sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » এরশাদ মারা গেছেন




এরশাদ মারা গেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান (জাপা) এবং সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। রোববার (১৪ জুলাই) সকাল ৭টা ৪৫ মিনিটে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)। গত ২৬ জুন থেকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন ছিলেন এইচএম এরশাদ। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর। একনজরে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ একজন সামরিক শাসকের পতনের পর আবারো ঘুরে দাঁড়িয়েছেন রাজনীতিতে। এটি শুধু বাংলাদেশ নয়, বরং পৃথিবীর ইতিহাসেই বিরল। নানা কারণেই আলোচিত-সমালোচিত ছিলেন সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। রাজনীতিতে যিনি ছিলেন আনপ্র্যাডিক্টেবল খ্যাত। ১৯৩০ সালের পহেলা ফেব্রুয়ারি জন্ম নেন হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ। পৈতৃক নিবাস ভারতের কোচবিহারে। পিতা মকবুল হোসেন ছিলেন আদালতের পেশকার। পিতার চাকরির সুবাদেই বাংলাদেশের রংপুরে তাদের বসত-ভিটা। ১৯৫০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করা এরশাদ ৫২ সালে কমিশন লাভ করেন পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে। ১৯৭৫ সালের ২৪ আগস্ট স্বাধীন বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর মেজর জেনারেল এবং উপসেনাপ্রধান হিসেবে পদোন্নতি পান। সেনা অভ্যুত্থানে জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হবার কিছুদিন পরই এরশাদ সেনাপ্রধান হিসেবে নিয়োগ পান। ১৯৮১ সালে ৩০ মে জিয়াউর রহমান নিহত হবার পর দেশের রাজনৈতিক পটভূমিতে এরশাদের আনাগোনা শুরু হয়। ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ রাষ্ট্রপতি আব্দুস সাত্তারকে হটিয়ে দখল করেন রাষ্ট্র ক্ষমতা। পরের বছরের ১১ ডিসেম্বর আত্মপ্রকাশ করেন প্রধান সামরিক প্রশাসক হিসেবে। ১৯৮৬ সালে গঠন করেন জাতীয় পার্টি। এ দল থেকে মনোনয়ন নিয়ে ৫ বছরের জন্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ এবং জামায়াত অংশ নিলেও নির্বাচন বর্জন করে বিএনপি। আন্দোলনের মুখে এক বছরের মাথায় সংসদ বাতিল করতে বাধ্য হন এরশাদ। ১৯৮৮ সালে আবারো আয়োজন করেন সাধারণ নির্বাচনের। ওই নির্বাচনও বয়কট করে বেশিরভাগ রাজনৈতিক দল। সবশেষ সম্মিলিত আন্দোলনের মুখে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর ক্ষমতাচ্যুত হন এরশাদ।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply