sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » ‘তোমাকে ভালো না বাসা বড্ড কঠিন’




তোমাকে ভালো না বাসা বড্ড কঠিন’

ভালো আছি ভালো থেকো, আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখো... রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ'র মতোই অগাধ দুঃখ ব্রাজিলিয়ান মহাতারকা পেলের লেখনীতে। সত্যিকারার্থেই আকাশের ঠিকানায় পৌঁছে যাওয়া একসময়ের চিরশত্রুর জন্য হৃদয়টা বড্ড ভারী। যার জন্য কখনোই সর্বশ্রেষ্ঠ ফুটবলার শব্দটা এককভাবে জুড়ে যায়নি তার নামের পাশে! সারাজীবন আক্ষেপ করেছেন কিনা কে জানে! বিদায়বেলায় পেলে বললেন, ওই দূর আকাশে একদিন তোমার সঙ্গে নিশ্চয়ই ফুটবল খেলবো প্রিয় বন্ধু! সীমাহীন বিতর্ক তার সঙ্গী। ক্যারিয়ারজুড়েই কেবল নয়, আজন্ম যেন তার পথচলা সমালোচনা মাড়িয়ে। কিন্তু দিয়েগো ম্যারাডোনা সেসবেরও অনেক উর্ধ্বে। বল পায়ে তার যে দক্ষতা, সব বিতর্কই বরং সেখানে প্রশ্নবিদ্ধ। ম্যারাডোনা নামটা তাই হৃদয় গহীনে দোলা দেয়, ওসব বিতর্ক নয়। কোটি নয়ন মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে চেয়ে থাকতো। ফুটবল মানেই ম্যারাডোনা, ম্যারাডোনাই ফুটবল! প্রজন্মের সেরা তো অনেকেই হন। যুগে যুগে তারকা আসেন, মুগ্ধ করেন, বিদায় নেন। ম্যারাডোনাদের বিদায় হয়না। তারা চিরন্তন। কে বলছেন জানেন? হাজারো মাইল দূরের অন্য এক খেলার শ্রেষ্ঠ একজন। তিনি সাকিব আল হাসান। ক্রিকেটার, টেনিসার কাকে মুগ্ধ করেননি ফুটবলের গোল্ডেন বয়? একজন ফুটবলারের মৃত্যুতে ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রকরা যখন শোকাক্রান্ত হন! শচীন টেন্ডুলকার, শোয়েব আখতার, চামিন্দা ভাস, সাঙ্গাকারা, মাইকেল ভন, লক্ষণ, শেওয়াগ থেকে আমাদের সাকিব-মাশরাফী, রুবেল-তাসকিনরা যখন একে একে শোকের মিছিলে শামিল হন, একজন ভুবনজয়ী মানুষের অস্তিত্ব টের পাওয়া যায়। গোটা বিশ্বই ডুব দিয়েছে শোকের সাগরে। সিনেমা নির্মাতা মোস্তফা সারোয়ার ফারুকী লিখেছেন, তোমাকে ভালো না বাসা বড্ড কঠিন দিয়েগো! একজন বিরুদ্ধাচারীর কথাই না হয় শুনুন। 'আমি কখনো আর্জেন্টিনার ফ্যান ছিলাম না। বরং তাদের প্রতিপক্ষ ছিলাম। আর্জেন্টাইনদেরকে নিয়ে বিষেদাগার করাই ছিল আমাদের মূল কাজ। কিন্তু গোপনে অনিয়ন্ত্রিত এক ভালোবাসা ছিল তার প্রতি। আমরা সবাই জানতাম, তার মতো আর কেউ নেই। তিনি ছিলেন জাদুকর, ক্রোধান্বিত এবং স্বর্গীয়। তিনি ছিলেন বিপ্লবী। গুড বাই ম্যারাডোনা। তোমাকে ভালো না বাসা বড্ড কঠিন!' খেলোয়াড়ী জীবনে প্রতিপক্ষদেরকে বোকা বানিয়েছেন কতোশতবার! রক্ষণ গুঁড়িয়ে, সবাইকে ফাঁকি দিয়ে ছুটে গেছেন লক্ষ্যপানে। এবার আর ফাঁকি দিতে পারেন নি, ভাঙতে পারেননি প্রকৃতির বেড়াজাল। কিংবা ঠিকই লক্ষ্যপানে ছুটে গেছেন। কারণ ওটাই যে শেষ ঠিকানা!






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply