sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » বিবিএস আর কৃষি বিভাগের পরিসংখ্যানে মিল নেই: কৃষিমন্ত্রী




ফসল উৎপাদনের পরিসংখ্যানে সরকারের দুই সংস্থা বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এবং কৃষি বিভাগের দেওয়া তথ্যে মিল পাওয়া যায় না। খোদ কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাকই তুললেন এমন গুরুতর অভিযোগ। তিনি মনে করেন, কৃষি সম্প্রসারণের পরিসংখ্যানে মাঠ থেকে ফসল উৎপাদনের প্রকৃত তথ্য উঠে আসছে কিনা সেটিও যাচাই বাছাই করা দরকার। এছাড়া, বিবিএস এর ওপর নির্ভরশীল না থেকে মন্ত্রণালয় ও ব্রিসহ অন্যান্য সংস্থাকেও উৎপাদনের তথ্য ক্রস চেক করার নির্দেশনা দেন তিনি। বৃহস্পতিবার (১৪ জানুয়ারি) গাজীপুরে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) মিলনায়তনে আয়োজিত কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন কৃষিমন্ত্রী। ২০১৯-২০ অর্থ বছরের গবেষণা পর্যালোচনা বিষয়ক এ কর্মশালাটি আয়োজন করে ব্রি। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহ্‌সান রাসেল এমপি এবং কৃষিসচিব মো. মেসবাহুল ইসলাম। আরও পড়ুন: কৃষিপণ্যের উৎপাদন খরচ বেঁধে দিলো সরকার কর্মশালায় উৎপাদনশীলতা দ্বিগুণ করতে আরও উন্নতজাতের ধান উদ্ভাবনের জন্যও বিজ্ঞানী ও গবেষকদের আহ্বান জানান কৃষিমন্ত্রী। তিনি বলেন, বাংলাদেশ এক সময় খাদ্য ঘাটতির ও ক্ষুধার দেশ হিসাবে পরিচিত ছিল। স্বাধীনতার পর জনসংখ্যা ছিল সাড়ে ৭ কোটি যা এখন বেড়ে হয়েছে ১৬ কোটির উপরে। এর সাথে প্রাকৃতিক দুর্যোগ তো আছেই। তারপরও বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছে। এই সাফল্যের পেছনে ব্রি’র উদ্ভাবিত জাত ও বিজ্ঞানীদের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। কিন্তু ভবিষ্যতের খাদ্য নিরাপত্তায় মূল চ্যালেঞ্জ হলো আমাদের জনসংখ্যা প্রতিবছর ২২-২৩ লাখ বৃদ্ধি পাচ্ছে। অথচ নানা কারণে চাষের জমি কমছে। সেজন্য, ২০৩০ সালের মধ্যে উৎপাদনশীলতা দ্বিগুণ করতে হলে আরও উন্নত জাত ও প্রযুক্তির উদ্ভাবন করতে হবে। ব্রি উদ্ভাবিত শতাধিক জাতের ধানের প্রসঙ্গে কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, এই জাতগুলো থেকে সেরাগুলো নিয়ে সব সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে যাতে করে কৃষকের কাছে এগুলো জনপ্রিয় হয়, কৃষকের কাছে সহজে পৌঁছানো হয়। তিনি আরও বলেন, একক পুষ্টি উপাদান সমৃদ্ধ জাত না করে, বহু পুষ্টি উপাদান সমৃদ্ধ জাতের ধান উদ্ভাবন করতে হবে। এছাড়া, মোটা চালের চাহিদা দিন দিন কমছে, সেজন্য চিকন চাল এবং কৃষক ও ভোক্তার চাহিদা বিবেচনা করে জাত উদ্ভাবনে এগিয়ে আসতে হবে। ব্রির সাফল্য ও ভবিষ্যত পরিকল্পনা তুলে ধরে সংস্থাটির মহাপরিচালক ড. মো. শাহজাহান কবীর জানান, এখন পর্যন্ত ব্রি ১০৫টি উচ্চফলনশীল জাত ও ২৫০টি লাগসই কৃষি প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকারের আমলে ব্রি ধানের জাত উদ্ভাবনে বড় সাফল্য পেয়েছে। এই সময়ে ৫৪টি জাত ও ২০০ এর বেশি প্রযুক্তি উদ্ভাবিত হয়েছে । তিনি আরও জানান, জলবায়ু পরিবর্তনসহ বিভিন্ন অভিঘাত সহনশীল জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনেও গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে ব্রি। এরই মধ্যে উদ্ভাবন করা হয়েছে লবণাক্ততা সহিষ্ণু ১২টি, খরাসহিষ্ণু ৩টি, জলমগ্নতা সহনশীল ৪টি ও ঠাণ্ডা সহনশীল ৪টি জাত। জনগণের পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুষ্টিসমৃদ্ধ নিরাপদ জাত উদ্ভাবনে বিশ্বের সর্বাধুনিক বায়োফর্টিফিকেশন ও জিএম প্রযুক্তি ব্যবহার করছে ব্রি বিজ্ঞানীরা। ডিজি ড. কবীর জানান, ইতোমধ্যে জিঙ্কসমৃদ্ধ ৫টি ও প্রিমিয়াম গুণসম্পন্ন ১১টি জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে। এছাড়া, মুজিব শতবর্ষের উপহার হিসাবে হাইজিংক সমৃদ্ধ ব্রি ধান ১০০ কারিগরি কমিটির অনুমোদন শেষে জাতীয় বীজ বোর্ডে অনুমোদনের জন্য জমা দেয়া হয়েছে বলেও জানানো হয় কর্মশালায়।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply