sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » ধোনিকে নরেন্দ্র মোদির চিঠি




 

ধোনিকে নরেন্দ্র মোদির চিঠি সোশ্যাল মিডিয়ায় খুব একটা সরব ছিলেন না ভারতের সর্বকালের সেরা অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি। অথচ নিজের জীবনের সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্তটা নিতে সোশ্যাল মিডিয়াকেই বেছে নিলেন তিনি। ইনস্টাগ্রামের এক পোস্টে তিনি জানিয়ে দেন ভারতের জার্সি গায়ে আর মাঠে নামবেন না। ধোনির অবসর ঘোষণা লাখো কোটি ভক্তকে কাঁদিয়েছে। ক্রিকেট দুনিয়ার সাবেক এবং বর্তমান তারকারা তার প্রশংসায় পঞ্চমুখ। বলিউড থেকে শুরু করে বিভিন্ন ফিল্ডের মানুষ ধোনিকে নিয়ে আবেগী পোস্ট দিচ্ছেন। বাদ যাচ্ছেন না রাজনীতিবিদরাও। এবার খোদ ভারতের প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘ এক চিঠি লিখেছেন
ধোনিকে। ‘ক্যাপ্টেন কুল’-এর উদ্দেশ্যে আবেগে ভরা দু’পাতার চিঠি তিনি লিখেছেন লিখেছেন, আপনার ট্রেডমার্ক ও অদম্য স্টাইলে যে ভিডিওটি আপনি শেয়ার করেছেন তা পুরো দেশের কাছে অনুরাগের ও আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠার জন্য যথেষ্ট ছিল। আপনার বিদায়ে ১৩০ কোটির দেশ হতাশ ও ব্যথিত। কিন্তু আপনি ভারতীয় ক্রিকেটের জন্য যা করেছেন তার জন্য সকলে চিরকাল কৃতজ্ঞ থাকবে। প্রধানমন্ত্রীর চিঠি এরপর টুইটারে পোস্ট করে তাকে ধন্যবাদ জানাতে ভোলেননি মহেন্দ্র সিং ধোনি। তিনি লেখেন, একজন শিল্পী, সৈনিক ও খেলোয়াড় শুধুমাত্র প্রশংসা আশা করে। তারা চায় কঠোর পরিশ্রম ও ত্যাগ যেন সবার নজর কাড়ে ও প্রশংসিত হয়। এই প্রশংসা ও শুভকামনার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে অনেক ধন্যবাদ। এদিকে ভারতীয় বেশ কিছু সংবাদের খবরে ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে, অবসরে যাওয়া ধোনি রাজনীতিতে পা রাখছেন প্রতিবেশি দুই দেশ পাকিস্তানের ইমরান খান এবং বাংলাদেশের মাশরাফি বিন মুর্তজার মতো। দেশকে বিশ্বকাপ জিতিয়ে তুমুল জনপ্রিয় হওয়া ইমরান খান এখন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকা মাশরাফিও জড়িয়েছেন রাজনীতিতে। গেল নির্বাচনেই নিজ এলাকা নড়াইল-২ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। ভারতেও ব্যাপক জনপ্রিয় 'ক্যাপ্টেন কুল ধোনি' কি সে পথেই আছেন? দুইয়ে দুইয়ে চার মেলানোর মতো সুযোগও করে দিয়েছেন ধোনি। অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন ভারতের স্বাধীনতা দিবসে। অনেকে বলছেন, স্বাধীনতা দিবসে চাপমুক্ত হতে চেয়েছেন ধোনি। আবার অনেকেই মনে করেন, রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনা করেই দেশের স্বাধীনতা দিবসকে মহাগুরুত্বপূর্ণ এই সিদ্ধান্ত জানানোর জন্য উপযুক্ত দিন ভেবেছেন তিনি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বলার পর ভারতে গুঞ্জন শুরু হয়েছে, অবসরকালীন সময়ে কি করবেন ধোনি? প্রশ্নের উত্তরে তার দীর্ঘদিনের বন্ধু এবং ব্যবসায়িক পার্টনার অরুন পান্ডে বলেছেন, আর্মি ক্যাম্প এবং ব্যবসাতেই এবার মনোযোগী হবেন ধোনি। তবে তার এই কথাতেই সব গুঞ্জন থেমে যাচ্ছে না। অবসরের ঘোষণা দেয়ার পর ক্রিকেট বিশ্বের প্রায় সবাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ধোনিকে নিয়ে বিভিন্ন স্মৃতিচারণ করেছেন। তার পরবর্তী জীবন নিয়ে শুভকামনাও জানিয়েছেন। সেপথে হেঁটেছেন ভারতীয় রাজনীতিবিদরাও। ভারতের সরকার দলীয় (বিজেপি) সাংসদ সুব্রহ্মণ্যম স্বামী টুইটারে লিখেছেন, ধোনি ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন, তবে সবকিছু থেকে নয়। প্রতিকূলতার মধ্যেও তার লড়াই করার ক্ষমতা, দলকে নেতৃত্ব দেয়ার দক্ষতা আমরা ক্রিকেট মাঠে দেখেছি। বাস্তব জীবনে সেটি বেশ প্রয়োজন। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ধোনির লড়াই করা উচিত বলেও লিখেছেন বিজেপির এই সাংসদ। তার এই টুইটের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জোর গুঞ্জন, বিজেপিতে যোগ দিতে যাচ্ছেন মাহেন্দ্র সিং ধোনি। ধোনিকে নিয়ে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের করা টুইটটিও এই গুঞ্জনের পালে হাওয়া দিচ্ছে। টুইটে অমিত শাহ লেখেন, নিজের খেলা দিয়ে ধোনি লাখ লাখ মানুষকে আনন্দ দিয়েছে। আশা করছি, আগামী দিনে ভারতীয় ক্রিকেটকে আরও অনেক শক্তিশালী করে তুলতে এগিয়ে আসবেন তিনি। তার ভবিষত্যের জন্য অনেক শুভেচ্ছা রইল। রাজনীতিবিদদের এমন টুইটের পর অনেকেরই ধারণা, ক্ষমতাসীন দলে যোগ দিতে যাচ্ছেন ভারতীয় অধিনায়ক। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভারতীয়রাও ধোনিকে রাজনীতিতে দেখতে চান বলে জানিয়েছেন। অনেকে আবার বলছেন, ধোনিকে ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান তারা। এখন দেখার বিষয়, উপমহাদেশের তুমুল জনপ্রিয় দুই অধিনায়কের মতোই শেষপর্যন্ত রাজনীতির পথেই হাঁটেন কিনা ভারতের সর্বকালের সেরা অধিনায়ক মাহেন্দ্র সিং ধোনি।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply