sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » প্রথমবার ইরাক সফরে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ




প্রথমবার ইরাক সফরে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ

প্রথমবারের মতো রাষ্ট্রীয় সফরে ইরাকের বাগদাদে পৌঁছেছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। দীর্ঘদিনের সংঘাতে বিপর্যস্ত দেশটির সার্বভৌমত্ব পুনরুদ্ধারে তিনি সহায়তা করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। মুস্তাফা আল কাদহিমি সরকার গঠনের পর ইরাকে কোনো বিদেশি রাষ্ট্র প্রধানের প্রথম সফরও এটি। তিনি দেশটির সাবেক গোয়েন্দা প্রধান ছিলেন। মে মাসে সরকার গঠন করেন মুস্তাফা। দায়িত্ব নেন প্রধানমন্ত্রীর। ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আল কাদহিমি এবং প্রেসিডেন্ট বারহাম কাসেমির সঙ্গে সাক্ষাতের কথা রয়েছে ম্যাক্রোঁর। বুধবার একদিনের সফরে বাগদাদে পৌঁছান তিনি। এমন সময় ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইরাক সফর করেছেন যখন যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটির অর্থনীতি ভেঙ্গে পড়েছে। করোনা মহামারী সেই পরিস্থিতিকে আরো দুর্বিষহ করে তুলছে। ইরাকের প্রধানমন্ত্রীর একজন উপদেষ্টা ম্যাক্রোঁর সফরকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে অভিহিত করেছেন। এক মাসের মধ্যে এ নিয়ে তৃতীয় ফরাসি কোনো কর্মকর্তার ইরাক সফর এটি। মঙ্গলবার লেবাননে দু’দিনের সফরের শেষদিন ম্যাক্রোঁ ইরাক সফরের কথা জানান। বলেন, দেশটির সার্বভৌমত্ব পুনরুদ্ধারে জাতিসংঘের সঙ্গে কাজ করবে প্যারিস। শুক্রবার লেবানন সফরের আগেও ইরাক ইস্যুতে কথা বলেন ম্যাক্রোঁ। বলেন, ইরাকের সার্বভৌমত্বের জন্য লড়াই অপরিহার্য। জঙ্গিগোষ্ঠী আইএস এবং আঞ্চলিক ক্ষমতার দ্বন্দ্ব ইরাকিদের ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে। তাদের জন্য অবশ্যই বিকল্প উপায় সন্ধানের প্রয়োজন। ইরাকি নেতারা এবং তাদের জনগণ পুরো পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন। তাদের ভাগ্য ফেরানোর দায়িত্ব কে নেবে? ম্যাক্রোঁ আরো বলেন, ফ্রান্স তাদের সহায়তা করবে। যেসব ফরাসি ইরাকে আইএসের হয়ে নৃশংসতা চালিয়েছে তাদের বিষয়েও কথা বলেন ম্যাক্রোঁ। ২০১৭ সালে আন্তর্জাতিক সহায়তায় পরাজিত হয় জঙ্গিগোষ্ঠীটি। ১০ জনের বেশি ফরাসি আইএস জঙ্গিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে ইরাকি আদালত। আধা স্বায়ত্তশাসিত কুর্দি অঞ্চলের প্রেসিডেন্ট নেছিরভান বারজানির সঙ্গেও সাক্ষাতের কথা রয়েছে ফরাসি প্রেসিডেন্টের। ২০১৭ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর কুর্দিদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের একটি সমঝোতার মধ্যস্থতার চেষ্টা করেছিলেন ম্যাক্রোঁ। কিন্তু আর্থিক এবং নিরাপত্তা বিষয়ে দু’পক্ষের মধ্যে মতবিরোধ থাকায় তা আর সম্ভব হয়নি। মার্কিন ইরান উত্তেজনা ২০০৩ সালে গণবিধ্বংসী অস্ত্রের মিথ্যে অজুহাতে ইরাকে হামলা চালায় মার্কিন প্রশাসন। প্রহসনের বিচারে ফাঁসি দেয়া হয় প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনকে। তারপর ক্ষমতার দ্বন্দ্বে দেশটিতে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। এ সুযোগে ছয় বছর আগে ইরাকের একটি অংশ দখলে নেয় জঙ্গিগোষ্ঠী আইএস। ওই সময় থেকে দেশটির মিত্র ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্র ইরাকে দীর্ঘ অবস্থান করছে। ২০১৮ সালে ইরানের পরমাণু চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্র বের হয়ে যাওয়ার পর ইরাক হয়ে উঠে তাদের ক্ষমতা প্রদর্শনের ক্ষেত্র। ২০১৫ সালে ইরানের সঙ্গে ওই চুক্তি সই হয়। ইউরোপের সঙ্গে চুক্তির অন্যতম অংশীদার ফ্রান্সও। যখন বাগদাদ-ওয়াশিংটন সম্পর্ক নিম্নমুখী তখন গেলো ৭ মে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে ক্ষমতায় আসেন আল কাদহিমি। আগের নেতাদের মতো তাকেও ইরাক-যুক্তরাষ্ট্রের শত্রুতা মোকাবিলা করে সামনে এগুতে হচ্ছে। জানুয়ারিতে মার্কিন হামলায় ইরানি কমান্ডার কাসেম সোলাইমানি এবং ইরাকি শীর্ষ মিলিশিয়া নেতা আবু মাহদি আল মুহান্দিসসহ বেশ কয়েকজন বাগাদাদে নিহত হয়। ওই সময় ইরাক থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের দাবিতে একজোট হন শিয়া আইনপ্রণেতারা। গেলো মাসে যুক্তরাষ্ট্র সফর করেন আল কাদহিমি। সেখানে তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করেন। ট্রাম্প বলেন, ইরাকের সরকারের বিরুদ্ধে দুর্বত্ত মিলিশিয়ারা হামলা চালাচ্ছে। তাদের প্রতিহত করতে নতুন সুরক্ষানীতি গ্রহণের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন তিনি।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply