sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » ফাইনালে কোন কৌশলে খেলবে বায়ার্ন-পিএসজি?




ফাইনালে কোন কৌশলে খেলবে বায়ার্ন-পিএসজি?

টুর্নামেন্টের ৫ বারের চ্যাম্পিয়নদের সঙ্গে প্রথমবার ফাইনালে ওঠা দলের খেলা। পরিসংখ্যানের এ অবস্থার কারণে, শুরুর আগেই একপেশে ম্যাচ হবে কি না, তা নিয়ে ভাবনায় সমর্থকরা। কিন্তু ডাগ আউটে বসে থাকা দুই জার্মানের জন্য এটা যে জীবন-মরণ লড়াই। কি হতে চলেছে ফাইনালে? কোন ফর্মেশনেই বা শিষ্যদের খেলাবেন ফ্লিক-টাচেলরা? ৫ শিরোপা জিততে এখন পর্যন্ত ১০ বার ফাইনাল খেলেছে বায়ার্ন মিউনিখ। সফলতার হার ৫০ ভাগ। আরেকবার ট্রফি নিয়ে মিউনিখের রাস্তায় উৎসব করতে অপেক্ষা এখন কিছু মুহূর্তের। অন্যদিকে, বছরের পর বছর ফ্রেঞ্চ লিগে দাপট দেখালেও, ইউরোপীয় মঞ্চে একেবারেই শিশু প্যারিস সেইন্ট জার্মেই। তবে, আন্ডারডগ তকমাটাও অনেক সময় মানসিকভাবে এগিয়ে দেয় অনেককে। শুরুতে কিছু তত্ত্বগত মিল-অমিলের কথা বলা যাক। ডাগ আউটে দুর্দান্ত একটা মিল আছে দু'দলেরই। টাচেল এবং ফ্লিক জাতীয়তায় দুজনই জার্মান। তবে, কোচিং ক্যারিয়ার বিবেচনায় নিলে এগিয়ে থাকবে ফ্রেঞ্চরাই। ২০১৮'তে দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে দলকে দুটি লিগ ওয়ান জিতিয়েছেন থমাস টাচেল। এ মৌসুমে লিগের পাশাপাশি ঘরে তুলেছেন ফরাসি কাপ এবং লিগ কাপের শিরোপা। অন্যদিকে, মৌসুমের মাঝামাঝি বায়ার্নের দায়িত্ব নিয়ে বুন্দেসলিগা এবং জার্মান কাপ জিতেছেন ডিয়েটর ফ্লিক। ফাইনাল ম্যাচে দুই কোচকে ফর্মেশন নিয়ে কাঁটাছেড়া করতে হবে বিস্তর। প্রথাগত ৪-৪-২ ফর্মেশনে দল সাজাতে ভালোবাসেন টাচেল। কিন্তু খেলোয়াড়দের ইনজুরি নিজের শক্তির জায়গা থেকে সরে আসতে বাধ্য করেছে তাকে। কোয়ার্টারে নেইমারকে মাঝে রেখে ৪-৩-১-২ ফর্মেশনে খেলেছে পিএসজি। বদলি হিসেবে মাঠে নেমেছিলেন মাওরো ইকার্দি। তবে, আটালান্টার বিপক্ষে কষ্টার্জিত জয়ে আবারো দলকে ভেঙেচুড়ে সাজান জার্মান বস। সেমিফাইনালে নেইমার জুনিয়রকে ফলস নাইনে নিয়ে আসেন তিনি। দল খেলে ৪-৩-৩ ফর্মেশনে। এ টোটকায় ম্যাচ ফলাফল নিজেদের পকেটে থাকায় ফাইনালেও একই কৌশল অবলম্বন করতে পারেন তিনি। ফর্মেশন নিয়ে অবশ্য খুব একটা চিন্তা নেই ফ্লিকের। বোয়েটাং আর পাভার ছাড়া ম্যাচ ফিট আছেন সবাই। স্টেরিওটাইপ চিন্তা থেকে তাই বের হওয়ার চান্স খুব কম বাভারিয়ান কোচের। তার ভরসার নাম ৪-২-৩-১ ফর্মেশন। যেখানে দুই ফুল ব্যাকের সঙ্গে মিডফিল্ডে থাকা দুজনের তাল মিল হলে, দুরন্ত গতি পাবে দুই উইং। আর সেটা ঠিকঠাক হলে মাঠ বড় করে খেলতে পারবেন পেরিসিচ এবং গ্যানাব্রি। গোলের সুযোগ বেড়ে যাবে মুলার-লেওয়ানডোস্কির। বেঞ্চের ফুটবলাররাও বড় শক্তি হ্যান্সি ফ্লিকের। প্রয়োজন হলেই সুপার সাবের ভূমিকায় নামাতে পারবেন কিংসলে কোম্যান এবং ফিলিপ্পো কৌতিনহো। পজিশন মাথায় রেখে দু দলের সার্বিক দিক বিশ্লেষণ করলে এগিয়ে থাকবে বায়ার্ন মিউনিখ। পোস্টের নিচে কেইলর নাভাস কিংবা রিকোর চেয়ে অনেক বেশি নির্ভরশীল ম্যানুয়েল ন্যয়ার। রক্ষণভাগেও একই দশা। সিলভা, বেরনাট, কিমপেম্বে, কেহরারের চেয়ে অভিজ্ঞতায় পিছিয়ে থাকলেও, গতি আর স্কিলে এগিয়ে আছেন ডেভিস, আলাবা, সুলে আর কিমিচ। মাঝমাঠের লড়াইটা হবে জম্পেশ। এখানে কেউ কাউকে ছাড় দেবে না এক চুল। গোরেতজেকা, থিয়েগো, পেরিসিচ-গ্যানাব্রির বিপরীতে দাঁড়াবেন ভেরাত্তি, হেরেরা, ডি-মারিয়া, মারকুইনহোস। আর ফরোয়ার্ড লাইনে মূল লড়াইয়ে থাকবেন লেওয়ানডোস্কি এবং নেইমার। তবে, মুলার কিংবা এমবাপ্পে কাউকে যদি ভুলে যান তাহলে বড় খেসারত দিতে হবে প্রতিপক্ষকে।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply