sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » নারী নিয়ে বেপরোয়া ছিল দিহান ও তার ভাই




মাস্টারমাইন্ড স্কুলের ‘ও’ লেভেলের ছাত্রী আনুশকা নূর আমিন ‘ধর্ষণ’ ও হত্যায় জড়িত ফারদিন ইফতেখার দিহান বেপরোয়া জীবন যাপন করতো বলে জানা গেছে। কেবল তাই নয় তার বড় ভাই সুপ্তও বেপরোয়ার জীবন যাপন করতো। বিশেষ করে নারী সংক্রান্ত বিষয়ে তাদের আচরণ ছিল বেপরোয়া। তাদের সাবেক জেলা রেজিস্ট্রার বাবার টাকার দাপটেই তারা শৃঙ্খলার সীমা ছাড়িয়ে যায় অনেক আগেই। রাজধানীর কলাবাগানে ‘ও’ লেভেল পড়ুয়া শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত তানভীর ইফতেখার দিহানের অপরাধের ঘটনা নতুন নয়। দিহানের ভাই সুপ্তর বিরুদ্ধেও রয়েছে স্ত্রী হত্যার অভিযোগ। এলাকাবাসী বলছেন, বাবা আব্দুর রউফ সরকারের টাকার দাপটে এগুলো করার সাহস পায় দুই ভাই। এক্ষেত্রে মা সানজিদা সরকারও আশকারা দিতেন বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। লিজা খাতুন নামে এক নারী নেত্রী বলনে, ‘সুপ্ত এবং দিহানের বাবা তো টাকাওয়ালা ও প্রভাবশালী এবং এদের ফ্যামিলি ক্যারেক্টারটাই এ রকম টাইপের। মা-ও ভীষণ দুর্ধর্ষ। ওদের ফ্যামিলিটা এ রকমই। ওরা টাকার জোরে এ রকম করে। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।’ অভিযুক্ত দিহান ও সুপ্ত বাবার প্রশ্রয়ে অপরাধ করার সীমা ছাড়িয়েছে বলে জানায় তাদের গ্রামের লোকজন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দিহানদের গ্রামের বাড়ী- রাজশাহী জেলার দূর্গাপুর থানার রাতুব গ্রামে, বর্তমানে থাকছে কলাবাগান থানা এলাকায়। অন্যদিকে আনুশকা নূরদের গ্রামের বাড়ী কুষ্টিয়া সদরে। থাকতেন ধানমন্ডি থানায় এলাকায়। উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে ধানমন্ডির আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কলাবাগান থানায় ফোন করে জানায়, এক কিশোরীকে হাসপাতালে মৃত অবস্থায় এনেছেন এক তরুণ। কিশোরীর শরীর থেকে রক্ত ঝরছে। খবর পেয়ে নিউমার্কেট অঞ্চল পুলিশের জ্যেষ্ঠ সহকারী কমিশনার (এসি) আবুল হাসান ওই তরুণকে আটকে রাখার জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেন। এরপর কলাবাগান থানার পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে গিয়ে ওই তরুণকে আটক করে। পরে ওইদিন রাতেই তানভীর ইফতেখার দিহানকে (১৮) আসামি করে ছাত্রীর বাবা আল আমিন আহম্মেদ বাদি হয়ে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। মামলাটির তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় আরও কেউ জড়িত আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply