sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » যুক্তরাষ্ট্রে আরেক কৃষ্ণাঙ্গকে গুলির প্রতিবাদে কাউফিউ ভেঙে বিক্ষোভ, ব্যাপক সংঘর্ষ




মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিন অঙ্গরাজ্যে উত্তেজনা ও বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। পুলিশের গুলিতে নতুন করে এক কৃষ্ণাঙ্গ নাগরিক আহত হওয়ার পর থেকেই সেখানে শুরু হয়েছে বিক্ষোভ। বর্ণবাদবিরোধী তুমুল বিক্ষোভ মোকাবেলায় হিমশিম খাচ্ছে স্থানীয় পুলিশ। সোমবার দ্বিতীয় দিনের মতো পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। বিক্ষোভ ঠেকাতে এরইমধ্যে ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েন করেছেন অঙ্গরাজ্যটির গভর্নর। গত ২৫ মে মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের বৃহত্তম শহর মিনিয়াপলিসে পুলিশের হাতে জর্জ ফ্লয়েড নামের এক কৃষ্ণাঙ্গ নিহত হওয়ার পর বর্ণবাদবিরোধী ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়। আমেরিকার সর্বত্র এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। যুক্তরাষ্ট্রে অঙ্গরাজ্যভিত্তিক পুলিশ বিভাগকে বিলুপ্ত করার দাবিও জানায় কেউ কেউ। তার মধ্যেই বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে পুলিশের গুলিতে নিরস্ত্র কৃষ্ণাঙ্গ হতাহত হওয়ার ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। গত রোববার সন্ধ্যায় উইসকনসিনের কেনোশা শহরে পুলিশের গুলিতে গুরুতর আহত হয় জ্যাকব ব্লেক নামের এক কৃষ্ণাঙ্গ। তাকে পেছন থেকে কয়েকবার গুলি করে পুলিশ। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনার প্রতিবাদে রোববার রাতেই হাজারো মানুষ বিক্ষোভ করতে রাস্তায় নেমে আসে। সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করে তারা। বিক্ষোভকারীদের ঠেকাতে টিয়ার গ্যাস ছোড়ে পুলিশ। জারি হয় কারফিউ। তবে কারফিউ উপেক্ষা করেই সোমবার রাতে আবারও রাস্তায় নামে বিক্ষোভকারীরা। কোর্টহাউসের সামনে জড়ো হয়ে তারা স্লোগান দিতে থাকে। পুলিশ সদস্যদের লক্ষ্য করে বোতলও ছুড়ে মারে তারা। এর কিছুক্ষণ পরই রাস্তায় ন্যাশনাল গার্ড সদস্যদেরকে টহল দিতে দেখা যায়। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়,রোববার রাতে কেনোসা শহরে গাড়িতে ওঠার জন্য ২৯ বছর বয়সী জ্যাকব ব্লেক যখন হেঁটে যাচ্ছেন তখন তাকে অনুসরণ করছে দুই পুলিশ সদস্য। ব্লেক গাড়ির দরজা খোলার সাথে সাথে তার পিঠে গুলি করে তাদেরই একজন। সেসময় গাড়ির ভেতরে বসে থাকা তার তিন সন্তান পুরো ঘটনা দেখতে পায়। সোমবার ব্লেকের বাবা জানিয়েছেন,তার ছেলের শরীরে অস্ত্রোপচার হয়েছে। এখন তার অবস্থা স্থিতিশীল আছে।#






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply