিয়েছেন। স্কোর: নিউজিল্যান্ড ২৯/১ (৬.২) মার্টিন গাপটিল ১৯ (১৮) হেনরি নিকোলস ৮* (২০) কেন উইলিয়ামসন ০* (০) রিভিউ নিয়ে বাঁচলেন নিকোলস শুরু থেকেই নিউজিল্যান্ডের দুই ওপেনারকে চাপে রেখেছেন ইংলিশ পেসার ক্রিস ওকস এবং জোফরে আর্চার। ম্যাচের তৃতীয় ওভারে আম্পায়ারকে আঙুল তুলতে বাধ্য করেন ওকস। হেনরি নিকোলসের লেগ বিফোরের আবেদনে সাড়া দেন আম্পায়ার কুমার ধর্মসেনা। তবে অপর প্রন্তে থাকা মার্টিন গাপটিলের সঙ্গে পরামর্শ করে রিভিউ নেন নিকোলস। টিভি রিপ্লেতে দেখা যায়, বল স্ট্যাম্প লাইনে পিচ করলেও মিডল স্ট্যাম্পের উপর দিয়ে চলে যাচ্ছিলো। স্কোর: নিউজিল্যান্ড ১৬/০ (৩.৩) মার্টিন গাপটিল ১২* (১৩) হেনরি নিকোলস ২* (৮) বিশ্বকাপের ফাইনালে দুই দলের একাদশ বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি নিউজিল্যান্ড এবং ইংল্যান্ড। টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। সেমিফাইনালে ভারতের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচে জয় পেয়েছে নিউজিল্যান্ড। আরেক সেমিতে অস্ট্রেলিয়াকে উড়িয়ে ফাইনালে পা রাখে ইংল্যান্ড। দুই দলই তাদের সেমির পরীক্ষিত একাদশ নিয়েই মাঠে নেমেছে। ইংল্যান্ড একাদশ: জেসন রয়, জনি বেয়ারস্টো, জো রুট, ইয়ন মরগান (অধিনায়ক), বেন স্টোকস, জস বাটলার, ক্রিস ওকস, লিয়াম প্লাঙ্কেট, জোফরে আর্চার, আদিল রশিদ, মার্ক উড। নিউজিল্যান্ড একাদশ: মার্টিন গাপটিল, হেনরি নিকোলস, কেন উইরিয়ামসন (অধিনায়ক), রস টেইলর, জেমস নিশাম, কলিন ডি গ্রন্ডহোম, টম লাথাম, মিচেল স্যাটনার, ম্যাট হেনরি, ট্রেন্ট বোল্ট, লোকি ফার্গুসন। ট্রফির লড়াইয়ে টস জিতলো নিউজিল্যান্ড বিশ্বকাপের ট্রফি ঘরে তোলার লড়াইয়ে সটভাগ্য সহায় হলো নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনের। লর্ডসে টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। ৪৭ দিনের ক্রিকেট যুদ্ধের পর সেই প্রতীক্ষিত ফাইনালের মঞ্চে ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ড। বছরের পর বছর ধরে দুই দলেরই আরাধ্য স্বপ্ন। এই একটি ট্রফির জন্য চাতক পাখির মতো পলকহীন চোখে চেয়ে থাকা থ্রি লায়ন্স আর কিউই পাখিদের। প্রথমে দৃশ্যপটে ইংল্যান্ড। যারা ১৯৭৯, ৮৭, ও ৯২ সালে তিন বার ফাইনালে উঠেও, ছুঁতে পারেনি স্বর্ণালী ট্রফিটি। তিল তিল করে গড়া সাধনার ফসল ঘরে তুলতে ইংলিশরা ট্রফি ছোঁয়ার এক হাত দূরত্বে। অনেক বছরের জমাট যন্ত্রণার জ্বলা মেটাতে সংকল্পবদ্ধ ফেভারিট ইংল্যান্ড। টপ অর্ডারে জেসন রয়, বিয়ারস্টো রুটের খুনে ব্যাটিং, মিডল অর্ডারে ব্যাটিংয়ে স্তম্ভ মরগান স্টোকস জশ বাটলাররা একই ম্যাচ উইনার। বোলিংও আগুনে। জোফরা আর্চার ১৯ আর মার্ক উড ১৭টি উইকেট নিয়ে পেস বোলিংয়ে সামর্থ্য রেখেছে। তাই আরাধ্য স্বপ্ন পূরণে ইংলিশরা প্রতিপক্ষকে করতে চাইছে তছনছ। অধিনায়ক মরগানের কথায় ফুটে উঠেছে তাই। অন্যদিকে, এবার তাসমান সাগরের আর কোন হতাশার জ্বলোচ্ছাস নয়। উল্লাসে ভাসতে চায় কিউইরা। তবে, প্রতিপক্ষের মিডল অর্ডার যখন বিশ্বমানের সেখানে সাদামাটা ফর্মে নিউজিল্যান্ড। এটাই পার্থক্য গড়ে দেয় কিনা ভয় উইলিয়ামসনের। উইলিয়ামসন বলেন, আগেরবার ভুল করেছি এবার আর সেই ভুল করতে চাই না। সুযোগ এসেছে বিশ্বকাপ জয়ের। যারা অফ ফর্মে আছে তাদের জ্বলে উঠতেই হবে নয়তো পথটা কঠিন হয়ে পড়বে। বৃষ্টিতে বিলম্বিত ফাইনালের টস বৃষ্টির কারণে ইংল্যান্ড এবং নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার ফাইনাল ম্যাচের টস ১৫ মিনিট দেরিতে হবে। রোববার বাংলাদেশ সময় বেলা তিনটায় টস হওয়ার কথা ছিল। এবারের বিশ্বকাপের বেশ কিছু ম্যাচ বৃষ্টির কারণে ভেস্তে গেছে। ফাইনাল ম্যাচের আগেও আতঙ্ক ছড়ায় বৃষ্টি। আর কিছুক্ষণ পরই লর্ডসে শুরু হতে যাচ্ছে ইংল্যান্ড-নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার ফাইনাল। ২৩ বছর পর নতুন চ্যাম্পিয়ন পেতে যাচ্ছে ক্রিকেট বিশ্ব। তাই ম্যাচটি নিয়ে রোমাঞ্চের শেষ নাই সমর্থকদের মধ্যে। তবে আছে বৃষ্টির শঙ্কাও। লন্ডনে ম্যাচের কিছুক্ষণ আগেও বৃষ্টি ঝরেছে। তবে আশার কথা হল, আপাতত বৃষ্টি বন্ধ রয়েছে। লর্ডস থেকে আমাদের প্রতিনিধি হুমায়ুন কবির রোজ জানিয়েছেন, বৃষ্টি বন্ধ হয়েছে। তবে আকাশ মেঘলা আছে। বৃষ্টি থামার পর মাঠকর্মীরা পানি নিষ্কাশনের জন্য পুরো শক্তি দিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। আশা করা যাচ্ছে, সময় মতোই খেলা মাঠে গড়াবে। চলতি আসরের শুরু থেকেই একের পর এক ম্যাচে ছিল বৃষ্টি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এ কারণে পরিত্যক্ত হয়েছে রেকর্ড চারটি ম্যাচ। এমনকি রিজার্ভ ডে থাকায় পরিত্যক্ত হওয়ার হাত থেকে বেঁচে যায় আসরের প্রথম সেমিফাইনালে ভারত-নিউজিল্যান্ড ম্যাচটিও। তাই স্বাভাবিকভাবেই বৃষ্টির কারণে ফাইনাল ম্যাচে নিয়ে চিন্তা করছে ভক্তরা। সুখবর হচ্ছে, আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী আজকের ম্যাচের সময় বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই। তার মানে রিজার্ভ ডে'তে ফাইনাল ম্যাচটি নাও গড়াতে পারে। তবে আবহাওয়ার পূর্বাভসকে এরিমধ্যে বৃদ্ধাঙুলি দেখিয়ে বৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে লন্ডনের আকাশে সূর্যের দেখা নাই বললেই চলে।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply