sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » চরম মার্কিন বিদ্বেষী ম্যারাডোনার ঘনিষ্ঠ বন্ধু কাস্ট্রো-চ্যাভেজ




চলে গেছেন ফুটবলের বরপুত্র দিয়েগো আরমান্ডো ম্যারাডোনা। বুয়েনস আইরেসের গরীব ঘরে চরম ক্ষুধা-আর দারিদ্রের সঙ্গে লড়াই করা ছেলেটা বিশ্ব ফুটবলকে শাসন করেছেন জাদুকরী বাম পায়ে। তার জীবনের পরতে পরতে রয়েছে দরিদ্র, নিপীড়িতদের জন্য অনুপ্রেরণা। ফুটবলের সবুজ খাতায় বহু মহাকাব্যের জন্ম দেয়া এ কিংবদন্তী যেনো দুনিয়ার তাবৎ শোষিতের চেহারা। সার্বিয়ান সংবাদপত্র পলিটিকায় দেয়া সাক্ষাৎকারে ম্যারাডোনা বলেছিলেন, বুয়েনস আইরেসের সবচেয়ে দারিদ্র্যপীড়িত অংশ ফ্যাবেল ফিওরিটোতে আমার জন্ম। ওই অঞ্চলের দারিদ্রের রূপ আগের মতোই আছে। আমার ছোটবেলার বন্ধুরা এখনো সেই আগের মতোই আছে। শুধু রাজনীতিবিদ আর সরকারি লোকেরাই দিনকে দিন ধনী হচ্ছে। তিনি বলেন, ধনী হওয়ার সুযোগ আমারও ছিলো। কিন্তু আমি সেই সুযোগ নেইনি। কারণ, আমাকে ধনী হতে হলে গরিবের কাছ থেকে চুরি করতে হবে। ম্যারাডোনা বলেন, আমি একবার গরিবদের কথা বলার জন্য আর্জেন্টিনার রাজনীতিতে যোগ দিয়েছিলাম, কিন্তু কেউ আমার একটি কথাও শোনেনি। আর্জেন্টিনা, ভেনেজুয়েলা, ব্রাজিল কিংবা কিউবা সব জায়গাতেই একই সমস্যা—দারিদ্র। ধনী দেশগুলো জন্য আমাদের এই দীনতা। ম্যারাডোনার মতে, কোনো কিছু বদলে দেয়া কষ্টকর। কিন্তু আমরা কুশাসনের বিরুদ্ধে কথা বলতে জানি সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। স্বয়ং পোপ থেকে শুরু করে সব দেশের রাজনীতিবিদেরা, কেউ গরিবদের পক্ষে কথা বলে না। বার্লিন ওয়াল ধ্বংসের পরে সারা পৃথিবীতে দারিদ্র্যের সংখ্যা বেড়েছে নয় গুণ। এদের দেখার কেউ নেই। আরো পড়ুন: ম্যারাডোনা মারা গেছেন তবে ম্যারাডোনা শুরু থেকে বামপন্থী মতাদর্শের ছিলেন সেটা বলা যাবে না। এর আগে তিনি আর্জেন্টিনার নব্যউদারনীতিবাদী প্রেসিডেন্ট কার্লোস মেনেম-এর সমর্থন করতেন তিনি; বিশেষ করে তার হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া অর্থনীতিবিদ দমিনগো কাভায়ো। ২০০৭ সালে ম্যারাডোনা আর্জেন্টিনার সাবেক প্রেসিডেন্ট নেস্তর কির্শনারকে একটি স্বাক্ষরকৃত শার্ট উপহার দেন। কিউবায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেখানকার নেতা ফিদেল কাস্ত্রোর সাথে তার বন্ধুত্বপূর্ণ গড়ে ওঠে। ম্যারাডোনার বাম পায়ে কাস্ত্রোর প্রতিকৃতি ট্যাটুও আছে আর তার ডান হাতে আছে স্বদেশী বিপ্লবী চে গুয়েভারা ট্যাটুকৃত প্রতিকৃতি। ম্যারাডোনা নিজের আত্মজীবনী এল দিয়েগো উৎসর্গ করেছেন কয়েকজন মানুষের প্রতি, যাদের মধ্য ফিদেল কাস্ত্রো অন্যতম। বইটিতে তিনি লিখেছেন, ফিদেল কাস্ত্রোর প্রতি এবং তার মাধ্যমে কিউবার সকল মানুষের প্রতি। ভেনিজুয়েলার চরম মার্কিন বিদ্বেষী সাবেক প্রেসিডেন্ট হুগো চ্যাভেজেরও সমর্থক ছিলেন ম্যারাডোনা। ২০০৫ সালে চ্যাভেজের সাথে সাক্ষাতের জন্য তিনি ভেনিজুয়েলা ভ্রমণ করেন। সাক্ষাতের পর ম্যারাডোনা বলেন, তিনি এসেছেন একজন মহান ব্যক্তির সাথে সাক্ষাৎ করতে, কিন্তু তার পরিবর্তে তিনি সাক্ষাৎ করলেন এমন একজন ব্যক্তির সাথে যিনি মহানের চেয়েও বেশি। তিনি বলেছিলেন, আমি চ্যাভেজে বিশ্বাসী, আমি চ্যাভিস্তা। ফিদেল যা করে, চ্যাভেজ যা করে, আমার কাছে সেগুলোই ঠিক। ২০০৫ সালে আর্জেন্টিনার মার দেল প্লাটায় সামিট অফ দ্য আমেরিকাস-এ তিনি আর্জেন্টিনায় জর্জ ডব্লিউ বুশের উপস্থিতির বিরোধিতা করেন। তিনি একটি টি-শার্ট পরেছিলেন, যাতে লেখা ছিল “STOP BUSH” (এখানে "Bush" এর "s" এর স্থানে ছিল একটি স্বস্তিকা)। বুশকে তিনি 'আবর্জনা' হিসেবেও উল্লেখ করেন। ২০০৭ সালের আগস্টে, চ্যাভেজের একটি সাপ্তাহিক টেলিভিশন অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে তিনি বলেন, “আমি সবকিছুকেই ঘৃণা করি যা যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসে। আমি ঘৃণা করি আমার সর্বশক্তি দিয়ে। ওই বছরের ডিসেম্বরে ম্যারাডোনা ইরানের জনগণকে সমর্থন জানানোর জন্য একটি স্বাক্ষরকৃত শার্ট উপস্থাপন করেন।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply