sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » পর পর তিন মাস রেকর্ড ভাঙলো দেশের রেমিট্যান্স




 পর পর তিন মাস রেকর্ড ভাঙলো দেশের রেমিট্যান্স

 

 মহামারি করোনায় যখন বিপর্যস্ত বৈশ্বিক অর্থনীতি। তখন বাংলাদেশের জন্য সুখবর বয়ে এনেছে প্রবাসীদের পাঠানো টাকার পরিমাণ। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাবে জুলাই মাসে ২৬০ কোটি মার্কিন ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এতে প্রায় সাড়ে ৩৮ বিলিয়ন ডলার রিজার্ভের মাইল ফলক ছুয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।


 পর পর তিন মাস ইতিহাসের রেকর্ড ভাঙলো প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স। জুলাই মাসে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ২৬০ কোটি মার্কিন ডলার। যার ওপর ভর করে ৩৭ দশমিক ২৮ বিলিয়ন ডলার রিজার্ভের নতুন রেকর্ড গড়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বিশ্লেষকরা বলছেন, করোনার মধ্যে বিশাল এই রেমিট্যান্স অর্থনীতির জন্য স্বস্তিদায়ক। যা মূল্যস্ফীতির লাগাম টেনে ধরে বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করবে। 

বিআইডিএসের সিনিয়র রিসার্চ ফেলো ড. নাজনীন আহমেদ বলেন, করোনা সংকটের সময় অনেক প্রবাসী দেশে ফিরে এসেছেন। আর আসার সময় তারা হয়ত তাদের জমানো সকল টাকা নিয়ে আসছে বলেই এই রেকর্ড রেমিট্যান্স।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এমন রিজার্ভ আমদানি খরচ মেটানোর পাশাপাশি অর্থনীতিকে স্বস্তিতে রাখবে।

পিআরআই এর নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, বিশ্বের বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টিগুণ থেকে উচ্চ রিজার্ভ আসলেই একটা ভালো দিক। যদি রিজার্ভের অবস্থা আসলেই ভালো হয় তবে তারা তাদের বিনিয়োগের টাকা লাভসহ  ফেরত নিতে পারবেন। 

উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য এবার রিজার্ভ থেকে ঋণ নিতে চায় সরকার। বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি করা গেলে চাপ কমবে বাজেটের ওপর। কমবে বিদেশি ঋণের বোঝাও।

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, রিজার্ভের টাকা সংরক্ষণ করে আমরা প্রকল্পের জন্য ঋণ নিতে পারি।

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের সম্মানীয় ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বিদেশিরা যখন টাকা দেয় তখন তাদের একটা দৃষ্টি থাকে। যদি রিজার্ভের এই টাকাটা আমরা নিই তাহলে আমরা কীভাবে টাকাটা ব্যবহার করব তার জন্য একটা স্বাধীন কমিটি করলে ভালো হবে। 

তিনি আরও বলেন, বিশ্বের সাথে আমাদের যে সম্পর্ক আছে। সেটাকে কাজে লাগিয়ে তাদের সাথে আলাপ আলোচনা করতে হবে। যাতে আমদের প্রবাসীরা দেশে ফেরত না আসে। রিজার্ভকে টেকসই করতে, প্রবাসীদের কল্যাণে সরকারকে এগিয়ে আসতে হবে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, করোনায় কাজ হারিয়ে দেশে ফেরা প্রবাসী শ্রমিকদের পুনর্বাসন ও দক্ষতা কাজে লাগাতে সরকারকে আর উদ্যোগী হতে হবে।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply