sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » আশ্চর্য অ্যান্টার্কটিকার অজানা তথ্য




 

আশ্চর্য অ্যান্টার্কটিকার অজানা তথ্য পৃথিবীর দুর্গমতম, উচ্চতম, শী
তলতম, শুষ্কতম তথা নির্জনতম মহাদেশ অ্যান্টার্কটিকা। এখানেই দুনিয়ায় সবচেয়ে বেশি বাতাস চলাচল করে। এ মহাদেশ সম্পর্কে নতুন বেশ কিছু অজানা তথ্য নিয়ে এই লেখা… * আন্টার্কটিকায় কাজ করতে গেলে শরীর থেকে বাদ দিতে হবে আক্কেল দাঁত ও অ্যাপেনডিক্স। এ মহাদেশে শল্যচিকিৎসার ব্যবস্থা নেই। সুতরাং এখানে আসার আগেই ওই দুটির মায়া কাটিয়ে আসতে হবে। * আন্টার্কটিকা মহাদেশের ড্রাই ভ্যালি অঞ্চল পৃথিবীর বুকে সবচেয়ে শুকনো এলাকা বলে চিহ্নিত। * বেশ কিছু দেশের মতো যেমন অস্ট্রেলিয়ার .au বা জার্মানির .de অথবা ভারতের .in, আন্টার্কটিকারও নিজস্ব ডোমেইন রয়েছে। তুষার রাজ্যের ডোমেইন হল .aq। * ৫.৩ কোটি বছর আগে আন্টার্কটিকার আবহাওয়া যথেষ্ট উষ্ণ ছিল। সেই সময় এখানকার গড় তাপমান ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এখানে সমুদ্রের তীর বরাবর পামগাছের সারি দেখা যেত। * বিশ্বখ্যাত মার্কিন হেভি মেটাল রকব্যান্ড মেটালিকা আন্টার্কটিকায় পারফর্ম করেছিল। তাদের জনপ্রিয় গান Freeze ‘Em All-এর শ্যুটিং হয়েছিল চিরতুষারের দেশে। উল্লেখ্য, মাত্র এক বছরে বিশ্বের সাতটি মহাদেশে অনুষ্ঠান করে নজির গড়ে মেটালিকা। * আন্টার্কটিকাতেও রয়েছে পরমাণু চুল্লি। ১৯৬২ সাল থেকে এ মহাদেশের বুকে কাজ করে চলেছে মার্কিন পরমাণু চুল্লি ম্যাকমার্ডো স্টেশন। * আন্টার্কটিকার নিজস্ব দমকল বিভাগ রয়েছে। ম্যাকমার্ডো স্টেশনের ভেতরেই এ দপ্তর। আগুন নেভাতে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি এবং পেশাদার দমকলকর্মীরা আছেন এখানে। * চরম আবহাওয়া থাকা সত্ত্বেও আন্টার্কটিকায় পাওয়া যায় ১ হাজার ১৫০ প্রজাতির ছত্রাক। বেশ কিছু প্রজাতি রীতিমতো নজরকাড়া। আসলে প্রচণ্ড ঠাণ্ডা আবহাওয়াতেও নিজেদের অনায়াসে খাপ খাইয়ে নিতে পারে ছত্রাক। * বিশ্বের প্রতিটি টাইমজোন পাওয়া যায় আন্টার্কটিকায়। পৃথিবীর দুই মেরুতে এসে মিলেছে সময় বিভাজনকারী দ্রাঘিমা রেখা। স্বাভাবিকভাবেই এখানে রয়েছে দুনিয়ার সমস্ত টাইমজোনের উপস্থিতি। * আন্টার্কটিকায় পোলার বিয়ার অর্থাৎ মেরু-ভালুক বাস করে না। এদের বসতি আর্কটিক অঞ্চল অথবা কানাডায়।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply