sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » সিনহা হত্যা মামলায় এপিবিএনের ৩ সদস্যের ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর




 

সিনহা হত্যা মামলায় এপিবিএনের ৩ সদস্যের ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর কক্সবাজারে অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার এপিবিএনের তিন সদস্যকে আজ মঙ্গলবার দুপুরে কক্সবাজারের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে র‍্যাব। ি কক্সবাজারে অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) তিন সদস্যের সাত দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার দুপুরে কক্সবাজারের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফারাহ এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শুনানির পর আদালত থেকে বেরিয়ে সিনহা হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও র‍্যাবে কর্মরত সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার খায়রুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে গতকাল সোমবার রাত ১০টার দিকে কক্সবাজারে কর্মরত এপিবিএন-১৪-এর সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) শাহজাহান, কনস্টেবল রাজীব ও আবদুল্লাহকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কক্সবাজারে র‌্যাব-১৫-এর কার্যালয়ে নেওয়া হয়। সেখানে জিজ্ঞাসাবাদে সিনহা হত্যাকাণ্ডে তাঁদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়। পরে তাঁদের হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। আজ সকালে তাঁদের তিনজনকে কক্সবাজার আদালতে হাজির করে ১০ দিন করে রিমান্ডের আবেদন করে সিনহা হত্যা মামলার তদন্তকারী সংস্থা র‍্যাব। নতুন গ্রেপ্তার হওয়া তিনজন গত ৩১ জুলাই রাতে টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুরে এপিবিএনের চেকপোস্টে দায়িত্ব পালন করেছেন। ওই চেকপোস্টে বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক লিয়াকত আলীর গুলিতে নিহত হন অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান। ঘটনার পর পুলিশ বাদী হয়ে টেকনাফ থানায় দুটি আর রামু থানায় একটি মামলা করে। এর আগে র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ জানান, ঘটনার দিন এপিবিএনের ওই তিন সদস্য দায়িত্ব পালন করেছেন। এ কারণে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁদের আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের সময় তাঁদের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। এ কারণে সিনহা হত্যা মামলায় তাঁদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তাঁদের আরো জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে। সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খানকে গুলি করে হত্যার অভিযোগে গত ৫ আগস্ট কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হত্যা মামলা করেন সিনহার বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস। এতে নয়জনকে আসামি করা হয়। আসামিরা হলেন টেকনাফ থানার বরখাস্ত হওয়া ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ, টেকনাফের বাহারছড়া শামলাপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের প্রত্যাহার হওয়া পরিদর্শক লিয়াকত আলী, উপপরিদর্শক (এসআই) নন্দদুলাল রক্ষিত, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) লিটন মিয়া, পুলিশ কনস্টেবল সাফানুর রহমান, কামাল হোসেন, আবদুল্লাহ আল মামুন, মো. মোস্তফা ও এসআই টুটুল। এঁদের মধ্যে আসামি মোস্তফা ও টুটুল পলাতক। বাকিদের গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। এ ছাড়া পুলিশের করা মামলার তিন সাক্ষীকে সিনহা হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখায় র‍্যাব। ঘটনার পর কক্সবাজার পুলিশ জানায়, সিনহা হত্যা মামলায় মোস্তফা ও টুটুল নামে যে পুলিশ সদস্যদের কথা বলা হয়েছে, এই নামে তাদের কোনো পুলিশ সদস্য নেই। এদিকে, অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলার আসামি টেকনাফ থানার বরখাস্ত হওয়া ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ, টেকনাফের বাহারছড়া শামলাপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের প্রত্যাহার হওয়া পরিদর্শক লিয়াকত আলী ও উপপরিদর্শক (এসআই) নন্দদুলাল রক্ষিতকে আজ রিমান্ডে নিয়েছে র‍্যাব। র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ গতকাল রাতে এনটিভি অনলাইনকে বলেন, ‘শিপ্রা দেবনাথের ল্যাপটপ, মোবাইল, ক্যামেরা, হার্ডডিস্কসহ মোট ২৯টি সামগ্রী রামু থানা থেকে নিজেদের জিম্মায় নেওয়ার জন্য আদালতে আবেদন করা হয়েছিল। আদালত আমাদের অনুমতিও দিয়েছেন। আমরা রামু থানায় যোগযোগ করছি। তারা দিয়ে দিলেই আমরা জিনিসগুলো বুঝে নেব।’ এদিকে গতকাল সিনহা হত্যা মামলার ১ নম্বর আসামি বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের প্রত্যাহার হওয়া পরিদর্শক লিয়াকত আলী ও এসআই নন্দদুলাল রক্ষিতের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গঠিত তদন্ত কমিটি। গতকাল রাতে তদন্ত কমিটির প্রধান চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) মিজানুর রহমান এনটিভি অনলাইনকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘তদন্ত কমিটি এর আগে এ মামলার আসামি আরো সাতজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে।’ তাঁরা হলেন বাহারছড়া শামলাপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের প্রত্যাহার হওয়া সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) লিটন মিয়া, পুলিশ কনস্টেবল সাফানুর রহমান, কামাল হোসেন, আবদুল্লাহ আল মামুন, পুলিশের মামলার সাক্ষী মো. নুরুল আমিন, মো. নেজামুদ্দিন ও মোহাম্মদ আয়াছ। তদন্ত কমিটির সদস্য হিসেবে আরো আছেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ জাকির হোসেন, মোহাম্মদ শাজাহান আলী ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রতিনিধি সদস্য লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাজ্জাদ। কমিটির সদস্যরা গত রোববার গণশুনানি করে সাধারণ মানুষসহ বিভিন্ন সংস্থার মোট ৬৯ জনের বক্তব্য নেন। শুনানিতে নয়জন সাধারণ মানুষ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সরকারি-বেসরকারি সংস্থার ৬০ জনের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়। আগামী ২৩ আগস্টের মধ্যে রিপোর্ট জমা দেওয়ার আশা করেছেন তদন্ত কমিটির প্রধান।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply