sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » সংকট কাটাতে মেঘনার পানি ব্যবহার করবে ওয়াসা




রাজধানীর পানি সংকট কাটাতে এবার ওয়াসা ব্যবহার করতে যাচ্ছে মেঘনা নদীর পানি। এতে বর্তমানে নদী থেকে সরবরাহ করা দৈনিক ৫০ কোটি লিটারের সঙ্গে যোগ হবে আরও ৯৫ কোটি লিটার পানি। তবে মেঘনার দুই পাড়ের শিল্প কারখানার বর্জ্য আর ক্রমাগত পানি দূষণের ব্যাপারে সতর্ক থেকেই কাজ দ্রুত এগিয়ে নেয়ার তাগিদ এ প্রকল্পের দাতাসংস্থাগুলোর। দূষণ বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী। বাড়ছে ঢাকা। প্রাপ্ত তথ্য বলছে, ২০৩৫ সালে এ নগরীর জনসংখ্যা হবে ২ কোটি ৯০ লাখ। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা আর চাহিদার বিপরীতে পাল্লা দিয়ে কমছে পানি সরবরাহের উৎস। বর্তমানে রাজধানীতে দৈনিক যে ২৫০ কোটি লিটার পানি সরবরাহ করা হয়, তার ৮০ ভাগই আসে ভূগর্ভস্থ উৎস থেকে। বুড়িগঙ্গা এবং শীতলক্ষ্যা থেকে যোগ হয় মাত্র ৫০ কোটি লিটার পানি। এর সাথে এবার দুটি পর্যায়ে মেঘনা নদীর পানি যোগ করা হলে বাড়বে দৈনিক আরও ৯৫ কোটি লিটার। কিন্তু মেঘনার দুই পাড়ের শিল্প কারখানার দূষনের ব্যাপারে সর্তক দাতারা। জার্মানি রাষ্ট্রদূত বলেন, 'আমরা এখানে ৫৫০ মিলিয়ন ডলারের বেশি বরাদ্দ দিয়েছি। এটা ঢাকার মানুষের জন্য খুবই প্রয়োজনীয় একটা প্রকল্প। এর মধ্যেই আমরা লক্ষ্যের তুলনায় কাজ শুরু করতে অনেক পিছিয়ে আছি। এখানে বিকল্প কোন পরিকল্পনা বা প্ল্যান বি এর সুযোগ নেই। তাই এখন দ্রুত এটাকে এগিয়ে নিতে হবে।' দাতাদের সহযোগিতায় প্রকল্পের বর্তমান বাজেট ৫ হাজার ২৪৮ কোটি টাকা। ২০১৩ সালে অনুমোদনের পর ২০১৮ সালের মে মাসে হয়েছে নির্মাণ চুক্তি। বছরের শীত মৌসুমের ৪ মাস ছাড়া দূষণ নিয়ে কোনো সমস্যা নেই বলে মনে করছে সরকার। স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম বলেন, সায়েদাবাদ প্লান্ট ৩ এর কাজ আরম্ভ করছি। যার পানির উৎস মেঘনা। তাই মেঘনা দূষণমুক্ত না করতে পারলে প্ল্যান্ট কাজে আসবে না।’ প্রাথমিকভাবে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও নতুন পরিকল্পনায় ২০২২ সালের জুন মাসের পর এ সুফল পেতে পারেন রাজধানীবাসী।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply