sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » ব্যারিস্টার রফিক-উল হকের জানাজা জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে অনুষ্ঠিত




বায়তুল মোকাররমে জানাজা শেষে সুপ্রিম কোর্টে ব্যারিস্টার রফিক-উল হক

ত হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের প্রবীণ আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক-উল হকের দ্বিতীয় জানাজা জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এখন তাঁকে তাঁর প্রিয় কর্মস্থল সুপ্রিম কোর্টে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সেখানে তৃতীয় জানাজা শেষে বিকেলে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে। আজ শনিবার বাদ জোহর ব্যারিস্টার রফিকের জানাজা পড়ান বায়তুল মোকাররমের খতিব হাফেজ মুহিবুল্লাহ। সেখানে আত্মীয়স্বজন ছাড়াও সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। ব্যারিস্টার রফিক-উল হক আজ শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে রাজধানীর মগবাজারের আদ্-দ্বীন হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। সাবেক এই অ্যাটর্নি জেনারেলের বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর। ব্যারিস্টার রফিক-উল হকের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ও অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন শোক প্রকাশ করেছেন। ব্যারিস্টার রফিক-উল হকের প্রথম জানাজা সকাল সাড়ে ১০টায় আদ্-দ্বীন হাসপাতালে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এরপর শেষবারের মতো নিজের প্রিয় আবাস রাজধানীর পুরানা পল্টনের ৪৭/১ নম্বরের ‘সুবর্ণ’তে নেওয়া হয় তাঁকে। বেলা সাড়ে ১১টায় লাশ বাসায় নেওয়া হলে কান্নায় ভেঙে পড়েন তাঁর নিকটজনেরা। সেখান থেকেই মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় বায়তুল মোকাররমে। আদ্-দ্বীন হাসপাতালের মহাপরিচালক ডা. নাহিদ ইয়াসমীন গণমাধ্যমকে বলেন, শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় কয়েক দিন ধরে ব্যারিস্টার রফিক-উল হক এই হাসপাতালে আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন। তাঁর চিকিৎসার জন্য একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছিল। চিকিৎসকদের সব চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে আজ সকালে না ফেরার দেশে চলে যান এই প্রাজ্ঞ আইনজ্ঞ। রফিক-উল হকের মৃত্যুতে আইন অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। তাঁর মৃততে গভীর শোক প্রকাশ করেছে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি। এ ছাড়া সিনিয়র আইনজীবীরাও গভীর শোক প্রকাশ করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। তাঁরা বলেন, আইন ও বিচারাঙ্গনে তাঁর শূন্যতা পূরণ হওয়ার নয়। ব্যারিস্টার রফিক-উল হকের জন্ম ১৯৩৫ সালের ২ নভেম্বর দক্ষিণ কলকাতার চেতলা গ্রামে। গ্রামের হাই স্কুলে পড়াশোনা শেষ করে চলে যান কলকাতার ইসলামিয়া কলেজে। থাকতেন বেকার হোস্টেলে। ১৯৫৫ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক, ১৯৫৭ সালে দর্শন বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি। ১৯৫৮ সালে এলএলবি পাস করেন। ১৯৬২ সালে যুক্তরাজ্য থেকে বার অ্যাট ল সম্পন্ন করেন। ১৯৬৫ সালে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবে এবং ১৯৭৩ সালে আপিল বিভাগে আইনজীবী হিসেবে আইন পেশা শুরু করেন। বর্ণাঢ্য জীবনে আইন পেশায় দীর্ঘ প্রায় ৬০ বছর পার করেছেন। বিগত সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে মুক্ত করতে আইনি লড়াই করেন তিনি। দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও ভাবমূর্তি রক্ষায় বরাবরই সোচ্চার ছিলেন রফিক-উল হক। দেশের অনেক গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক ও আইনি বিষয় নিয়ে সরকারকে সহযোগিতা করেছেন বর্ষীয়ান এই আইনজীবী। ১৯৯০ সালের ৭ এপ্রিল থেকে ১৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন রফিক-উল হক। কিন্তু কোনো সম্মানী নেননি। পেশাগত জীবনে তিনি কখনো কোনো রাজনৈতিক দল করেননি। তবে নানা সময়ে রাজনীতিবিদরা সব সময় তাঁকে পাশে পেয়েছেন। রাজনীতিবিদদের সম্মান সব সময়ই অর্জন করেছেন তিনি। ব্যারিস্টার রফিক-উল হক তাঁর জীবনের উপার্জিত অর্থের প্রায় সবই ব্যয় করেছেন মানুষের কল্যাণ ও সমাজসেবায়। আর তাঁর এই উদ্যোগকে বিরল বলে আখ্যায়িত করেছেন আইন অঙ্গনে তাঁর সমসাময়িকরা।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply