sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » মিন্টুর হত্যাকারীরা পাঁচ বছর ধরে আশুলিয়ায় ছিনতাই করতো’




ঢাকার আশুলিয়া এলাকা ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন শেখ মিন্টু (৩৫)। তার হত্যাকারীরা পেশাদার ছিনতাই চক্রের সদস্য। তারা দীর্ঘ ৪/৫ বছর যাবৎ আশুলিয়া, সাভার এলাকায় ছিনতাই কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল। শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর উত্তরায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের ঢাকা জেলা কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ খোরশেদ আলম। বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন তিনি জানান, এ বছরের ১৩ জুলাই রাতে এক ছিনতাই চক্রের হাতে খুন হন অটো রিকশাচালক শেখ মিন্টু।আশুলিয়ার রশিদ মেম্বারের বাড়ির মােড় ও মােল্লা টাওয়ারের মাঝামাঝি জায়গা থেকে তিনজন মিন্টুর রিকশা থামান। ১৭০ টাকা ভাড়া করে। কিছু দুর যেতেই চালক মিন্টুর সন্দেহ হয়। এরপর তাদের কাছে ভাড়া চাইলে যাত্রীবেশে ছিনতাই চক্রের সদস্যরা চালক শেখ মিন্টুকে মারধর শুরু করেন। এক পর্যায় চক্রের একজন একটি চাকু দিয়ে মিন্টুর গলায় ও পেটে ছুরিকাঘাত করে দৌড়ে পালিয়ে যায়। জানা যায়, এই ঘটনাটি সম্পূর্ণ ক্লুলেস ছিলো। তবে ঘটনার চার মাস পর অটেরিকশা চালক শেখ মিন্টু হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মুল আসামি মো. আলী হায়দার ওরফে নাহিদ হাসান ওরফে নাহিদকে সাভার থানা এলাকার একটি বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ঢাকা জেলার একটি টিম। এসময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি সুইচ গিয়ার চাকু ও আসামির একজোড়া সেন্ডেল উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পরদিন ঢাকার আশুলিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা(নম্বর ১৪) দায়ে করা হয়। এপর তদন্তভার দেওয়া হয় পিবিআই কে। খোরশেদ আলম জানান, হত্যার ঘটনায় চক্রের মুল আসামিকে ১৯ নভেম্বর রাতে আমরা গ্রেপ্তার করি। হত্যাকারীরা পেশাদার ছিনতাই চক্রের সদস্য। তারা দীর্ঘ ৪/৫ বছর যাবৎ আশুলিয়া, সাভার এলাকায় ছিলতাই কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল। তাদের মুল টার্গেট ছিল অটোরিকশা চালকরা। ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নির্ধারিত ভাড়ার অধিক টাকায় ভাগা করে নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে চালককে মারধর করে টাকা পয়সা ও রিকশার ব্যাটারি খুলে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। তিনি বলেন, ছিনতাই করা এসব ব্যাটারির সেট (৪টি) বিভিন্ন জেলায় ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকায় বিক্রি করতো। এছাড়াও এই চক্রটি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে ভোরে ও রাতের সময় বাস থেকে নামা যাত্রীদের ধরে ছিনতাই করে সর্বস্ব লুটে নিতো। তিনি বলেন, ছিনতাই চক্রের দলনেতা গ্রেপ্তার করা নাহিদ। তার এই চক্রে বেশ অন্তত ২০/২৫ জন সদস্য রয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নাহিদের সঙ্গে আরও দুইজন ছিলেন। তাদেরও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আসামিরা মিন্টুকে হত্যা করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পেছনে ঝাউবনে পালিয়ে যায়। তদন্তে আমরা সেখানকার একটি সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ উদ্ধার করেছি। তবে সেই ফুটেজটি ছিলো অস্পষ্ট। তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় আমরা হত্যাকাণ্ডের মুলহোতা নাহিদকে গ্রেপ্তার করি






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply