sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » ‘ঘুরে দাঁড়াচ্ছে বাংলাদেশের অর্থনীতি’, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদন




ঘুরে দাঁড়াচ্ছে বাংলাদেশের অর্থনীতি’, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদন

সারাবিশ্বে করোনার প্রকোপে বছরের শুরুতেই বিপর্যয়ের মুখে পড়ে দেশের সবচেয়ে বড় রফতানি খাত তৈরি পোশাক খাত। যেসময়টায় সবচেয়ে বেশি কার্যাদেশ পাওয়ার কথা, পুরো সময়টাই চলে যায় লকডাউনের মধ্যে। ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু শুরু করেছে সে খাত, দেশের অর্থনীতিকে গতিশীল করতে যে খাতের ভূমিকা সর্বোচ্চ। মহামারিতে বাংলাদেশের অর্থনীতি স্থিতিশীল অবস্থায় ফিরতে শুরু করায় এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা এপিসহ আন্তর্জাতিক বহু গণমাধ্যম। প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশের বাইরে প্রবাসী কর্মজীবীদের পাঠানো রেমিটেন্সের পরিমাণও উল্লেখযোগ্যহারে বেড়েছে। যা দেশের অর্থনীতির চাকাকে সচল করতে ভূমিকা রাখছে। এশিয় উন্নয়ন ব্যাংক চলতি সপ্তাহেই দেশের অর্থনীতির ইতিবাচক অবস্থা নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এডিবি বলছে, চলতি অর্থবছরে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হবে ৬ দশমিক ৮ শতাংশ। যা এপ্রিল মে মাসের পূর্বাভাসের চেয়ে অনেক বেশি ইতিবাচক। এসময়টায় মহামারীর কারণে বিশ্বের বিভিন্ন ক্রেতা দেশ ও প্রতিষ্ঠান দেশের তৈরি পোশাক খাতের প্রায় ৩শ’ কোটি ডলারের কার্যাদেশ বাতিল করেছিলো। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল এ খাতের সাথে সংশ্লিষ্ট ৪০ লাখ কর্মী আর হাজারো গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠান। এবিষয়ে বিজিএমইএ প্রেসিডেন্ট রুবানা হক এপি নিউজকে বলেন, দেশের তৈরি পোশাক খাত সংকট কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে। করোনার প্রকোপ কমলে পশ্চিমা বিশ্বের অবস্থা স্থিতিশীল হলে বাতিল হওয়া অর্ডারগুলোর ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ আবারো সচল করা সম্ভব। তৈরি পোশাক খাত থেকে বাংলাদেশের প্রতি বছর রফতানি আয় প্রায় সাড়ে ৩ হাজার কোটি ডলার। বৃহত্তম ক্রেতা দেশ ইউরোপ আর যুক্তরাষ্ট্র। তৈরি পোশাক রফতানিতে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে চীন। দেশের রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, জুলাইতে দেশের রফতানি শূন্য দশমিক ছয় শতাংশ বাড়ায় রফতানি হয়েছে প্রায় ৪শ’ কোটি ডলারের গার্মেন্টস পণ্য। অথচ এপ্রিলে ৮৩ শতাংশ নামায় রফতানি হয়েছিলো মাত্র ৫২ কোটি ডলারের গার্মেন্টস পণ্য। মে-জুন মাসের দিকে রফতানি বাড়ে ৩৬ শতাংশ। আগস্টে রফতানি গেলো বছরের চেয়ে বাড়ে ৪ দশমিক ৩ শতাংশ। রফতানি হয় প্রায় ৩শ’ কোটি ডলারের পণ্য। জুলাই আর আগস্ট মিলিয়ে গার্মেন্টস পণ্যের শিপমেন্ট হয় ৫শ’ ৭০ কোটি ডলারের। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে অনেক বেশি করোনা রোগী ধরা পড়লেও গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিগুলোতে পর্যাপ্ত নিরাপত্ত ব্যবস্থা জোরদার করায় খুব কম গার্মেন্টস কর্মী অসুস্থ হয়েছেন। গেলো ২৬ মার্চ দেশব্যাপী সাধারণ ছুটি ঘোষণার পর অন্তত ৩ মাস গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিগুলো বন্ধ থাকে। এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর মনমোহন প্রকাশ বলেন, বাংলাদেশ খুব ভালোভাবেই সংকট মোকাবেলা করেছে।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply