sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » কিশোরগঞ্জে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রীকে 'জামাই বরণ'




প্রতিমন্ত্রী হয়ে প্রথমবারের মতো শ্বশুরবাড়ি কিশোরগঞ্জে গিয়ে রাজসিক সংবর্ধনায় সিক্ত হলেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে কিশোরগঞ্জের জামাইকে বরণ করে নেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় চারদিনের সরকারি সফরে কিশোরগঞ্জ গেলে বিন্নাটি চার রাস্তার মোড়ে তাঁকে ঢাক-ঢোল বাজিয়ে বরণ করা হয়। এ সময় সেখানে কয়েক হাজার নেতাকর্মীর উপস্থিত ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রবাসী সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলামের ভাই, কিশোরগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি প্রয়াত সৈয়দ ওয়াহিদুল ইসলাম পট্টু মিয়ার মেয়ের জামাই ফরহাদ হোসেন দোদুল। প্রতিমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথম কিশোরগঞ্জ সফর উপলক্ষে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীসহ স্থানীয় লোকজনের মধ্যে ছিল বাড়তি কৌতুহল ও উচ্ছ্বাস। মেহেরপুরের আওয়ামী লীগ নেতা প্রয়াত ছহিউদ্দিন আহমেদের ছেলে ফরহাদ হোসেন দোদুল। ২০০৩ সালে সাবেক এলজিআরডি ও জনপ্রশাসনমন্ত্রী প্রয়াত সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের চাচাতো বোন সৈয়দা মোনালিসা ইসলাম শিলার সঙ্গে ফরহাদ হোসেন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। শ্বশুরবাড়ির লোকজন ছাড়াও জেলা আওয়ামী লীগ ও জেলা প্রশাসন অতিথি বরণে গত কয়েক দিন ধরে ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছিল। তাকে স্বাগত জানাতে জেলা শহরসহ আশপাশের এলাকাগুলোতে নির্মাণ করা হয় অসংখ্য তোরণ। সন্ধ্যায় প্রতিমন্ত্রী ফরহাদের গাড়ি বহর বিন্নাটি এলাকায় পৌঁছার পর আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের উল্লাসে ফেটে পড়েন। এ সময় মন্ত্রীর স্ত্রী সৈয়দা মোনালিসা ইসলাম শিলা তার সঙ্গে ছিলেন। তবে বিকেল থেকে সেখানে জেলার ঐতিহ্যবাহী লাঠিখেলা, ঢাকঢোল, বাঁশি ও সানাইয়ের সুরে মুখরিত ছিল। দুপুর থেকে নেতাকর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে জমায়েত হতে থাকে। সন্ধ্যার দিকে পুরো বিন্নাটি এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়। সেখানে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট আতাউর রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত ‘জামাই বরণ’ অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন তাঁর অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, কিশোরগঞ্জের মানুষের এমন অনাবিল আতিথ্য পেয়ে আমি পুলকিত। এ ধরণের ব্যতিক্রম অনুষ্ঠান উপস্থিত হতে পেরে আমি সম্মানিত বোধ করছি। শ্বশুরবাড়ি বলে নয়, এখানার মানুষের আবেগ বিশেষ করে আওয়ামী লীগের প্রতি তাদের ভালবাবাসা ও ত্যাগ সেটা এক দৃষ্টান্ত বটে। এই আবেগ, অনুভূতি ও ভালোবাসার কারণে কিশোরগঞ্জের মাটি থেকে সৃষ্টি হয়েছে, দেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম, সাবেক রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান, রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ এবং রাজনীতিকে শিল্পের মর্যাদায় নিয়ে যাওয়ার কারিগর সাবেক জনপ্রশাসন মন্ত্রী প্রয়াত সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মতো রাজনীতিবিদ। তাদের হাত হতে কিশোরগঞ্জ রাজনীতির তীর্থস্থানে পরিণত হয়েছে। কাজেই আমি কিশোরগঞ্জকে কেবল শ্বশুরবাড়ি হিসেবে দেখি না, এ জেলাকে আমি নিজের দ্বিতীয় বাড়ি বলে মনে করি। এ জেলার উন্নয়নে আমি যথাসাধ্য চেষ্টা করে যাব। জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও প্রতিমন্ত্রীর স্ত্রী সৈয়দা মোনালিসা ইসলাম শিলার বড় ভাই সৈয়দ আশফাকুল ইসলাম টিটুর পরিচালনায় জমাই বরণ অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন, কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী, পুলিশ সুপার মাশরুকুর রহমান খালেদ, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট কামরুল আহসান শাহজাহান, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এম এ আফজল, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রীর স্ত্রী মোনালিসা ইসলাম শিলাও কিশোরগঞ্জের মানুষ, এখানকার মানুষের রাজনৈতিক চেতনা ও আওয়ামী লীগের দায়বদ্ধতা ও ভালোবাসার প্রশংসা করে বক্তৃতা করেন। এ সময় তিনি রাজনীতি ও আওয়ামী লীগে তার পরিবারের ত্যাগ ও অবদানের কথাও তুলে ধরেন। রাত আটটার দিকে পাঁচ শতাধিক মোটরসাইকেলের শোভাযাত্রায় সজ্জিত করে প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেনকে শহরের খরমপট্টি তাঁর শ্বশুরবাড়ি নিয়ে যাওয়া হয়। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, প্রতিমন্ত্রী জেলায় বেশকিছু অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেবেন। পরিবারের লোকজনকে নিয়ে হাওর ভ্রমণে যাবেন প্রতিমন্ত্রী। জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে গুণীজন সংবর্ধনা ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন তিনি। সফরের সময় রাতযাপন করবেন শ্বশুরবাড়ি শহরের খরমপট্টি এলাকায় পূর্ণি ভিলায়। সফর শেষে আগামী সোমবার ঢাকায় ফিরবেন প্রতিমন্ত্রী।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply