sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » পঞ্চাশেও আবেদন ছড়াচ্ছেন ঋতুপর্ণা!




পঞ্চাশেও আবেদন ছড়াচ্ছেন ঋতুপর্ণা!

পশ্চিমবঙ্গের আবেদনময়ী অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। ১৯৯২ সালে প্রভাত রায়ের ‘শ্বেতপাথরের থালা’ সিনেমায় অভিনয়ের মাধ্যমে রূপালি পর্দায় পা রাখেন। তারপর একে একে অভিনয় করেছেন প্রায় শতাধিক বাংলা ও হিন্দি সিনেমায়। হয়ে উঠেছেন বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির ‘লংগেস্ট সার্ভাইভিং’ হিরোইন। বাংলাদেশের সিনেমাও অভিনয় করেছেন ঋতু। ১৯৯৭ সালে ‘স্বামী কেন আসামী’ সিনেমার মাধ্যমে ঢালিউডে পর্দাপণ তার। বাঙালি এ অভিনেত্রীর জন্মদিন আজ (৭ নভেম্বর)। ১৯৭০ সালের আজকের এ দিনে কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন তিনি। ৫০ বছরের পা দিয়েছেন দুই বাংলার আলোচিত এ অভিনেত্রী। জন্মদিন উপলক্ষে শুভেচ্ছায় ভাসছেন তিনি। বর্তমানে সিঙ্গাপুর অবস্থান করছেন ঋতু। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্ত, শুভাকাঙ্খীরা শুভেচ্ছা জানাছেন তাকে। লেডি ব্রাবোর্ন কলেজ থেকে ইতিহাসে স্নাতক করে ঋতু ভর্তি হন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাবিভাগে। কিন্তু অভিনয়ের জন্য ইতি টানেন পড়াশোনায়। অভিনয়ের বাইরে বর্তমানে ঋতুপর্ণা বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কাজ এবং লেখালেখির সঙ্গেও জড়িত। অসাধারণ অভিনয় আর নিজের রূপ লাবণ্যের গুণে খুব অল্প সময়ে দর্শকহৃদয়ে জায়গা করে নেন ঋতুপর্ণা। একাধিক ব্যবসা সফল সিনেমা উপহার দিয়ে হয়ে উঠেছেন পরিচালক-প্রযোজকদের আস্থাভাজন। লম্বা ক্যারিয়ারে প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জীর সঙ্গে জুটিবদ্ধ হয়ে ৫২টি সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন ঋতু। ১৯৯৭ সালে ঋতুপর্ণ ঘোষের সিনেমা ‘দহন’ তাকে জাতীয় পুরস্কার দেয়। পাশপাশি অভিনেত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার ক্ষেত্রেও ভূমিকা রাখে সিনেমাটি। ঋতু অভিনীত সিনেমাগুলোর মধ্যে ‘আলো’ থেকে শুরু করে ‘চাঁদের বাড়ি’, গৌরি’, ‘মুক্তধারা’, ‘প্রাক্তন’ এবং ‘দৃষ্টিকোণ’ আবেগে তাড়িত করেছে বাংলা সিনেমাপ্রেমীদের। পাশাপাশি প্রমাণ করেছেন মূল ধারার পাশাপাশি সমান্তরাল সিনেমার ক্ষেত্রেও সাবলীল তিনি। ১৯৯৯ সালে ছোটবেলার প্রেমিক সঞ্জয় চক্রবর্তীকে বিয়ে করেন ঋতু। এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে এ দম্পতির। আউটডোর খেলাধুলার সঙ্গেও জড়িত ঋতুপর্ণা। অবসরে তিনি ব্যাডমিন্টন খেলেন বলেও জানা গেছে।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply