sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » গোলের ম্যাচে বার্সাকে যেন ‘ফুটবল শেখাল’ বায়ার্ন




 

১০ গোলের ম্যাচে বার্সাকে যেন ‘ফুটবল শেখাল’ বায়ার্ন পর্তুগালের লিসবনে বার্সেলোনাকে ৮–২ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে জার্মান জায়ান্ট বায়ার্ন মিউনিখ। দুটি করে গোল করেছেন থমাস মুলার ও ফিলিপে কৌতিনহো। এক গোল করে এসেছে সার্জি গানাব্রে, রবার্ট লেভানডোভস্কি, ইভান পেরিসিচ ও জোশুয়া কিমিচের থেকে। চতুর্থ কোয়ার্টারে শনিবার রাতে ম্যানচেস্টার সিটি ও অলিম্পিক লিওঁর মধ্যকার বিজয়ীকে সেরা চারে প্রতিপক্ষ পাবে বায়ার্ন। সেমির আরেক ম্যাচের দুই প্রতিপক্ষ ঠিক হয়ে গেছে, যাতে ফাইনালের টিকেট পেতে লড়বে পিএসজি ও লেইপজিগ। প্রতিযোগিতাটির ইতিহাসে প্রথম কোনো দল হিসেবে নকআউটে ৮ গোলের কীর্তি গড়ল বাভারিয়ানরা। ১৯৯০-৯১ মৌসুমে রিয়াল মাদ্রিদ এক ম্যাচে ৯ গোল দিয়েছিল প্রতিপক্ষকে, তখন টুর্নামেন্ট হতো ইউরোপিয়ান কাপ নামে। দুঃস্বপ্নের রাতে ৭৫ বছর আগের স্মৃতি ফিরিয়েছে বার্সা। ১৯৪৬ সালে কোপা ডেল রেতে স্প্যানিশ ক্লাব সেভিয়ার বিপক্ষে ৮ গোল হজম করেছিল কাতালানরা। তারপর শুক্রবার রাতে আবারও। আর ১৯৫১ সালের পর প্রথমবার ৬ গোলের পার্থক্যে হারল ন্যু ক্যাম্পের দলটি। শুক্রবার রাতে এক লেগের তৃতীয় কোয়ার্টারে চতুর্থ মিনিটেই লিড নেয় বায়ার্ন। পেরিসিচ-লেভানডোভস্কি বল দেয়া-নেয়া করে মুলারের দিকে ঠেলে দিতেই খাতা খুলতে ভুল করেননি জার্মান ফরোয়ার্ড। তিন মিনিট পরই অবশ্য সমতায় ফেরে বার্সেলোনা, প্রতিপক্ষের করা গোলে, ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ংয়ের শট থেকে যখন দলের জাল নিরাপদ রাখার চেষ্টায় বায়ার্নের ডেভিড আলাবা বল নিজেদের জালেই জড়িয়ে দেন। ম্যাচের ২২ মিনিটে ফের লিড নেয় বায়ার্ন। গানাব্রের বাড়ানো বলে জাল খুঁজে নেন পেরিসিচ। পাঁচ মিনিট পর গানাব্রে নিজেই স্কোরার। তার চার মিনিট পর জালের দেখা পেয়ে নিজের দ্বিতীয় গোলটি আনেন মুলার। একহালি খেয়ে হাঁপাতে হাঁপাতে বিরতিতে যায় বার্সা। ফিরে হজম করে আরেক হালি গোল। ম্যাচের ৫৭ মিনিটে দ্বিতীয়ার্ধের প্রথম গোলের দেখা পায় অবশ্য বার্সেলোনাই। আলবার বানিয়ে দেয়া বলে লুইস সুয়ারেজ ব্যবধান কমান। ওই শেষ। তারপর ফের নাস্তানাবুদ হওয়ার শুরু কিকে সেতিয়েনের দলের। সুয়ারেজের গোলের তিন মিনিট পর কিমিচ আবারও বায়ার্নের ব্যবধান বাড়ান। ৮২ মিনিটে জাল খুঁজে নেন দারুণ ফর্মে থাকা লেভানডোভস্কি। কৌতিনহোর বানিয়ে দেয়া বলে। চলতি আসরে পোলিশ তারকার ১৪তম চ্যাম্পিয়ন্স লিগ গোল। লেভার পর স্কোরশিটে নাম তোলেন কৌতিনহো। সেটিও দু-দুবার। ম্যাচের ৮৫ মিনিটে প্রথম ও ৮৯ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন বার্সার ছেলে কৌতি, এখন ন্যু ক্যাম্প থেকে ধারে বায়ার্নে খেলছেন ব্রাজিলিয়ান।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply