sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » ৬১তে পা দিলেন কিংদবন্তি দিয়েগো মারাদোনা




৬১তে পা দিলেন কিংদবন্তি দিয়েগো মারাদোনা শুভ জন্মদিন ফুটবল ঈশ্বর দিয়াগো আরমান্দো মারাদোনা। ৬১ তে পা দিলেন এ আর্জেন্টাইন ফুটবল গ্রেট। তবে তা উদযাপনের ফুরসত নেই। সেল্ফ আইসোলেশনে আছেন মারাদোনা। ৬০তম জন্মদিনে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ডান হাত দিয়ে গোল করার ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন জীবন্ত কিংদবন্তি। না, খ্রিষ্টান কিংবা বৌধ্য ধর্মাবলম্বীদের উপাসনালয় নয় এটি। নাম তার ইগলিসিয়াস মারাদোনিয়ানা। ১৯৯৮ এ আর্জেন্টিনার রোজারিওতে যার গোড়াপত্তন। যেখানে ধর্ম ফুটবল আর যে ধর্মের ইশ্বর শুধুই মারাদোনা। ২৫ ডিসেম্বর ক্রিসমাসে জিশুর জন্মদিন যেভাবে পালিত হয় ঠিক তেমনি ত্রিশ অক্টোবর মারাদোনা ভক্তরা পালন করেন তার তাদের ইশ্বরের জন্মদিণ। কতটা ভক্তি আর ভালোবাসায় উপাশনালয়ে মারাদোনার আরাধনা সম্ভব তার এক ঝলক এই ইগলিসিয়াস। উত্থান-পতনের এক অপূর্ব মেলবন্ধনে গড়া যার জীবন। কখনো সাফল্য শিখরে কখনোবা ব্যর্থতার অতল গহ্বরে হারিয়ে যাওয়া যার অভ্যাস। প্রশংসায় ভেসেছেন দুয়োধ্বনি শুনেছেন ঢের। নন্দিত-নিন্দিত, বর্ণীল-ধূষর, বৈচিত্রময় এক মহাকাব্যের নাম মারাদোনা। আর্জেন্টিনার রাজধানী বুয়েনআইরেসের এক দরিদ্র পরিবারে জন্ম দিয়াগো আরমান্দো মারাদোনার। ছোটবেলা থেকেই যার কাছে ফুটবল ঝিল জীবনদর্শনের নাম। মাত্র ১৭ বছর বয়সে জাতীয় দলে জায়গা হয়েছিলো ঠিকই কিন্তু, এই বয়সের জন্যই ৭৮ বিশ্বকাপ দলে জায়গা হয়নি। আলবিসেলেস্তে জার্সীতে ৯১ ম্যাচে ৩৪ গোল তার মাহাত্ম্য বোঝায়না। ক্লাব ক্যারিয়ারে নাপোলিকে প্রথম আর শেষ বারের মত দুবার লিগ শিরোপা উপহার কিংবা উয়েফা কাপ জেতানোও তার গরীমা বোঝাতে যথেষ্ট নয়। তবে কেনো তিনি সেরাদের সেরা, শতাব্দীর শ্রেষ্ট ফুটবলার? ১৯৮৬ বিশ্বকাপটা সব বিশ্বকাপ থেকে আলাদা, মহিমান্বিত শুধুই মারাদোনার জন্য। একক নৈপুন্যে বিশ্বকাপ উপহার দেয়ার নজির ইতিহাসে মেলা ভার। কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে গোল হ্যান্ড অব গড নিয়ে আলোচনার শেষ নেই। একই ম্যাচে গোল শতাব্দীর সেরা গোলের দেখা পান এ কিংবদন্তি। ১৯৯০ এও হট ফেভারিট আর্জেন্টিনা তার নেতৃত্বে ফাইনালে উঠেছিলো ঠিকই কিন্তু টানা দ্বিতীয়বারের মত শিরোপা জিততে না পারার আক্ষেপ এখনো পোড়ায় মারাদোনাকে। বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ফাউলের শিকার হওয়া ফুটবলার তিনি। ইতালির বিপক্ষে একম্যাচেই রেকর্ড ২৩ সবমিলিয়ে ৫৩ বার অবৈধ ভাবে বাধাপ্রাপ্ত হয়েছেন তিনি। কিন্তু চাঁদের কলঙ্কের মতই মাদকাশক্তি আর অনিয়ন্ত্রিত জীবন কালোদাগ হয়ে আছে এ ফুটবলারের ক্যারিয়ারে। ১৯৯৪ বিশ্বকাপে ডোপ টেস্টে নিষিদ্ধ হওয়া। কোকেন, অ্যালকহল এ ফুটবল গ্রেটের নিত্যসঙ্গী। শেষ বিশ বছরে দু বার হ্যার্ট অ্যাটাক ছাড়াও হেপাটাইটিস, নিওমোনিয়ার মত রোগেও আক্রান্ত হয়েছেন তিনি। ফুটবলার হিসেবে যতটা সফল কোচ হিসেবে ততটাই ব্যর্থ মারাদোনা। সেরা প্রাপ্তি নিজ দেশের দায়িত্ব নেয়া। কিন্তু ২০১০ বিশ্বকাপে মারাদোর অধীনে কোয়ার্টার ফাইনালে থেমেছে আর্জেন্টিনার স্বপ্নযাত্রা। এছাড়াও ১৯৯৪ থেকে এখনো পর্যন্ত ৭ অখ্যাত ক্লাব সামলেছেন। সবশেষ আর্জেন্টিনার জিমনেশিয়া নামে প্রথম বিভাগের ক্লাবের দায়িত্বে মারাদোনা। ব্যতিক্রমী জীবনের মতই এবারের জন্মদিনের ইচ্ছাটাও অদ্ভুতুড়ে মারাদোনার। সঙ্গে প্রশংসা করেছেন মেসি-রোনালদোকে। ফুটবল গ্রেট দিয়াগো মারাদোনা বলেন, " ইংল্যন্ডের বিপক্ষে বা হাত দিয়ে গোল করেছিলাম। এবারের জন্মদিনে আমার চাওয়া যদি ডান হাত দিয়ে আরো একটা গোল করতে পারতাম। মেসি রোনালদোর পারফরম্যান্সের অর্ধেকও দেখাতে পারেনা সমসাময়িক ফুটবলাররা।" ৬০তম জন্মদিন অনেকটাই নিভৃতে একাকী কাটছে ফুটবল ইশ্বরের। দেহরক্ষীর করোনার উপসর্গ দেখা দেয়ায় সেল্ফ আইসোলেশনে জীবন্ত কিংবদন্তি। তবে কোটি ফুটবল ভক্তের মনে, হাজারো ক্রীড়া সাংবাদিকের লেখনীতে অদৃশ্য উদযাপন ঠিকই চলছে বিশ্বজুড়ে






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply