sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » ধানমণ্ডি-৩২ শোষিত-নিপীড়িত মানুষের ঠিকানা




 ধানমণ্ডি-৩২ শোষিত-নিপীড়িত মানুষের ঠিকানা (ভিডিও)


বাংলাদেশের ইতিহাসের সাথে মিশে আছে ধানমন্ডি-৩২ নম্বরের বঙ্গবন্ধু ভবন। আবার এই ইতিহাসে আছে বিষাদমাখা একটি রাতের রক্তাক্ত অধ্যায়। এই বাড়িটিই ছিলো বাঙালির আপন ঠিকানা। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বপরিবারে হত্যার পর বাড়িটি গুড়িয়ে ফেলার অপচেষ্টাও চালিয়েছে সামরিক, স্বৈরাচারি শাসকেরা। প্রজন্মকে ইতিহাসের সত্য জানাতে ধানমণ্ডি ৩২ নম্বর এখন জাদুঘর। 


ধানমণ্ডি ৩২, প্রায় ৬০ বছর ধরে দাঁড়িয়ে আছে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে। ১৯৬১ সালের পহেলা অক্টোবর স্বাধীন বাংলার স্বপ্নদ্রষ্টা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পরিবার নিয়ে এই বাড়িতে ওঠেন। তখন থেকেই বাড়িটি হয়ে উঠলো শোষিত-নিপীড়িত মানুষের ঠিকানা। 


১৯৬৬ সালের ৬ দফা আন্দোলন, ১৯৬৯ এর গণ অভ্যুত্থান আর ১৯৭০ এর নির্বাচনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত যেত এই বাড়ির বৈঠকখানা থেকেই। একাত্তরের ৭ই মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণামন্ত্র এই বাড়িতেই। 


পাকিস্তানিদের হাতে গ্রেফতার হওয়ার আগে এ বাড়ি থেকেই স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু। পাকিস্তানের কারাগারে বঙ্গবন্ধুকে নেয়ার পর পরিবারের আর সবাইকে এই ৩২ নম্বরেই বন্দি রাখা হয়। 


’৭২ এর ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু দেশে ফিরে স্বজনদের অপেক্ষার অবসান করেন এই বাড়িতেই। ’৭৫ এর ১৫ আগস্ট ৩২ নম্বরের এই বাড়িতেই সপরিবারে নিহত হন বঙ্গবন্ধু।


জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘরের সদস্য সচিব ও কিউরেটর নজরুল ইসলাম খান জানান, এই জমিটি পাওয়ার পর বঙ্গবন্ধুর স্ত্রী এখানে একটি ঘর তৈরির জন্য প্রচেষ্টা নেন এবং ঘর তৈরি শুরু করেন। বঙ্গবন্ধুর স্ত্রী নিজেই তদারকি করে এই বাড়িটির নির্মাণ কাজ শুরু করেন। এই বাড়িটা সমগ্র বাঙালি জাতির। এই বাড়িতে থেকেই নির্দেশনা দিয়ে দেশকে স্বাধীন করা হয়েছে। পেছনে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছেন বঙ্গবন্ধুর স্ত্রী। সেই সাথে সমর্থন যুগিয়েছেন সেই সময়ের সাড়ে সাত কোটি বাঙালিই শুধু না পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মানুষ। 


নির্বাসিত জীবন থেকে ফিরে এই বাড়িতেই চোখের জল ফেলেছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। ১৯৯৬ থেকে ঐতিহাসিক এই বাড়িটি বাংলার মানুষের। প্রজন্মকে ইতিহাস জানাতে ৩২ নম্বর এখন স্মৃতি জাদুঘর। 






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply