sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » করোনার পর তুর্কি খিলাফত প্রতিষ্ঠার শঙ্কা এফএআই সভাপতির





করোনার পর তুর্কি খিলাফত প্রতিষ্ঠার শঙ্কা এফএআই সভাপতির করোনার পর তুর্কি খিলাফত প্রতিষ্ঠার শঙ্কা এফএআই সভাপতির তুরস্কে ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান ও জাদুঘর আয়া সোফিয়াকে মসজিদের রুপান্তরের পর এখন তুর্কি খেলাফত প্রতিষ্ঠা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টা ধর্মনিরপেক্ষতা বাতিল বা খিলাফত পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা চেষ্টার একটি অংশ কিনা এমন প্রশ্ন উঠছে। সংবাদমাধ্যম এএনআইয়ের খবরে বলা হয়েছে, ফ্রন্টিয়ার অ্যালায়েন্স ইন্টারন্যাশনালের (এফএআই) মিশনের সভাপতি ডাল্টন থমাস বলেছেন, এরদোগান প্রকাশ্যে ইসলামিক রাষ্ট্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছেন। থমাস এক টুইট বার্তায় বলেছেন, 'তুরস্কের প্রেসিডেন্ট প্রকাশ্যে ইসলামিক রাষ্ট্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং পাশাপাশি দেশটির প্রাচীন সীমানা পুনরুদ্ধার এবং জেরুজালেম বিজয়ের আহ্বান জানাচ্ছেন। বিশ্ব যখন করোনার ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি থেকে জেগে উঠবে, তখন আমরা আবার খিলাফতের মুখোমুখি হবো।' এর আগে, গত মাসের ১০ জুলাই বিতর্কিতভাবে প্রায় ১৫০০ বছরের আয়া সোফিয়াকে যাদুঘরে রূপান্তর করার বিষয়টি তুরস্কের একটি শীর্ষ আদালত অবৈধ বলে রায় দেয় এবং পরে এরদোগান সরকার এই যাদুঘরকে মসজিদ হিসাবে ব্যাবহার করার ঘোষণা দেন। সাম্প্রতিক এক বক্তব্যে এরদোগান বলেন, 'আয়া সোফিয়ার পুনরুত্থান উপস্থাপন করে যে বিশ্বজুড়ে মুসলমানদের এই ইচ্ছার পদক্ষেপ আন্তঃসংযোগ থেকে বেরিয়ে আসার জন্য, এবং এটি শুধু মুসলমানের জন্য নয়, সকল নিপীড়িত, অবিচার ও শোষিতদের জন্য। থমাস এটিকে তুরস্কের ধর্মনিরপেক্ষতাবাদের লঙ্ঘন ও ধ্বংস হিসাবে বর্ণনা করেছেন। তিনি একটি ভিডিওতে বলেন, ‘এটি তুরস্কের অভ্যন্তরে একটি ইসলামিক পুনর্জাগরণ ঘটেছে। এটিই ধ্বংসকারী এবং ধর্মনিরপেক্ষতাবাদী তুরস্কের দেশকে মধ্যপ্রাচ্য নিয়ন্ত্রণকারী একটি ইসলামিক রাষ্ট্র হিসাবে তার মূল গঠনে ফিরিয়ে আনার পুনর্নির্মাণ।’ প্রসঙ্গত, বিশ্ব ঐতিহ্য আয়া সোফিয়া দেখতে প্রতি বছর ইস্তাম্বুলে পর্যটকদের প্রচুর ভিড় হয়। সারা বিশ্ব থেকেই এখানে পর্যটকরা আসেন আয়া সোফিয়া দেখতে। বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের সময় ক্যাথেড্রাল হিসেবে স্থাপনাটি প্রথম নির্মাণ করা হয়। কিন্তু ১৪৫৩ সালে অটোমানরা কনস্টান্টিনোপল জয় করার পর আয়া সোফিয়াকে মসজিদে রূপান্তরিত করে। এরপর ১৯৩৪ সালে তুরস্ক সরকার এটিকে জাদুঘরে পরিণত করেন। কিন্তু ১০ জুলাই তুরস্কের শীর্ষ আদালত দ্য কাউন্সিল অব স্টেটের সিদ্ধান্তে আয়া সোফিয়াকে আবার মসজিদে রূপান্তরিত করা হয়।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply