sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » কোভিড-১৯ : অর্থনীতি পুনরুদ্ধার ত্বরান্বিত করতে কৃষিতে নজর সরকারের




মৌলভীবাজারে ধান কাটার দৃশ্য। কোভিড-১৯-এ ক্ষতিগ্রস্ত জাতীয় অর্থনীতিতে দ্রুত গতি ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে ২০২০-২০২৩ মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনার আওতায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কৃষিতে মনোনিবেশ করতে যাচ্ছে সরকার। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২০-২১ অর্থবছর থেকে শুরু হয়ে ২০২২-২৩ অর্থবছরের মধ্যে কৃষিক্ষেত্রে বরাদ্দ হবে ৯৪১.৮১ বিলিয়ন টাকা। মোট অর্থের মধ্যে চলতি অর্থবছরের জন্য বরাদ্দ ২৭০.১৮ বিলিয়ন এবং ২০২১-২২ এবং ২০২২-২৩ অর্থবছরের জন্য যথাক্রমে ৩২০.০৭ বিলিয়ন এবং ৩৫১. ৫৭ বিলিয়ন টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০১৭-১৮, ২০১৮-১৯ এবং ২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য যথাক্রমে ১৯১.২৬ বিলিয়ন, ২৫০.৬২ বিলিয়ন এবং ২৯৯.৮০ বিলিয়ন টাকা বরাদ্দ ছিল। নথিতে বলা হয়, জিডিপিতে ১৩ শতাংশেরও বেশি অবদান রাখছে কৃষিক্ষেত্র, যা কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির মাধ্যমে গ্রামীণ জনগণের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। খাদ্য নিরাপত্তা, আয় ও কর্মসংস্থানের সুযোগ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে যাতে গ্রামীণ মানুষের জীবনযাত্রার উন্নতি হতে পারে। নথিতে বলা হয়, পরিবেশবান্ধব ও ব্যয়বহুল কৃষিপ্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি, কৃষির যান্ত্রিকীকরণ, নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং কৃষিজমির সম্প্রসারণ, কৃষি কাজে নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা, তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার ইত্যাদি বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নেরও উদ্যোগ রয়েছে। বর্তমানে সরকার আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি সংগ্রহের জন্য ৫০ শতাংশ ভর্তুকি, কৃষিজাত পণ্য রপ্তানির জন্য ২০ শতাংশ নগদ প্রণোদনা এবং স্বল্প সুদে কৃষকদের ঋণ দিচ্ছে। সরকার কৃষি খাতে কোভিড-১৯-এর বিরূপ প্রভাব মোকাবিলার জন্য এরমধ্যে বিভিন্ন প্রণোদনা ঘোষণা করেছে। নথিতে বলা হয়, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় নিরাপদ, পর্যাপ্ত ও স্বাস্থ্যকর প্রাণিজ প্রোটিন নিশ্চিত করতে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। ২০২০-২০২৩ সময়কালের নথিতে বলা হয়, প্রাণিজ প্রোটিন বৃদ্ধি এবং এর জাত উন্নত করার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। এদিকে, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় নদী-খাল খনন ও পুনঃখনন, অবকাঠামো নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ এবং হাওরের উন্নয়নে সর্বাধিক জোর দেবে। বাংলাদেশ ডেল্টা পরিকল্পনা-২১০০ অনুযায়ী, ছোট নদী, খাল ও পুকুর পুনঃখননের জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে জলবায়ু স্মার্ট ইন্টিগ্রেটেড কোস্টাল রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট ডেটাবেজ স্থাপনের জন্য আরো একটি উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নথি অনুযায়ী, টেকসই পরিবেশ এবং কাঙ্ক্ষিত বনায়ন নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে সরকার বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বার্থে জলবায়ু পরিবর্তনের মোকাবিলাকেও সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে। সরকার টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা এবং ডেল্টা পরিকল্পনা-২১০০ অনুযায়ী জলবায়ুর আর্থিক কাঠামোর নতুন সংস্করণ তৈরি করবে। জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশ দূষণ হ্রাস, জীব বৈচিত্র্যের বিকাশ এবং দেশের উপকূলীয় এলাকাগুলোতে ম্যানগ্রোভ বন বৃদ্ধি করার জন্য অভিযোজন ও প্রশমন করা জন্য বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। নথি অনুযায়ী আরো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, বন সংরক্ষণের জন্য সরকার এ সময়কালে ১৮ হাজার একর জমির ম্যানগ্রোভ বন তৈরির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply