sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » কোনো অপপ্রচার বিনা চ্যালেঞ্জে ছেড়ে দেওয়া যাবে না : ওবায়দুল কাদের




সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি মাঠের রাজনীতিতে সফলতা না পেয়ে একটি মহল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে বেছে নিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। এ ছাড়া কোনো অপপ্রচার বিনা চ্যালেঞ্জে ছেড়ে দেওয়া যাবে না বলেও নেতাকর্মীদের জানান তিনি। আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপকমিটির উদ্যাগে আজ মঙ্গলবার সকালে আয়োজিত ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্রচার কৌশল’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে নেতাকর্মীদের উদ্দেশে এ কথা বলেন ওবায়দুল কাদের। মন্ত্রী তাঁর সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কর্মশালায় যুক্ত হন। এ সময় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশের সুযোগ নিয়ে যারা সরকারের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে, তাদের বিপক্ষে সবাইকে সত্য প্রচারে গড়ে তুলতে হবে অনলাইন অ্যাকটিভিস্ট গ্রুপ।’ ওবায়দুল কাদের আরো বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অব্যাহত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আর্থ-সামাজিকসহ প্রতিটি খাতে অর্জন করে চলছে ঈর্ষণীয় সাফল্য। এসব অর্জনের ধারাকে বর্ণিল করে তুলেছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।’ সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর আইসিটিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের অক্লান্ত পরিশ্রমে দেশের আইসিটি খাতে এর মধ্যেই ঘটেছে নীরব বিপ্লব। রাজধানী থেকে প্রত্যন্ত জনপদে আজ হাতের মুঠোয় বিশ্ব যোগাযোগের নেটওয়ার্ক।’ দেশের গণতন্ত্র এখনো বিকাশমান ধারায় এগিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘অতীতে এগিয়ে যাওয়ার পথে নানান ঘাত-প্রতিঘাতে গণতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’ সেতুমন্ত্রী আরো বলেন, ‘দেশের মানুষ ১/১১-এর স্মৃতি এখনো ভুলে যায়নি। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে কুক্ষিগত করে বিএনপি ২০০৬ সালের শেষ দিকে যেনতেন নির্বাচন দেওয়ার অপচেষ্টা চালিয়েছিল। ক্ষমতা অব্যাহত রাখতে রাষ্ট্রপতিকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধানের দায়িত্ব দেওয়া হয়। ভোটার তালিকায় এক কোটি ২৩ লাখ ভুয়া ভোটার যুক্ত করে ক্ষমতায় টিকে থাকার অপপ্রয়াস চালায় বিএনপি।’ ২০০৭ সালের জানুয়ারিতে গণতন্ত্রের এগিয়ে যাওয়ার পথে একটি বড় ক্ষত তৈরি করা হয়েছিল মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বিএনপির ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে রাখতে জনগণের ভোটাধিকার হরণের অপচেষ্টা এবং একগুঁয়েমির কারণে সৃষ্টি হয়েছিল ১/১১। বাধাগ্রস্ত হয় গণতন্ত্রের চলমান ধারা।’ ওবায়দুল কাদের বিএনপির উদ্দেশে বলেন, ‘গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে চাইলে সরকারকে সহযোগিতা করুন।’ সবাইকে দলমত নির্বিশেষে দেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা এগিয়ে নিতে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার উন্নয়নের রাজনীতির সুফল মানুষ পাচ্ছে বলেই বারবার তাঁর প্রতি আস্থা রেখেছে। তাই আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়নকাজের প্রচার অব্যাহত রাখতে একেকজনকে সাহসী সৈনিক হতে হবে।’ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপকমিটির চেয়ারম্যান ড. হোসেন মনসুরের সভাপতিত্বে কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সবুর, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক ও আওয়ামী লীগের গবেষণা সংস্থা সিআরআইয়ের সদস্যরা।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply