sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ সংযোগ পরীক্ষার নির্দেশ




সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ সংযোগ পরীক্ষার নির্দেশ

বিদ্যুৎ বিভাগের পক্ষ থেকে সকল বিতরণ কোম্পানির আওতাধীন এলাকায় মসজিদ-মন্দির ও অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের বিদ্যুৎ সংযোগ ও এসির অবস্থা পরীক্ষা করার জন্য নির্দেশ দিয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মন্ত্রণালয় থেকে এ নির্দেশ দেওয়া হয়। একইসাথে, মসজিদে এসি বিস্ফোরণের ঘটনায় তিতাসের মহাব্যবস্থাপক আব্দুল ওহাবের নেতৃত্বে ৫ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ কমিটি ৫ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন প্রদান করবে বলে জানানো হয়েছে। নারায়ণগঞ্জে মসজিদে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় জেলা প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস ও তিতাসের পক্ষ থেকে পৃথক তিনটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) পৃথক এ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। এদিকে শেখ হাসিনা বার্ন ইন্সটিটিউটে চিকিৎসাধীন ৩৭ জনের মধ্যে শিশু ও মসজিদের মুয়াজ্জিনসহ এখন পর্যন্ত ১৩ জন মারা গেছেন। ইন্সটিটিউটের প্রধান সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন গণমাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এ সময় তিনি আরও জানান, বাকিরাও রয়েছেন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। আরও পড়ুনঃ নারায়ণগঞ্জে মসজিদে ভয়াবহ বিস্ফোরণ: তিনটি তদন্ত কমিটি গঠন তিনি বলেন, আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দগ্ধদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা দেয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি গভীর শোকও প্রকাশ করেছেন। ডাক্তাররা জানিয়েছেন, সবারই অবস্থা সংকটাপন্ন, কমবেশি সবারই পুড়েছে শ্বাসনালী। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লা থানার পশ্চিম তল্লার বাইতুছ সালাত জামে মসজিদে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) এশার নামাজের সময় হঠাৎ বিকট শব্দে মসজিদের কাছের বৈদ্যুতিক ট্রান্সফর্মারে বিস্ফোরণ ঘটে। সঙ্গে সঙ্গে মসজিদের ভেতরে এসির বিস্ফোরণও ঘটে। মুহূর্তে মসজিদের ভেতরে আগুন ধরে যায়। আগুনের ফুলকি ছড়িয়ে পড়লে মুসল্লিরা দগ্ধ হতে থাকেন। দগ্ধ হন মসজিদের ইমাম মালেক আনসারী (৬৫) ও মুয়াজ্জিন দেলোয়ার হোসেন (৪৫), ফটো সাংবাদিক নাদিম হোসেনসহ (৪২) ৪০ জন। আহতদের প্রথমে নারায়ণগঞ্জ ১০০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে তাদের ঢাকা মেডিকেলের শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইন্সটিটিউটে ভর্তি করানো হয়। প্রাথমিকভাবে অনেকেই এসি বিস্ফোরণের ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করলেও মূলত তা গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে ঘটেছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস। আরও পড়ুনঃ নারায়ণগঞ্জ বিস্ফোরণে মৃতদের নামের তালিকা স্থানীয়দের অভিযোগ, তিতাসের গ্যাস কর্তৃপক্ষের গাফিলতি বিস্ফোরণের ঘটেছে। অনেকদিন ধরেই এ মসজিদের নিচে তিতাসের লাইনের লিকেজ থেকে গ্যাস বের হওয়ার গন্ধ পাওয়া যাচ্ছিল। এ নিয়ে বারবার অভিযোগ করেও কোন পদক্ষেপ না নেয়ার অভিযোগ করেন স্থানীয়রা। দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ফায়ার সার্ভিসের টিম। রাতেই ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক আবদুল্লাহ আল আরেফিন গণমাধ্যমকে জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দেখা গেছে মসজিদের নিচ দিয়ে গ্যাসের একটি পাইপ রয়েছে। ওই পাইপের লিকেজ দিয়ে মসজিদের ভেতরে গ্যাস জমে যায়। এর মধ্যে এসি চলার কারণে মসজিদের ভেতরে সবগুলো জানালা ও দরজা বন্ধ ছিল। ফলে নির্গত গ্যাস বের হতে পারেনি। তিনি বলেন, বিস্ফোরণের আগে কেউ হয়তো বাতি বা বিদ্যুতের কিছু জ্বালানোর সময় স্পার্ক করে। সেই স্পার্ক থেকেই বিস্ফোরণ ঘটে। সঙ্গে সঙ্গে সেটার কারণে এসি ও বাইরের ট্রান্সফরমারেও আগুন ধরতে পারে। আবদুল্লাহ আরেফিন বলেন, আমরা এখানে এসে প্রথমেই ধারণা করি এসিগুলো বিস্ফোরণের সঙ্গে বৈদ্যুতিক কারণের সংশ্লিষ্টতা কম। পরে মেঝেতে থাকা পানিতে গ্যাসের বুদবুদ উঠায় সন্দেহ হয়। এরপর দেখা যায়, মসজিদের নিচে দিয়ে তিতাস গ্যাসের অনেকগুলো লাইন গেছে। লাইনের পাইপগুলোর প্রতিটিতে একাধিক লিকেজ রয়েছে। সেই লিকেজের গ্যাস সবসময় মসজিদে উঠত। আরও পড়ুনঃ মসজিদে গ্যাস পেয়েছে ফায়ার সার্ভিস, অভিযোগ না পাওয়ার দাবি তিতাসের তিনি বলেন, নামাজের আগে থেকেই মসজিদ বন্ধ করে এসিগুলো চালু করার ফলে পুরো রুমেই এসি ও গ্যাস মিশে যায়। আর গ্যাসের ধর্মই হল বিস্ফোরণের অবস্থা তৈরি হলে বা কোনও আগুনের সংশ্লিষ্টতা পেলে এরা বিস্ফোরিত হয় বা জ্বলে উঠে। সেই সূত্র মতেই এই ঘটনা ঘটে। সেই সঙ্গে এসিগুলো বিস্ফোরিত হয় কারণ এসিতেও গ্যাস রয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের ওই কর্মকর্তা বলেন, আমরা ধারণা করে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষকে অবহিত করলে তারা দ্রুত এখানে এসে আমাদের ধারণাকে নিশ্চিত করে। তারা জানান, গ্যাসের লাইন থেকেই এ বিস্ফোরণ হয়েছে।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply