sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » মার্কিন ব্যর্থতা প্রমাণ করেছে তারা বিশ্বে একা হয়ে পড়েছে: পম্পেও’র ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া




 

মার্কিন ব্যর্থতা প্রমাণ করেছে তারা বিশ্বে একা হয়ে পড়েছে: পম্পেও’র ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ২২৩১ নম্বর প্রস্তাব অনুযায়ী চলতি বছর অক্টোবরে ইরানের বিরুদ্ধে আরোপিত অস্ত্র নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ হতে চলেছে। এ কারণে গত বছর থেকেই মার্কিন সরকার ওই নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এ লক্ষে ওয়াশিংটন ইরানের বিরুদ্ধে কূটনৈতিক ও মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ শুরুর পাশাপাশি বহুদিন ধরে নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য দেশগুলোর ওপর প্রবল চাপ সৃষ্টি করে আসছিল। কিন্তু তারপরও শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়েছে। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে ইরানের বিরুদ্ধে অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখার মার্কিন প্রস্তাবের ওপর গতকাল ভোটাভুটি হয়েছে এবং আমেরিকা চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে। আমেরিকার পক্ষ থেকে উত্থাপিত প্রস্তাবে ১১ দেশ ভোট দেয়া থেকে বিরত থেকেছে; আর এর পক্ষে ও বিপক্ষে ভোট পড়েছে দু’টি করে। আমেরিকা ও ডোমিনিকান রিপাবলিক প্রস্তাবটির পক্ষে এবং চীন ও রাশিয়া এর বিপক্ষে ভোট দিয়েছে। বাকি কোনো দেশ ভোটাভুটিতে অংশ নেয়নি। ইরান বিরোধী প্রস্তাব পাশ করতে ব্যর্থ হওয়ায় মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ হয়েছেন। তিনি এক বিবৃতিতে বলেছেন, বিশ্বে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের। কিন্তু আজ এ দায়িত্ব পালনে পরিষদ ব্যর্থ হয়েছে এবং এর কোনো ব্যাখ্যা থাকতে পারে না। পর্যবেক্ষকরা বলছেন, নিরাপত্তা পরিষদে ওয়াশিংটনের বেআইনি আবদার প্রত্যাখ্যাত হওয়ায় পম্পেও’র ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া থেকে বোঝা যায় নিরাপত্তা পরিষদসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোতে আমেরিকা নিজেকে একক কর্তৃত্বের অধিকারী বলে মনে করে। অথচ নিরাপত্তা পরিষদের ভোটাভুটিতে প্রমাণিত হয়েছে, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আমেরিকার কোনো গ্রহণযোগ্যতা নেই এবং তারা একঘরে হয়ে পড়েছে। এমনকি ইউরোপীয় মিত্ররা পর্যন্ত আমেরিকাকে সমর্থন করেনি। অবস্থা এমন যে আন্তর্জাতিক এসব সংস্থা যখনই আমেরিকার দাবি বা লক্ষ্য পূরণে কোনো পদক্ষেপ নেয় কেবল তখনই তা ভাল আর যদি মার্কিন উদ্দেশ্য সাধিত না হয় তাহলে এ সংস্থাগুলো ওয়াশিংটনের দৃষ্টিতে খারাপ ও দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ। সম্প্রতি এ ধরনের অভিযোগ তুলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বেশ কিছু আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকে বেরিয়ে এসেছে। নিরাপত্তা পরিষদে ইরান বিরোধী মার্কিন প্রস্তাব পাশে ব্যর্থতা থেকে আরেকটি বিষয় ফুটে উঠেছে তা হচ্ছে ইউরোপীয় মিত্ররাও ইরানের বিরুদ্ধে অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখার বিষয়টি মেনে নেয়নি। কারণ ব্রিটেন, ফ্রান্স ও জার্মানি মনে করে এটি মেনে নেয়ার অর্থ হচ্ছে পরমাণু সমঝোতাকে পুরোপুরি জলাঞ্জলি দেয়া। ফ্রান্স সরকার এক বিবৃতিতে বলেছে, তারা মার্কিন প্রস্তাবে সমর্থ না দিয়ে ভোট দানে বিরত ছিল। কারণ ইরান বিরোধী অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকলে এর যে ভয়াবহ পরিণতি দেখা দেবে তা মোকাবেলার কোনো উপায় নেই। তা ছাড়া নিরাপত্তা পরিষদে যেহেতু মার্কিন প্রস্তাবে সমর্থন মেলেনি সে কারণে ওই প্রস্তাব আঞ্চলিক নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় তূমিকা নাও রাখতে পারে। অন্যদিকে চীন ও রাশিয়া মার্কিন প্রস্তাবের বিরুদ্ধে ভোট দেয়া থেকে বোঝা যায় আন্তর্জাতিক রাজনীতির ধরন পাল্টে যাচ্ছে এবং মার্কিন বেআইনি কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সবাই সোচ্চার। #






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply